২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৪:০৬

গাইবান্ধায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীসহ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, মার্চ ৩০, ২০১৮,
  • 88 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

গাইবান্ধার তুলসীঘাট শামছুল হক ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের
বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীসহ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ
গাইবান্ধাপ্রতিনিধি বিপ্লবঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলাধীন তুলসীঘাট শামছুল হক ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ একরামুল হক খানের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীসহ কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ একরামুল হক খান নিজের অপকর্ম ধামাচাপা দেয়ার উদ্দেশ্যে স্বীয় দোষ কলেজের কর্মচারীদের উপর চাপানোর পায়তারা করছে।
অভিযোগে জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধান মালা, ২০০৯ এর ৪৫ নং ধারা মতে গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে হিসাব পরিচালিত হবে। তহবিলের সকল আয় ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে এবং উপ প্রবিধান (৫) এর বিধানমতে সকল দায় ক্রসড চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অধ্যক্ষ একরামুল হক খান জনতা ব্যাংক তুলসীঘাট শাখায় সভাপতি ও অধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত ২১৮ নং হিসাব থাকা স্বত্ত্বেও এই যৌথ ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা না রেখে একই শাখায় নিজ নামীয় ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বর ০৪০৩-০২১০০০০৬৬৬৪ ও রাকাব, তুলসীঘাট শাখায হিসাব নম্বর-১০০০৩৩৫৪৯ টাকা জমা রেখে নিজের ইচ্ছামত ও নিজের খেয়াল খুশিমত টাকা উত্তোলন করে খরচ করে থাকেন। এ ছাড়াও নির্ভরশীল সূত্র জানায় অগ্রণী ব্যাংক, গাইবান্ধা শাখায় তার ব্যক্তিগত হিসাবেও কলেজের লেনদেন করে থাকেন। এভাবেই ২০১১ সাল থেকে দীর্ঘ ৮ বছরে কলেজের টাকা নিজ নামীয় হিসাবে রেখে ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে খরচ দেখিয়ে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি রহস্যজনক কারনে কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যগণ দীর্ঘদিনেও আমলে না নেয়ায় তাদের ভূমিকা নিয়েও সচেতন জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ দিকে উক্ত অধ্যক্ষ কর্তৃক ২০১৪ সালে তার নিজস্ব বাসায় কাজের মেয়ের সাথে যৌন কেলেংকারীর ঘটনায় শেফালী নামের এক মহিলা গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং-৩৫৯/১৪, সুত্র জানায় উল্লেখিত দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হলে অধ্যক্ষ একরামুল নিজের দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে কলেজের কয়েকজন নিরীহ কর্মচারীর উপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ানোর পায়তারা করছেন। এ ব্যাপারে অধ্যক্ষের মতামতের জন্য মোবাইলে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

 

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »