১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৬:৪৫
ব্রেকিং নিউজঃ
ভাইজানের ব্রিগেড !! বরিশালের বিখ্যাত সুগন্ধা নাসিকা-শক্তিপীঠ (তাঁরাবাড়ি) পরিদর্শনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে – ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার মুশতাকের মৃত্যু: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপি’র পর সিপিএম প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে !! আট দফায় বেনজির ভোট পশ্চিম বাংলায়! অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করছেন শেখ হাসিনা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন কি ‘স্বাভাবিক’ হয়ে উঠল চট্রগ্রামের পটিয়া উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারকে ভিটে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে নতুন বাইপাস সড়ক করার অপচেষ্টা চলছে। মিনি পাকিস্তানের প্রবক্তা ফিরহাদ হাকিমের বাইকের পিছনে সওয়ার কেন মমতা ব্যানার্জী ?

জাতির বিকাশের জন্য চাই সাংস্কৃতিক চর্চা: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১২, ২০১৮,
  • 74 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যাপক সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে একটি জাতির প্রকৃত বিকাশ সম্ভব এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ গণতান্ত্রিক আন্দোলনই এর সত্যতা জোরালোভাবে প্রমাণ করে। সাংস্কৃতিক চর্চা জাতিকে এগিয়ে নেয়।

বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সুরের ধারা’র রজতজয়ন্তী পালন উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণভাবে যদি উন্নত করতে হয় তা হলে শুধু অর্থনৈতিক মুক্তি নয়, যেটা জাতির পিতা বলে গেছেন— সাংস্কৃতিক মুক্তিটাও একান্তভাবে প্রয়োজন এবং সাংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রটাও প্রসারিত করাও একান্তভাবে প্রয়োজন। এ জন্য যা যা করণীয় যখন থেকে আমি সরকার গঠন করেছি আমরা করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির এবং প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী এবং সুরের ধারা’র কর্ণধার রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা স্বাগত বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘শ্রুতি গীতবিতানের দ্বিতীয় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা সব সময় বলতেন স্বাধীনতা মানে শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়। স্বাধীনতার অর্থ হলো রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা। তিনি বলেন, মাঝে মাঝে কালো মেঘ ছেয়ে যায়। কিন্তু তার পাশে আবার সূর্য হাসে এবং আমাদের জীবনেও সেই ঘটনা ঘটেছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে ’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় স্মরণ করে বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পরে এ দেশে স্বাধীনতা বিরোধেীরাই ক্ষমতায় এসেছিল। যার ফলে আমাদের সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছিল। এটা বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়।

তিনি সুরের ধারা প্রসঙ্গে বলেন, সুরের ধারার সব থেকে বড় যে কাজটি আমি দেখেছি সেটি হচ্ছে— সুবিধাবঞ্চিত অবহেলিত সাধারণ শিশুদের সংস্কৃতি শেখানো, গান শেখানো, তাদের মূল ধারায় নিয়ে আসার এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের যে প্রচেষ্টা তারা চালিয়েছে এ জন্য তিনি সুরের ধারা কর্ণধার রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা বা সহযোগিতা ছাড়া কখনও সংস্কৃতির পূর্ণ বিকাশ হতে পারে না। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করছে তার সরকার।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »