১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৬:৪৬
ব্রেকিং নিউজঃ
ভাইজানের ব্রিগেড !! বরিশালের বিখ্যাত সুগন্ধা নাসিকা-শক্তিপীঠ (তাঁরাবাড়ি) পরিদর্শনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে – ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার মুশতাকের মৃত্যু: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপি’র পর সিপিএম প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে !! আট দফায় বেনজির ভোট পশ্চিম বাংলায়! অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করছেন শেখ হাসিনা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন কি ‘স্বাভাবিক’ হয়ে উঠল চট্রগ্রামের পটিয়া উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারকে ভিটে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে নতুন বাইপাস সড়ক করার অপচেষ্টা চলছে। মিনি পাকিস্তানের প্রবক্তা ফিরহাদ হাকিমের বাইকের পিছনে সওয়ার কেন মমতা ব্যানার্জী ?

সংখ্যালঘু নয় বৈদিক ব্রাক্ষ্মণ ও সিন্ধিরা : সংখ্যালঘু কমিশন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ রবিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮,
  • 85 সংবাদটি পঠিক হয়েছে
 
ব্রাক্ষ্মণ ও সিন্ধি সম্প্রদায়ের মানুষরা সংখ্যালঘু নন৷ তাই তাদের সেই তকমা দেওয়ার পক্ষপাতী নয় ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনরিটি৷

নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করার জন্য সংখ্যালঘু তকমা চাইছিল এই দুই সম্প্রদায়৷ কিন্তু এই দাবির বিরোধিতা করেছে ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনরিটি৷

বিশ্ব ব্রাক্ষ্মণ সংস্থা ও পুর্বোত্তর বহুভাষীয় ব্রাক্ষ্মণ মহাসভার দাবি যদি সরকার মেনে নেয়, তাহলে রাজপুত ও বৈশ্যদের দাবিও সরকারকে মানতে হবে বলে সতর্ক করেছে কমিশন৷ তাদের বক্তব্য এরপর অনৈতিকভাবে সবাই সংখ্যালঘু তকমা পাওয়ার দাবি করবে৷ যেটা কোনওভাবেই কাম্য নয়৷

কমিশন আরও বলেছে, বৈদিক ব্রাক্ষ্মণরা হিন্দু ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ৷ তারা সংখ্যায় কম বলে গোটা হিন্দু সম্প্রদায়কেই সংখ্যালঘু বলা যায়না৷ ২০১৬-১৭ সালের রিপোর্টে এমনই বক্তব্য তুলে ধরেছে কমিশন৷ সংখ্যালঘু তকমা পেলে কোনও ধর্মের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সংরক্ষণে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা যুক্ত হবে না বলে মনে করিয়ে দিয়েছে এনসিএম৷

অন্যদিকে, সিন্ধিদের সংখ্যালঘু ঘোষণা করার ক্ষেত্রেও এমকই মত ব্যক্ত করেছে তারা৷ ভাষাগত দিক থেকে সিন্ধিরা সংখ্যালঘু হলেও, ধর্মীয় সংখ্যালঘু যে তাদের বলা যায় না, তা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনরিটি৷ তবে যেহেতু শুধুমাত্র ধর্মগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিষয়টি কমিশনের আওতায় পড়ে, তাই ভাষাগত বিষয়ক সংখ্যালঘু হলেও কমিশন তাদের সেই তকমা দিতে পারবে না৷

এর আগে, ভারতের আটটি রাজ্যে হিন্দুদের সংখ্যালঘু হিসেবে ঘোষণা করতে আবেদন দাখিল করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। জনস্বার্থ মামলা দাখিল করেন আইনজীবী অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল এই আটটি রাজ্যে হিন্দুদের মৌলিক অধিকার দেওয়া হয় না। ২০১১-র লোকগণনা অনুযায়ী, ভারতের আটটি রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু৷ ১৯৯৩ সালে কেন্দ্রের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ এবং পার্সিরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ভুক্ত। ২০১৪ সালে জৈনদের এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, মিজোরাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডে খ্রিস্টানরা সংখ্যাগুরু। কিন্তু রাজ্যগুলিতে তাদের সংখ্যালঘু হিসেবেই মর্যাদা দেওয়া হয়। একইভাবে পঞ্জাবে শিখ সম্প্রদায় সংখ্যাগুরু। সেইসঙ্গে একই চিত্র দিল্লি, চণ্ডীগড় এবং হরিয়ানাতেও। কিন্তু সেখানেও তাদের সংখ্যালঘু হিসেবেই গণ্য করা হয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »