৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৯:৪৪
ব্রেকিং নিউজঃ
খায়রুল বাশার লিটনকে সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী একুশে বিজেপির প্রার্থী বাছাইয়ে সঙ্ঘের ছোঁয়া,ডঃ জিষ্ণু বসু হতে পারেন মূখ্যমন্ত্রী । মোটা সূঁচ আনুন, নেতাদের চামড়া অনেক মোটা হয়! ভ্যাকসিন দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কথা শুনে হেসে ফেললেন নার্স আব্বাস আর বামেদের সহবাসে বিজ্ঞানী না জিহাদি জন্ম নেয়, তসলিমার মন্তব্যে তুলকালাম মূর্খদের পিছনে সময় নষ্ট করা আহাম্মকী ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রার্থী তালিকা প্রকাশে দেরী কেন !! ভাইজানের ব্রিগেড !! বরিশালের বিখ্যাত সুগন্ধা নাসিকা-শক্তিপীঠ (তাঁরাবাড়ি) পরিদর্শনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে – ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার মুশতাকের মৃত্যু: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র

পূণ্যভূমি মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ মহাষ্টমী স্নান সম্পর্কে জ্ঞাতব্যঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, মার্চ ২৪, ২০১৮,
  • 226 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

 

৯ই চৈত্র ১৪২৪ বাংলা (২৪শে মার্চ ২০১৮ ইং) শনিবার ঘঃ ১০/১৪/১০ গতে ১০ই চৈত্র ১৪২৪ বাংলা (২৫শে মার্চ ২০১৮ ইং) রবিবার সকাল ঘঃ ৭/৫২/৫২ পর্যন্ত পূণ্যভূমি লাঙ্গলবন্দ মহাষ্টমী স্নান।

ইহার মধ্যে ১০ই চৈত্র (২৫শে মার্চ) রবিবার সকাল ঘঃ ৬/১০/১১ গতে ঘঃ ৭/৫২/৫০ এর মধ্যে মহাষ্টমী তিথিতে ব্রক্ষ্মপুত্র নদে স্নানে বিশেষ ফল পাওয়া যাবে।

‘হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ কর’ এ মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে জগতের যাবতীয় সংকীর্নতা ও পঙ্কিলতার আবরণে ঘেরা জীবন থেকে পাপমুক্তির বাসনায় হিন্দু পুন্যার্থীরা ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমী স্নান শুরু করবে।

পাপ মোচনের আশায় নারায়ণগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে প্রতিবছর চৈত্রের মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে স্নান করতে আসেন দেশ বিদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের লাখ লাখ পুন্যার্থী। পুণ্যার্থীদের বিশ্বাস তিথির নির্দিষ্ট সময়ে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্য স্নান করলে সব পাপ মোচন হয়ে যায়।

লাঙ্গলবন্দ স্নান এবং নদের উৎপত্তি সর্ম্পকে হিন্দু পুরান মতে, ত্রেতাযুগের সূচনাকালে মগধ রাজ্যে ভাগীরথীর উপনদী কৌশিকীর তীর ঘেঁষে এক সমৃদ্ধ নগরী ছিল, যার নাম ভোজকোট। এ নগরীতে ঋষি জমদগ্নির পাঁচ পুত্র সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তানের নাম রুষন্নন্ত, দ্বিতীয় পুত্রের নাম সুষেণ, তৃতীয় পুত্রের নাম বসু, চতুর্থ পুত্রের নাম বিশ্বাসুর, পরশুরাম ছিলেন সবার ছোট। পরশুরামের জন্মকালে বিশ্বজুড়ে চলছিল মহাসঙ্কট। একদিন পরশুরামের মা রেণুকা দেবী জল আনতে গঙ্গার তীরে যান। সেখানে পদ্মমালী (মতান্তরে চিত্ররথ) নামক গন্ধবরাজ স্ত্রীসহ জলবিহার করছিলেন (মতান্তরে অপ্সরী গণসহ)। পদ্মমালীর রূপ এবং তাদের সমবেত জলবিহারের দৃশ্য রেণুকা দেবীকে এমনভাবে মোহিত করে যে, তিনি তন্ময় হয়ে সেদিকে তাকিয়ে থাকেন। অন্যদিকে ঋষি জমদগ্নির হোমবেলা পেরিয়ে যাচ্ছে, সেদিকে তার মোটেও খেয়াল নেই। সম্বিত ফিরে পেয়ে রেণুকা দেবী কলস ভরে ঋষি জমদগ্নির সামনে হাত জোড় করে দাঁড়ান। তপোবলে ঋষি জমদগ্নি সবকিছু জানতে পেরে রেগে গিয়ে ছেলেদের মাকে হত্যার আদেশ দেন। প্রথম চার ছেলে মাকে হত্যা করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু পরশুরাম পিতার আদেশে মা এবং আদেশ পালন না করা ভাইদের কুঠার দিয়ে হত্যা করেন। পরবর্তীকালে পিতা খুশি হয়ে বর দিতে চাইলে তিনি মা এবং ভাইদের প্রাণ ফিরে চান। তাতেই রাজি হন ঋষি জমদগ্নি। কিন্তু মাতৃহত্যার পাপে পরশুরামের হাতে কুঠার লেগেই থাকে। অনেক চেষ্টা করেও সে কুঠার খসাতে পারেন না তিনি। এক পর্যায়ে পিতার কথামত পরশুরাম তীর্থে তীর্থে ঘুরতে লাগলেন। শেষে ভারতবর্ষের সব তীর্থ ঘুরে ব্রহ্মপুত্র পুণ্যজলে স্নান করে তার হাতের কুঠার খসে যায়। পরশুরাম মনে মনে ভাবেন, এই পুণ্য বারিধারা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে মানুষ খুব উপকৃত হবে। তাই তিনি হাতের খসে যাওয়া কুঠারকে লাঙ্গলে রূপান্তর করে পাথর কেটে হিমালয়ের পাদদেশ থেকে মর্ত্যলোকের সমভূমিতে সেই জলধারা নিয়ে আসেন। লাঙ্গল দিয়ে সমভূমির বুক চিরে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হন তিনি। ক্রমাগত ভূমি কর্ষণজনিত শ্রমে পরশুরাম ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় এসে তিনি লাঙ্গল চালানো বন্ধ করেন। এই জন্য এই স্থানের নাম হয় লাঙ্গলবন্দ। এরপর এই জলধারা কোমল মাটির বুক চিরে ধলেশ্বরী নদীর সঙ্গে মিশেছে। পরবর্তীকালে এই মিলিত ধারা বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। গৌতম হালদার

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »