১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১২:২১
ব্রেকিং নিউজঃ
ভাইজানের ব্রিগেড !! বরিশালের বিখ্যাত সুগন্ধা নাসিকা-শক্তিপীঠ (তাঁরাবাড়ি) পরিদর্শনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে – ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার মুশতাকের মৃত্যু: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপি’র পর সিপিএম প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে !! আট দফায় বেনজির ভোট পশ্চিম বাংলায়! অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করছেন শেখ হাসিনা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন কি ‘স্বাভাবিক’ হয়ে উঠল চট্রগ্রামের পটিয়া উপজেলায় প্রায় দেড় শতাধিক সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারকে ভিটে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে নতুন বাইপাস সড়ক করার অপচেষ্টা চলছে। মিনি পাকিস্তানের প্রবক্তা ফিরহাদ হাকিমের বাইকের পিছনে সওয়ার কেন মমতা ব্যানার্জী ?

আজ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের জন্মদিন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, মে ৩, ২০১৮,
  • 87 সংবাদটি পঠিক হয়েছে
 

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সন্তান হারানোর শোক কিংবা মরণব্যাধি ক্যানসার সব কিছুই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের দেশ প্রেমের কাছে হার মেনেছে। নিজের মেধাবী ছেলে শহীদ রুমিকে যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। নিজে কলম হাতে করেছেন যুদ্ধ। লিখেছেন একাত্তরের স্মৃতি-বিস্মৃতি বিজড়িত গ্রন্থ ‘একাত্তরের দিনগুলি’। একাত্তরের মিরজাফরদের চিহ্নিত করতে গঠন করেছেন ঘাতক দালাল ‘নির্মূল কমিটি’। আজ সেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামের জন্মদিন।

১৯২৯ সালের ৩ মে জননী পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় জন্ম নেন। ৪২ সালে এসএসসি, ৪৪ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে আইএ পাশ করেন। ভর্তি হন কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে। সেটা ১৯৪৫ সাল।এরপর ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড শেষ করেন। ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন।

তাঁর কর্মজীবন কেটেছে ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী বালিকা বিদ্যালয়, ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে শিক্ষকতা করে । ১৯৯১ সালে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান। এছাড়াও তিনি পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার।

১৯৯১ সালে ‘জামায়াতে ইসলাম’ যখন তাদের দলের আমীর হিসেবে গোলাম আজমের নাম ঘোষণা করেন। গোটা বাংলার মানুষ তখন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সারা বাংলাদেশে শুরু হলো জনবিক্ষোভ। জনবিক্ষোভের অংশ হিসেবেই ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়। যার নাম ‘ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’। আর এই কমিটি গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।

এরপর এই কমিটিই ১৯৯২ সালের ২৬শে মার্চ ‘গণআদালতে’র মাধ্যমে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাত্তরের নরঘাতক গোলাম আযমের অনানুষ্ঠানিক বিচার করে। ১২ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত গণআদালতের চেয়ারম্যান বিচারের মাধ্যমে গোলাম আযমের ১০টি অপরাধকে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করেন।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জাহানারা ইমাম তাঁর ছেলে শফি ইমাম রুমীকে হারান। শুধু ছেলেকেই নয় একাত্তরে স্বামী শরীফ ইমামকেও হারান তিনি। রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি কলম হাতে যুদ্ধ করেছেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘একাত্তরের দিনগুলি’। এছাড়া ‘অন্য জীবন’, ‘জীবন মৃত্যু’, ‘ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস’, ‘সাতটি তারার ঝিকিমিকি’ তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

অবশেষে, রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা মাথায় নিয়ে ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েট হাসপাতালে মুখগহ্বরের ক্যানসারে মৃত্যুবরণ করেন মহীয়সী নারী জাহানারা ইমাম। তিনি বেঁচে না থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনার বীজ তিনি মানুষের মধ্যে বপন করে গেছেন তা আজও অমলিন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »