১৬ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৭:৫২
ব্রেকিং নিউজঃ
শিবালয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের তাণ্ডব ইসলাম ধর্ম কবুল না করলে দেশ ছাড়ার হুমকি সিটি স্ক্যান করাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারত সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত এক বর্ণ বিদ্ধেষীর লেখার প্রতিবাদ! পহেলা বৈশাখেও ফের সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বহিরাগত তত্ত্ব’ ভিত্তিক বিজেপি বিরোধিতা ব্যুমেরাং হতে চলেছে !! শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করতে যা খাবেন লকডাউন বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে: আইজিপি করোনায় ব্যতিক্রমধর্মী পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছি আমরা: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার

বাংলাদেশি নারী বন্দিদের নিয়ে রিম্পেল শর্মার নতুন বই

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৯,
  • 80 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ভারতের কারাগারে বন্দি বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি নারীদের নিয়ে বই লিখলেন দেশটির গবেষক ও লেখক রিম্পেল মেহতা। ‘গতিশীলতা ও কারাগার’ শীর্ষক এই বইটিতে উঠে এসেছে ভারতের বিদেশি আইন-১৯৪৬ এর আওতায় দেশটির বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ভারত-বাংলাদেশ বর্ডার পার করে অনুপ্রবেশ করা অসহায় ও অশিক্ষিত নারীদের কষ্টময় জীবনের গল্প।

ভারতের টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স এর সাবের ছাত্রী ও বর্তমান সহকারী অধ্যক্ষ রিম্পেল মেহতা ২০০৮ সাল থেকে কারাবন্দিদের নিয়ে কাজ করে আসছেন। এ সময় দেশটির কারাগারে বন্দি অসংখ্য নারীর প্রতি তার নজর পড়ে, যারা দীর্ঘদিন থেকেই ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে বন্দি রয়েছেন। এ সময় তিনি লক্ষ্য করেন এই সব বন্দিদের বেশিরভাগের অপরাধের ঘটনাই কিছুটা জটিল। তিনি জানান, ‘সীমান্ত ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব নিয়ে এই নারীর চিন্তা-ভাবনা বেশ আলাদা রকমের’।

কারাগারের বাংলাদেশি নারী বন্দিদের নিয়ে কাজ করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, তাদের বেশিরভাগই আসলে জানতেন না তারা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। তিনি বলেন, ‘এ সব বন্দিদের কেউই ভুল আর অপরাধের মধ্যে পার্থক্য জানেন না’।

দীর্ঘদিন থেকে বন্দি এই নারীরা একরকম রয়ে গেছেন লোকচক্ষুর আড়ালেই। এমনকি তারা নিজেদের পরিবার কিংবা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও কোন সাহায্য পান না। রিম্পেল মেহতা জানান, ‘অনুপ্রবেশকারী নারীদের মুক্তির ক্ষেত্রে এখানে রাজনৈতিক সমস্যা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি সমস্যা রয়েছে। যেমন, তাদের অনেকেই এখানে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তাই তারা নিজেদের সম্মান রক্ষার্থে নিজ দেশে ফিরতে চান না। অনেকেই নিজের পরিবারকে ছেড়ে চলে এসেছেন। তাই এখানে নিজেদের পরিচয় গোপন করে আছেন। তারাও চান না ফিরে যেতে। আবার অনেকেই এখানে ভিন্ন পরিচয়ে এসেছেন। এর ফলে সরকার তাদের ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিলেও তাদের পরিবারকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না’।

রিম্পেল মেহতার এই বইটি পুরোপুরি প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার উপর লেখা হলেও তিনি এই বইয়ের একটি অংশ এ সব নারীদের প্রতি উতসর্গ করেছেন। সেখানে তিনি তুলে ধরেছেন এই নারীদের সম্মান, সমাজ ও পরিধানের কাপড় তথা বোরকা ও হিজাব বিয়ে নানা মতামত। তার মতে, এই নারীরা এখন আর নিজ দেশের মতো আগের ঘরানায় থাকতে চান না। তারা এখন এদেশের বাকি নারীদের মতোই বাঁচতে চান, চান নিজের জীবণকে নতুন করে গড়ে তুলতে।

রিম্পেল মেহতার মতে, ‘তাদের দেশে ফেরার বিষয়ে রাজনৈতিক পদক্ষেপ সম্পর্কে সচেতন থাকা দরকার। তাদের দেশে ফেরারতারা যেন নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা না ঘটে। এখন বাংলাদেশি নারী বন্দিরা নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কারাভোগ করেছে, নির্বাদিত হচ্ছে, ফেরত পাঠানোর সময় ফেরার প্রক্রিয়াগুলিতে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ’

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »