১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১:৩৫
ব্রেকিং নিউজঃ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সর্বদলীয় বৈঠকে ধাপে ধাপে ভোটের পক্ষেই মত ভাড়া না দেওয়ায় বের করে দিলেন বাড়িওয়ালা, ঘরে তুলে দিল পুলিশ এত ঘন ঘন অডিও টেপ ফাঁস হচ্ছে, না ইচ্ছে করে করা হচ্ছে !! শিবালয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের তাণ্ডব ইসলাম ধর্ম কবুল না করলে দেশ ছাড়ার হুমকি সিটি স্ক্যান করাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারত সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত এক বর্ণ বিদ্ধেষীর লেখার প্রতিবাদ! পহেলা বৈশাখেও ফের সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বহিরাগত তত্ত্ব’ ভিত্তিক বিজেপি বিরোধিতা ব্যুমেরাং হতে চলেছে !!

খালেদা জিয়ার কিছু হলে তার দায় সরকারকে নিতে হবেঃবরিশালে বিএনপি মহাসচিব

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, এপ্রিল ৭, ২০১৮,
  • 119 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কোনো অবনতি হলে এই সরকারকে তার দায়িত্ব নিতে হবে। তাকে যারা এতদিন ধরে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন কারা কোড অনুযায়ী, তারা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করতে পারবেন। তবে ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন।বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশ এখন আর আইনের শাসনে চলে না।। দেশে কোন ন্যায় বিচার নেই। ২০১৪ সালের নির্বাচনে এই সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ আসনে তাদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। দেশের জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। বর্তমান অবৈধ সরকার গায়ের জোরে, বন্দুকের জোরে ক্ষমতায় বসে আছে। এ দেশে শুধু একটাই শাসন চলছে, সেটা আওয়ামী লীগের বুলেট আর অস্ত্রের শাসন।বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে এ দায় সরকারকেই নিতে হবে তার সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না
গতকাল শনিবার বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে অনুষ্ঠিত বিএনপি’র বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেছেন।
এর আগে দুপুর ২টায় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব, মহানগর কমিটির সভাপতি ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়। তবে সমাবেশ শুরুর পূর্বে বেলা ১২টার পর পরই সমাবেশস্থলে জন¯্রােত নেমে আসে। তাই সমাবেশ শুরুর আগেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ঈদগাহ ময়দানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার জন্য হাজার হাজার নেতা-কর্মী কীর্তনখোলা নদীর তীরে মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, বান্দ রোড, ক্লাব রোড, জর্ডন রোড ও লঞ্চ ঘাট এলাকা সহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেয়। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে শ্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা সমাবেশস্থল।
বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সারা জীবন লড়াই করেছেন। এর জন্য তিনি তার স্বামী-সন্তান হারিয়েছেন। বড় ছেলে তারেক রহমান বিদেশে নির্বাসনে রয়েছেন। তার পরেও তিনি গণতন্ত্রের সংগ্রাম-লড়াই চালিয়ে গেছেন। এজন্যই আজ গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রীকে কারান্তরীন করা হয়েছে। কিন্তু দেশ নেত্রী নয়, বরং গণতন্ত্রকে আটকে রাখা হয়েছে।
বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, এখন আলোচনার বিষয় শুধু একটাই। তা হলো দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি। তার মুক্তির দাবির কাছে কোন আপস নয়। আমরাও নির্বাচন চাই। তবে তার আগে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিতে হবে, তারপর অন্য আলোচনা।
মির্জা ফখরুল বরিশালবাসিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য যিনি আজীবন লড়াই করেছেন সেই নেত্রীর মুক্তির জন্য আপনারা আজ এখানে এসেছেন। শুক্রবার দেশনেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম, তাকে যখন বললাম-কালকে বরিশালে জনসভা করতে যাচ্ছি। তখন তিনি বললেন, বরিশালের জনগণকে আমার সালাম জানাবেন। বরিশালের মানুষ সংগ্রামী লড়াকু। তারা গণতন্ত্রের লড়াইয়ে আছে। তিনি বরিশালের মানুষের উপর ভরসা করেন এবং এই লড়াইয়ে তার পাশে চান। আজকে আপনাদের পরীক্ষা দেওয়ার সময় এসেছে। পরীক্ষায় আপনাদের জয়ী হতে হবে। অন্যথায় চির জীবনের মতো আবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে।
নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দয়া করে ধৈর্য ধরুন, শান্তি-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকেন। নেত্রী যে নির্দেশ দেবেন তা পালন করতে হবে। তবে এর আগে তাকে জেল থেকে বের করে আনতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে। এজন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে বুকের ওপর চেপে বসা স্বৈরাচার সরকারকে পরাজিত করে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বরিশাল থেকেই এই যাত্রা শুরু। এজন্য আমাদের অনেক কিছু ত্যাগ করতে হবে। এই যাত্রা গণতন্ত্রের যাত্রা, এই যাত্রা দেশ নেত্রীর মুক্তির যাত্রা ও নির্বাচনের যাত্রা।
সমাবেশে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারেফ হোসেন বলেন, মিথ্যা মামলায় দেশ নেত্রী, গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়াকে কারান্তরীন করা হয়েছে। যেই অর্ফানেজ ট্রাস্টের মামলায় দুই কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে তাকে দন্ডিত করা হয়েছে সেই টাকা বেড়ে ৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। তাহলে কিভাবে ওই ট্রাস্টের টাকা আত্মসাত হলো এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে জনগনকে প্রতারিত করা হয়েছে। শেখ হাসিনা নির্বাচনকে ভয় পায়, দেশের জনগনকেও ভয় পায়। তাই নির্বাচন দিতেও ভয় পাচ্ছে। এজন্যই খালেদা জিয়াকে জেলে দেয়া হয়েছে, যাতে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে না পারে। কিন্তু তিনি ভুলে গেছেন ১৯৬৮ সালে আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবুর রহমানকেও কারাবরণ করতে হয়েছিলো। তার পরেও তিনি প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। তেমনি মিথ্যা মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা যাবে না। তিনিও নির্বাচন করবেন এবং জয়ী হবেন।
বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর্জা আব্বাস বলেন, এই সংগ্রাম খালেদা জিয়ার মুক্তির সংগ্রাম, এই সংগ্রাম গণতন্ত্রের মুক্তির সংগ্রাম, এবং স্বৈরাচারী সরকারের বিদায়ের সংগ্রাম। এই সরকার জোর করে বেশিদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। দিন যাবে, মানুষের ক্ষোভ ফুসে উঠবে। জেলের তালা ভেঙ্গে দেশনেত্রীকে ছাড়িয়ে আনবে দেশের জনগন। আমরা এই দেশে রোহিঙ্গা স্ট্যাটাস নিয়ে থাকতে চাই না। আমরা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়েছি। রক্ত পথ বেয়েই দেশনেত্রীকে মুক্ত করে আনবো। দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন বলেই আ’লীগ আজও টিকে আছে। না হলে অনেক আগেই বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে সেই আওয়ামী লীগই অবৈধ সরকার গঠন করে বিগত ৯ বছর ধরে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। সেই ষড়যন্ত্র সফল করতেই বিএনপি’র ১৮ লাখ নেতা-কর্মীকে আসামী করে ৭৫ হাজারেরও বেশি মামলা দেয়া হয়েছে। ১৩ হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করা সহ ৩ শ’র বেশি নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। যারা এখনো ফিরে আসেনি।
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ায় বিএনপি’র জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সাজার কারনে দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়া মাদার অব ডেমোক্রেসি হয়েছেন। তিনি আজ বিশ্ব নেতা উপাধী পেয়েছেন।
তিনি বলেন, আজ দুর্নীতি করছে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ। অন্য কারোর দুর্নীতি করার সুযোগ নেই। দুর্নীতি করতে হলে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে হবে। যেখানে খালেদা জিয়া “জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্টে” কোন দুর্নীতি হয়নি, তারপরেও মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার শেয়ার বাজার, ব্যাংক লুট, পদ্মা সেতু ও হলমার্কের মতো বড় বড় দুর্নীতি করলেও তাদের বিচার হয় না।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, বিএনপির জয় সুনিশ্চিত। যার ধারাবাহিকতা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দেখা গেছে। আমাদের জয় হবেই। আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনবো। এসময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকারকে স্বৈরাচারি সরকার আখ্যায়িত করে এই সরকারের হাত থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করেন।
বিভাগীয় সমাবেশের সভাপতি ও বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, এই জনসভা বরিশালবাসীর জয়ের জনসভা। সরকার সু-কৌশলে এই জনসভা পন্ড করতে চেয়েছিলো। আর তাই মাত্র ১২ ঘন্টা আগে জনসভার অনুমতি দেয়া হয়েছে যাতে আমরা এই জনসভা করতে না পারি। যাতে সমাবেশ সফল না হয় সে জন্য নেতা-কর্মীদের পথে পথে বাঁধা সৃষ্টি করা হয়েছে। রাস্তার গুরুত্বপূর্ন সংযোগস্থলে রাখা হয়েছে পুলিশ প্রহরা। আমাদের জনসভার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়েও পাইনি বাস ও লঞ্চ সহ কোন যানবাহন। কিন্তু তার পরেও জনগনকে আটকে রাখতে পারেনি সরকার। সমুদ্রের ঢেউ এর মতো জনগন সমাবেশে উপস্থিত হয়েছে।
তিনি বলেন, বরিশালে ইতিপূর্বে দপদপিয়া সেতু, বিশ্ববিদ্যালয় সহ যেসকল উন্নয়ন হয়েছে তা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াই করেছেন। তিনি দেশ, জনগন ও গণতন্ত্রের কথা বলেন। আর তাই তিনি যাতে জেল থেকে বের না হতে পারে সে জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু সরকারের সেই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করে দেশনেত্রীকে জেল থেকে বের করে নিয়ে আসা হবে। আজকের আন্দোলন গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন, খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন।
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিলো আওয়ামী লীগের দাবী। সেই দাবী মেনেই আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন চাচ্ছি। সেনা বাহিনীর অধিনে নির্বাচন চাচ্ছি। নির্বাচন কোন সাংবিধানিক সমস্যা নয়। এটা রাজনৈতিক সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে দলের সাথে আলোচনা করে নির্দলিয় সহায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবী জানান তিনি।
বিএনপি’র বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. বিলকিছ আক্তার জাহান শিরিন বলেন, এই সরকার মানুষের সাথে প্রতারনা করছে। তারা দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ ও উন্নত দেশ হিসেবে দাবী করছে। কিন্তু এই উন্নয়ন কার হয়েছে? উন্নয়ন হয়েছে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের। দেশের জনগনের উন্নয়ন হয়নি। দেশের মানুষকে ১০ টাকা মূল্যের চালের স্বপ্ন দেখিয়েছে। কিন্তু এখন ৭০ টাকা মূল্যে চাল কিনতে হচ্ছে। প্রত্যেকটি দ্রব্যের মূল্য ১০ থেকে ১৫ গুন বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিএনপি’র সময়ে বিদ্যুৎ এর মূল্য প্রতি ইউনিট ২ টাকা থাকলেও এখন তা ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। দেশের কোন উন্নয়ন হয়নি। হয়েছে শুধু লুটপাট। আওয়ামী লীগের সেইসব দুর্নীতির বিচার হয় না। কিন্তু মিথ্যা দুর্নীতির মামলায় দেশ নেত্রীকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। গণতন্ত্রের স্বার্থে অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী জানান তিনি।
বরিশাল বিভাগীয় বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার, দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, বিএনপি নেতা আক্তার হোসেন মেবুল এর সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর-বীর উত্তম, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, মেজর হাফিজ ইব্রাহিম, বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) এর সভাপতি এবায়েদুল হক চান, উত্তরের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন খান, সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, নাজিম উদ্দিন আলম, মতিউর রহমান তালুকদার, ভোলা জেলা বিএনপি’র সভাপতি আলমগীর হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন।
এছাড়াও , তাঁতীদল সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বাবুল হোসেন, মামুন হাসান, কামরুল ইসলাম সুজন, গোলাম মাওলা শাহীন, আবুল হাসান, সুমন দেওয়ান সহ বিএনপি’র বরিশাল, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সম্পাদক স্নেহংশু সরকার কুট্টি বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর জেলা বিএনপি এবং কেন্দ্রীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »