৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৯:৩৬
ব্রেকিং নিউজঃ
খায়রুল বাশার লিটনকে সাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী একুশে বিজেপির প্রার্থী বাছাইয়ে সঙ্ঘের ছোঁয়া,ডঃ জিষ্ণু বসু হতে পারেন মূখ্যমন্ত্রী । মোটা সূঁচ আনুন, নেতাদের চামড়া অনেক মোটা হয়! ভ্যাকসিন দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কথা শুনে হেসে ফেললেন নার্স আব্বাস আর বামেদের সহবাসে বিজ্ঞানী না জিহাদি জন্ম নেয়, তসলিমার মন্তব্যে তুলকালাম মূর্খদের পিছনে সময় নষ্ট করা আহাম্মকী ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রার্থী তালিকা প্রকাশে দেরী কেন !! ভাইজানের ব্রিগেড !! বরিশালের বিখ্যাত সুগন্ধা নাসিকা-শক্তিপীঠ (তাঁরাবাড়ি) পরিদর্শনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে – ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার মুশতাকের মৃত্যু: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র

সরকারের হস্তক্ষেপে দখল মুক্ত ঐতিহ্যবাহী স্বরূপকাঠ কাঠব্যবসায়ি চড় বছরে আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের সম্ভবনা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, মে ১৯, ২০১৮,
  • 58 সংবাদটি পঠিক হয়েছে


স্বরূপকাঠির ঐতিহ্যবাহী কাঠের চরটি দখলদার ও চাঁদাবাজ মুক্ত করে উপজেলা ভূমি প্রশাসন দখলে নিয়েছে। স্বরূপকাঠির সন্ধ্যা নদী ও শীতলা খালে জেগে ওঠা ডুবচরে গড়ে ওঠা কাঠ ব্যবসা কেন্দ্রটির রাজস্ব আদায়ের জন্য স্থাণীয় প্রশাসন বাংলা ১৪১৪ সালে এ সম্পত্তি থেকে ০.৭০একর সম্পত্তি প্রধান শিক্ষক, পাইলট মাঃ বিদ্যালয় এবং ৩.৮০ একর সম্পত্তি কমান্ডার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের অনুকুলে একসনা বন্দোবস্ত দেয়। একপর্যায় স্বরূপকাঠি পৌরসভা হলে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা অফিসের নামে অত্র চরে ভাগ বসায় পৌরসভা। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪১৬ বঙ্গাব্দে খাস আদায়ের উদ্যোগ গ্রহন করে উপজেলা ভূমি প্রশাসন কিন্তু স্বার্থন্বেষী মহলের অবৈধ হস্তক্ষেপে সে চেষ্টা ব্যার্থ হয়। অতঃপর ১লা বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রশাসন স্বরূপকাঠি মৌজার ১ খতিয়ানের ৩৩.০৯ একরের সম্পত্তিকে(কাঠের চর) অবৈধ দখল মুক্ত করে সরকারি খাস আদায় শুরু করে এবং নৌ-শ্রমীকের নামে ট্রলার প্রতি পাঁচশত ও পৌরসভার ভার্জিন ট্যাক্স নামে ট্রলার প্রতি তিনশত পঞ্চাশ টাকা চাঁদাবাজী বন্ধ করে দেয়। এঘটনায় ১লা বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল ২০১৮ইং থেকে ৭ই মে ২০১৮ইং তারিখ পর্যন্ত উপজেলা ভূমি প্রশাসন বনাম পৌরসভা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এক পর্যায় উপজেলা ভূমি প্রশাসন থানা প্রশাসনের সহায়তায় তাদের দখল বহাল রাখে এবং বাধ্য হয়ে অবৈধ দখল ছেড়ে দিতে হয় পৌরসভাকে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, স্বরূপকাঠি কাঠের চর দীর্ঘ দিনের অবৈধ দখলদারদের দখলে ছিল। গত ১৪ এপ্রিল ২০১৮ইং তারিখ আমরা অবৈধ দখল মুক্ত করে সরকারের দখল প্রতিষ্ঠিত করেছি। এই কাঠের চরে প্রতি সি.এফ.টি কাঠের খাজনা মাত্র চার টাকা হলেও যে পরিমান কাঠ কেনা-বেচা হয় তাতে বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব আসবে। আমরা উপজেলা ভূমি প্রশাসনের পাঁচ সদস্যের কমিটির মাধ্যমে চর থেকে খাজনা আদায় করছি এবং পুরোনো নিয়মেই সি.এফ.টি প্রতি চার টাকা খাজনা তোলা হচ্ছে। নৌ-শ্রমীক চাঁদার নামে ট্রলার প্রতি পাঁচশত টাকা, বাথিং চার্য বাবদ পাঁচমত টাকা ও বন বিভাগের নামে পাঁচশত টাকা চাঁদাবাজী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়িদের স্বাচ্ছন্দে ব্যবসার পরিবেশ সৃস্টির জন্য উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান অনেকেই বলে পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন মুখোমুখি কিন্তু সেটা নয় প্রশাসনের সাথে কারো শত্রুতা নাই, আমরা সরকারের নির্দেশ পালন করছি। বিগত নয় বছরে প্রাপ্য ৭-ভূমি রাজস্ব খাতে ৬,১৩,৫০০টাকা জমা দেয়া হয় নাই এবং পৌরসভা থেকে এ চরটি ইজারা দেয়া হলেও প্রকৃত পক্ষে এখান থেকে খজনা বাবদ প্রায় ২. কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশ পেলে লুটপাটের সে অর্থ আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ কাউসার হোসেন বলেন, কাঠের চরের ব্যবসায়িরা আমার অফিসে এসেছিলেন তাদের সাথে আলাপ হয়েছে। পূর্বের নিয়মানুযায়ী সি.এফ.টি প্রতি চার টাকা খাস আদায় করা হবে এবং প্রত্যেক ব্যবসায়িকে তাদের প্রদেয় টাকার রশিদ প্রদান করা হচ্ছে। আমরা শান্তি পূর্ণ ভাবে নিজ দখল বজায় রেখে খাস আদায় করছি, ব্যবসায়িরাও স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা করছে। এ ব্যাপারে স্বরূপকাঠি কাঠের চরের ব্যবসায়ি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউল হক বলেন, বর্তমান বছরে সে ডাক নেয়ার পরে প্রশাসন চর দখলে নেয়ায় তারা বিক্ষোভ করেছেন কিন্তু অনেকেই বলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ যা ভূল। সরেজমিনে গত ১৩ মে কাঠের চরে গেলে ট্রলার চালক কালাম জানায়, আগে নৌ-শ্রমীকের নামে ট্রলার প্রতি পাঁচশত টাকা চাঁদা দিতে হত কিন্তু বর্তমানে গন্ডোগোলের পর থেকে দেয়া লাগেনা। এ চরে ট্রলার ভিড়লেই ভার্জিন ট্যাক্স দিতে হয় তাতে এক হাজার সি.এফ.টি কাঠ লোড করলেও পাঁচশত টাকা আর দুইশত সি.এফ.টি কাঠ লোড করলেও পাঁচশত টাকা দিতে হয় যা ব্যাবিচার বৈ কিছুই না। এব্যাপারে চরের একাধীক ব্যবসায়ি বলেন, প্রশাসন ও পৌরসভার গন্ডোগোলের কারণে দক্ষিণের ব্যবসায়িরা বরা নিয়ে ইন্দেরহাট চরে চলে গেছে এখানে আসে না। আশাকরি পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় আবার তারা ফিরে আসবে এই কাঠের চরে। এবিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌর মেয়র গোলাম কবিরের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পৌরসভা কোন আন্দোলন করেনি বরং কাঠ মহলের ব্যবসায়িরা আন্দোলন করেছে। তারা দীর্ঘ দিন ধরে এ স্থানটি নিয়ন্ত্রন করে আসছিল হঠাৎ তা সরকার নিয়ন্ত্রনে নেয়ায় এ আন্দোলন। বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা কর আদায়ের চর পৌরসভা গত বছর মাত্র ষোল লক্ষ টাকায় ইজারা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি স্বাক্ষাতে কথা বলার জন্য বলেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »