২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬:৪৯

সুনির্দিষ্ট নীতিমালায় কোচিং পরিচালনার দাবি জানিয়েছে বরিশাল কোচিং এসোসিয়েশন।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮,
  • 165 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক \ কোচিং বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়েছে বরিশাল কোচিং এসোসিয়েশন। এসোসিয়েশনের সভাপতি ইলিয়াছ হোসেন সুমন স্বাক্ষরিত এক লিখিত বক্তব্যে তুলে ধরা হয় শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষার জন্য কোচিংয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং কোচিংয়ে জড়িত চাকুরীবিহীন শিক্ষকদের জীবিকা সম্পর্কে। এতে আরো উল্লেখ করা হয় কোচিংয়ের কারণে সরকার এবং কম মেধাবী শিক্ষার্থীরা কতটা উপকৃত হচ্ছে।

ওই লিখিত বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে একজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট শিক্ষক রেখে বাড়িতে পড়ানো অনেক ব্যয় বহুল। যা গরীব অভিভাবকদের পক্ষে অসম্ভব। অপরদিকে শ্রেণী কক্ষে স্বল্প সময়ের পাঠদানে অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীর ভীড়ে যে কোন বিষয়ের ওপর দুর্বল এবং কম মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়া কম বোঝার কারণে পিছিয়ে পড়ছে। এতে করে পরীক্ষায় অকৃতকার্যের সংখ্যায় বাড়ে। এক্ষেত্রে কোচিং সেন্টারগুলো ওইসব পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বাড়তি যতœ সহকারে কম বোঝা বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে দুর্বল শিক্ষার্থীদের সবল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। যা বিগত কয়েক বছরের বিভিন্ন পরীক্ষার পাসের হার দেখলেই প্রমাণ পাওয়া যাবে। এছাড়া ওই সব কোচিংয়ে যেসব শিক্ষকরা পাঠদান করায় তারা যদি কোচিংয়ে পড়ানোর সুযোগ না পায় তাহলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা আরো বেশিমাত্রায় বৃদ্ধি পাবে। এদিকে কোচিংগুলো সব রকম নিয়ম মেনে এবং সরকারি কোষাগারে বার্ষিক লাইসেন্সের টাকা জমা দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে। যে কারণে কোচিংগুলো থেকেও সরকার বছরে বিপুল অংকের টাকা রাজস্ব পায় যা কোচিং বন্ধ করে দিলে বঞ্চিত হবে। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বিষয়ে কোচিংয়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যারা সাইনবোর্ড ও নামধারী কোচিংয়ের সাথে জড়িত তারা কেউ সরকারি চাকুরীতে নেই। যে কারণে পরীক্ষার আগে তাদের হাতে প্রশ্ন আসার সুযোগও নেই। দাবি করা হয়, সরকারি শিক্ষক ও শিক্ষা দপ্তরে চাকুরী করেন এমন কারও দ্বারাই প্রশ্ন ফাঁস সম্ভব। এছাড়া সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং করানো নিষিদ্ধ থাকলেও নামবিহীন ও ব্যাচের নামে তারা কোচিং পরিচালনা করায় তাদের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের ঝুঁকি অধিক মাত্রায় থাকে। যে কারণে কোচিং বন্ধ করলে নানাবিধ কুফলগুলো বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সরে এসে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে কোচিং পরিচালনার ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবি জানান বরিশাল কোচিং এসোসিয়েশন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »