২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৬:১৫

দুর্মূল্য অন্ধকারবিলাসী / পৃথা রায় চৌধুরী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ রবিবার, জানুয়ারি ২৮, ২০১৮,
  • 106 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ছায়া খুঁজছি দেওয়ালে দেওয়ালে… নেই; বড়ো বেশি আলো।

এখন আমার অন্ধ হবার সময়।

অনেক অনেক দূর পর্যন্ত দেখে চোখদুটো নাগাড়ে দম টানছে,

তর্ক করছে নিজেদের মধ্যে, তারা অ্যাজমা আক্রান্ত, নাকি অ্যাস্থমায় ধরাশায়ী।

আমার বাগানে এই ঘোর বর্ষায় শুধু সাবাই ঘাস,

ঢেকে যাচ্ছি, ঢেকে যাচ্ছে আমার শঠতা

যা শুধু তুমি বোঝো…

অথবা ভুলে যাচ্ছি তোমার হইহই হাসির একদৃষ্টি!

কোকিলের সেই মাঠ এখন শুধু দাপিয়ে যায় জলপর্দার বর্গী।

আমার শাপিত রেটিনা কর্নিয়া আর

মগজের বেহায়া কোষেরা পরপর এঁকে ফেলে

যা যা দেখতে চাই না, সেসব। ঠিক সেই মুহূর্তে এসব বলে ফেলতে নেই।

বলে ফেললেই পাঁচিলের সীমানা…

বহুকাল যাওয়া হয় না কোনো রবিবারের কোলে।

খালি দোলনায় রেষারেষি থাকে না, যদিও সে আমার ভারি প্রিয়।

মন দিয়ে ঘৃণিত স্বাধীনতা ভোগ করি।

দিন দিন বিপদ হয়ে দাঁড়াচ্ছি… এই রায়।

একটু লোডশেডিং হোক না, হোক না একটু… এই এতোটুকু নিকষ?

এতো আলো ভালো না।

সেই হ্যারিকেন আর লম্ফর আলো চাই, ফ্রিতে

ছায়া পাওয়া যায়, ইয়া বড়ো বড়ো, কাঁপা কাঁপা,

যেগুলো লুকিয়ে নিতো কেমন ভয়ভয় আদরে।

যে জিভে লেগে আছে আহা ষাট, সে নাকি অভিসম্পাতি?

দুধদুধ আদরের কালিপড়া রান্নাঘর নেই, নেই রাবণগুষ্ঠির হাঁ উনুন… মাটির।

চাই, সেসব চাই। অ্যাকশান রিপ্লে হবে কিভাবে এসব না পেলে?

কার বাবা যেন ওপাশে চীৎকার করে উঠেছে, ‘তোর শরীরে এতো গরম?’

কার স্বামী যেন বলেছে,… কার বর যেন বলেছে,…

থাক থাক! এসব ক্ষতে বরং অ্যালোভেরা কাজ করে কিনা দেখা যাক।

শব্দের গোলকধাঁধায় নির্বোধ চাইছ আমায়, ফেলে দিচ্ছি বোধশক্তি, তাবৎ ইন্দ্রিয়,

তবু কানফাটানো ভেসে আসে ‘নোংরা আঁস্তাকুড়!’

নাঃ! গাছের ছায়া হলে চলবে না, শীগগির সেই দত্যিদানো ছায়া এনে দাও।

মেয়েটা বড়ো ছ্যাঁচড়া, ভয়টয় কোথায় ফেলে এসেছে… ও এবার ভয় পেতে চায় একটু।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »