২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৯:২৬

দীপাবলির ইতিহাস

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১২, ২০১৭,
  • 194 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

দীপাবলি  হিন্দু এবং কিছু সংখ্যক শিখ সম্প্রদায় যুগের পর যুগ পালন করে আসছে। এটি দেওয়ালি, দীপান্বিতা, দীপালিকা, সুখরাত্রি, সুখসুপ্তিকা এবং যক্ষরাত্রি নামেও অভিহিত হয়।

দীপাবলি দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও এদিন আলোকসজ্জা কেন করা হয় এর কতগুলো ইতিহাস জেনে নেওয়া যাক।

১. শ্রাদ্ধগ্রহণের জন্য যমলোক ছেড়ে যে পিতৃপুরুষগণ দুনিয়ায় আগমন করেন বলে কল্পিত হয়, তাঁদের পথ প্রদর্শনার্থে উল্কা জ্বালানো হয়। এ কারণে ঐ দিন আলোকসজ্জা ও বাজি পোড়ানো হয়।

২. কার্তিকী অমাবস্যায় এই উৎসব উপলক্ষে কালীপূজা, কোন কোন স্থানে লক্ষ্মীপূজাও হয় এবং লক্ষীকে স্বাগতম ও অলক্ষীকে বিদায় করার জন্যও দ্বীপ জ্বালানো হয়।

৩. রামায়ন অনুসারে আজকের দিনে ত্রেতা যুগে শ্রী রাম রাবণ বধ করে চৌদ্দ বছরের বনবাস শেষে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন করেন। শ্রী রামের চৌদ্দ বছর পরের প্রত্যাবর্তনে সারা রাজ্য জুড়ে প্রদীপ জ্বালানো হয়। প্রজারা খুশিতে শব্দবাজি করে। অনেকে মনে করেন দীপাবলীর আলোকসজ্জা এবং শব্দবাজি ত্রেতাযুগে রাম-রাজ্যে ঘটে যাওয়া সেই অধ্যায়কে সামনে রেখেই অন্যসব অঞ্চলে প্রচলিত হয়েছে, পরিচিত হয়েছে, বিস্তৃত হয়েছে।

৪.বুদ্ধদেবের গৃহত্যাগ স্মরণে বৌদ্ধরা এ সময়ে উৎসব করে। মহাবীরের নির্বাণ দিবস উপলক্ষে অমাবস্যার আগের দিন চতুর্থী তিথিতে জৈনরা আলোকসজ্জা করে।

৫.সনাতন ধর্মের ভগবান তথা ঈশ্বর, কৃষ্ণ কর্তৃক নরকাসুর বধের স্মারক হিসেবে একে নরকচতুর্দশী বলা হয়। সে আনন্দে আলোক উৎসব করা হয়।

৬. জৈন ধর্মের প্রবর্তক মহাবীর ৫২৭ অব্দে আজকেই এই দিনে মোক্ষ (নির্বাণ) লাভ করেন।

৮. এই দিনে শিখ ধর্মগুরু গুরু হরগোবিন্দ জী অমৃতসরে ফিরে আসেন; সম্রাট জাহাঙ্গীরকে পরাজিত করে গোয়ালিওর দুর্গ থেকে বায়ান্ন হিন্দু রাজাকে মুক্ত করে- তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে শিখগণ পালন করেন; তারা এই দিনকে ‘বন্দী ছোড় দিবস’ও বলেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »