৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৩:৩১
ব্রেকিং নিউজঃ
‘অনুপ ভট্টাচার্যের অবদান মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে’ বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর পক্ষ থেকে ঢাকায় মানববন্ধও ও বিক্ষোভ সমাবেশ। বনগাঁ দক্ষিনের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের করা হুশিয়ারি.. বিজেপির ঘরের শত্রু মীরজাফর কে ? শেখ হাসিনা মানবতার মা এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিংসা বন্ধ না হলে আমাদের কর্মীরা চুড়ি পরে বসে থাকবে না, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি শান্তনু ঠাকুরের পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকে চলছে তৃনমূলের হামলা লুট আগুন ধর্ষন হত্যা । পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃনমূল কি ম্যজিকে জিতলো !! বিজেপির হারের ৫ কারণ নির্বাচনে জিতলেন স্বপন মজুমদার অভিনন্দন বাংলাদেশ আইবিএফের।

সন্ত্রাসে সংশ্লিষ্টতা : ইন্দোনেশিয়ায় ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, জুন ২২, ২০১৮,
  • 118 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

সন্ত্রাসী এক হামলায় জড়িত থাকার দায়ে ইন্দোনেশিয়ার এক ধর্মীয় নেতাকে শুক্রবার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে জাকার্তা স্টারবাক ক্যাফেতে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় চার ব্যক্তির মৃত্যু হয়। খবর এএফপি’র।

জাকার্তা আদালতে সশস্ত্র পুলিশের কড়া প্রহরার মধ্য দিয়ে মামলার শুনানি হয়। এতে আব্দুর রহমান (৪৬) ওই সন্ত্রাসী হামলার মূলহোতা বলে প্রমাণিত হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুর রহমানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের যোগাযোগ ছিল; জেলে থাকা অবস্থাতেই তিনি ২০১৬ সালের ওই সন্ত্রাসী হামলার ছক কেটেছিলেন।

২০১৬ সালের ওই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডই ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামিক স্টেটের যোগসাজশে হওয়া প্রথম কোনো হামলা বলে দাবি দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। হামলার ছয় বছর আগে থেকেই জেলে অবস্থান করছিলেন আব্দুর রহমান। কারাপ্রকোষ্ঠে বসে তার করা পরিকল্পনাতেই দু্ই বছর আগের ওই হামলা হয় বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তারা।

ইন্দোনেশিয়াভিত্তিক জেমা আনসারুত দৌলাহর (জেএডি) আধ্যাত্মিক নেতা তার বিরুদ্ধে আনা এ অভিযোগ আগেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। সমর্থকদের সিরিয়ায় গিয়ে আইএসের হয়ে যুদ্ধ করতে বললেও কখনোই ইন্দোনেশিয়ায় হামলার আদেশ দেননি বলেও দাবি এ ধর্মীয় নেতার।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসেও দেশটির সুরাবায়া এলাকার তিনটি চার্চ ও পুলিশ সদরদপ্তরে কয়েক দফা আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৯ ও ১২ বছর বয়সী দুটি মেয়েসহ ছয় সদস্যের একটি পরিবার চার্চগুলোতে হামলা চালিয়েছিল বলে পরে জানায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

হামলায় ১১ জন নিহতের পর একে ২০০৫ সালের পর ইন্দোনেশিয়ায় সংঘটিত সবচেয়ে প্রাণঘাতি জঙ্গি আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৩ বছর আগে বালিতে হওয়া ওই সন্ত্রাসী হামলায় ২০ জন নিহত হন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »