১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৮:১১
ব্রেকিং নিউজঃ
চানক‍্য-কৌটিল‍্য বিএনপি সন্ত্রাসীদের দৌরত্বে প্রধানমন্ত্রী, বরাবর, আবেদন করলেন অসহায় একটি হিন্দু পরিবার। হরিণের চামড়া ও মাংস পাচারকালে,এনজিও পরিচালক মৃদুল হালদারসহ চার জন গ্রেফতার যোগের মহিমা কি? ৩ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট চালু পিরোজপুরের দৈহারীতে মন্দির ভাঙ্গায় চেয়ারম‍্যান জহিরুল ইসলামের হাত আছে স্থানিয়দের ধারনা। সাদিক আব্দুল্লাহর নাম ভাংগিয়ে এলাকায় ত্রাস-ভূমি দখলের চেষ্ঠা মাসুম বিল্লাহর ।। সরকারী খালে বাধ দিয়ে মাছ চাষ করায় হাজারো কৃষকের ভাগ্য পানির নিচে।। অর্পিতাকে বাঁচাতে এক হলেন তিন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক! আফগানদের আকাশ থেকে ফেলে গেল যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালু ২০ আগস্ট

বাংলাদেশের নারী: ক্ষমতায়নের আলোকোজ্জ্বল অভিযাত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বৃহস্পতিবার, মে ২, ২০১৯,
  • 118 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

শম্পা প্রদীপ্তি: অনন্তকাল ধরে নারীকে ‘মেয়েমানুষ’ করে রাখার যে প্রবণতা, তা আজ দূরীভূত হতে চলেছে। আধুনিক বিশ্বে নারী মানুষ হিসেবে মাথা তুলে এগিয়ে চলার শক্তিতে বলীয়ান, অথচ পৃথিবীর বড় অংশ আজও পিছিয়ে আছে। আর আমাদের এই উপমহাদেশে ধর্মের নামে, প্রথার নামে নারীর মনুষ্যসত্তা অস্বীকার করা হয়েছে। আপনজন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে নারীকে শুধু ব্যবহার করা হয়েছে। রাজা রামমোহন ও বিদ্যাসাগররা হিন্দু নারীকে শাপমুক্ত করতে লড়াই করেছেন। সে লড়াইয়ে তারা জয়ী হয়েছেন অনেকাংশে। নইলে আজও সহমরণ ও সতীদাহ প্রথার ভয়াবহতা আর চিরবৈধব্যের যন্ত্রণা পোহাতে হতো নারীদের।
আমাদের নারীসমাজ লিঙ্গবৈষম্যের আধার ছিঁড়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠার অবকাশ পেয়েছে। উন্নত বিশ্বের মতোই এদেশেও আজ নারী সব ক্ষেত্রেই পুরুষের পাশাপাশি সমান গৌরবের অধিকারী। এটা সম্ভব হয়েছে শিক্ষার কারণে।
এক শতাব্দীরও বেশ কিছু আগে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন নারীজাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, সে স্বপ্নের পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ। ১৯০৫ সালে তার রচিত ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বইয়ে কল্পনায় তিনি যে দেশটি দেখতে চেয়েছিলেন, সেখানে সবকিছুর নেতৃত্বে থাকবে নারী। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যেই হাঁটছে। বর্তমান সরকার দেশের নারীসমাজের সার্বিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগের দশটি কর্মসূচির মধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন একটি। নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার-সমতা নির্ধারণে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নারীর সামর্থ্য উন্নীতকরণ, নারীর অর্থনৈতিক প্রাপ্তি বৃদ্ধিকরণ, নারীর মতপ্রকাশ ও মতপ্রকাশের মাধ্যম সম্প্রসারণ এবং নারী উন্নয়নে পরিবেশ সৃষ্টিকরণ প্রভৃতি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অগ্রযাত্রার মাঝেও কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে উন্নয়নের সঠিক ঘরটিতেই থাকবে বাংলাদেশ। নারীর ক্ষমতায়নে অর্জনের দিক থেকে পোশাকশিল্পে নারীর ভূমিকা আমাদের সবচেয়ে গর্বের বিষয়। ক্ষুদ্রঋণ বাংলাদেশে গ্রামীণ উন্নয়নে ও নারীর ক্ষমতায়নে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছে। ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি নারী। পোশাকশিল্পে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ দেশ। এখানে সিংহভাগ কর্মী নারী।
সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টায় বর্তমানে দেশে নারীশিক্ষার হার ৫০ দশমিক ৫৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ছাত্রছাত্রীর প্রায় ৫১ শতাংশ, মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫৪ শতাংশ ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৪৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ ছাত্রী। বিগত সময়ের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্য ও জিপিএ-৫ অর্জনের দিক থেকেও নারীরা এগিয়ে রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় নারীশিশু ভর্তির হার বিবেচনায় বিশ্বে এ দেশের অবস্থান আরও ৬২টি দেশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রথম। মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ শীর্ষস্থানে। তবে উচ্চশিক্ষায় অনেক পিছিয়ে নারী। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ১১৯ নম্বরে। শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করে প্রাথমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত নারীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে একজন নারীও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত থাকবে না।
নারী উন্নয়নে সার্বিক সূচকে বিশ্বে বাংলাদেশ ৬৪তম অবস্থানে থাকলেও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলভুক্ত ২৪টি দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার পরেই দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ৩৬টি নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারীর অংশগ্রহণের মান হিসেবে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা নারী উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। হার্ভার্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে করা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট ২০১৫’-তে রাষ্ট্রক্ষমতায় নারীর অবস্থান বিবেচনায় সবাইকে পেছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বরে উঠে এসেছিল বাংলাদেশের নাম। ‘দ্য গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট ২০১৭’ অনুসারে ১৪৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৭তম, যা দক্ষিণ এশিয়ার যে কোনো দেশের চেয়ে ভালো।
নারী উন্নয়ন ও সমতার লক্ষ্যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) ও দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের (এনএসএপিআর) আলোকে নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়নকল্পে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রালয়ের অধীন মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। নারীবান্ধব আবাসিক/অনাবাসিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বৃত্তিমূলক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে দুস্থ, অসহায় ও শারীরিকভাবে অক্ষম নারীদের উন্নয়ন স্থায়িত্বের জন্য খাদ্যশস্য ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচি, মাতৃত্বকালীন মৃত্যুহার হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, গ্রামের দুস্থ, প্রান্তিক, দলিত, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসার প্রচেষ্টায় গ্রামভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, মাতৃস্বাস্থ্য ভাউচার স্কিমের আওতায় একটি ভাউচার প্যাকেজের মাধ্যমে অবহেলিত, বঞ্চিত, নিগৃহীত জনগোষ্ঠীকে তিনটি প্রসবপূর্ব চেকআপ, দক্ষ দাইয়ের অধীনে নিরাপদ জন্মদান, প্রসব-পরবর্তী একটি চেকআপ এবং যাতায়াত খরচ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র সংগঠনের উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিপণন এবং বাজারজাতকরণের সহায়তায় নারীবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস জয়িতা ও অঙ্গনা পরিচালিত হচ্ছে।
আধুনিক পদ্ধতিতে হাউজ কিপিং অ্যান্ড কেয়ার গিভিং এবং বিউটিফিকেশন কোর্সে তাত্ত্বিক ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান মানুষকে দক্ষ জনশক্তিরূপে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের নারীসমাজকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে। কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ গ্রাম-শহরে নারীর কর্মজীবনকে দৃশ্যমান করেছে। দেশের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড তথা ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীসমাজের অংশগ্রহণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রত্যন্ত গ্রামে কম সুযোগ পাওয়া নারীর জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও আইনি পরামর্শ সহজলভ্য হওয়ায় নারীর জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসনসংখ্যা ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০টিতে উন্নীত করা হয়। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ১০ বছর, যা চলতি সংসদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যাবে। এজন্য একাদশ জাতীয় সংসদ থেকে এই মেয়াদ আরও ২৫ বছর বৃদ্ধি করে আইন পাস করা হয়েছে। প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে ১২ হাজারের বেশি নারী জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বের সবচেয়ে উদার গণতন্ত্র এবং বৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রে এখনও কোনো নারী প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি, অথচ বহু আগেই দেশ পরিচালনায় নেতৃত্বে এসেছে বাংলাদেশের নারীসমাজ। ২৫ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নারী। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের উপনেতা, স্পিকার, একাধিক মন্ত্রী, এমপি, সচিব, রাষ্ট্রদূত, বিচারক, ডিসি ও ব্যাংকের এমডির মতো গুরুত্বপূর্ণ
পদে রয়েছেন নারীরা। আমাদের সামরিক বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীতেও নারীরা অবদান রাখছে। দেশের সবখানেই পুরুষের পাশাপাশি নারীরা যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে।
বিশ্বে অন্য কোনো দেশে রাজনীতিতে নারীর এত উচ্চাসন নেই। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে নারী উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৯.৬৫ শতাংশ এবং জিডিপির ৫.৪৩ শতাংশ। এছাড়া নারীর ক্ষমতায়নসহ তাদের
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ৭৯৫ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিগত বছরগুলোর বাজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সাত বছরে নারী উন্নয়নে বরাদ্দ পাঁচগুণেরও বেশি বেড়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
সরকারের এসব কার্যক্রমের ফলে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ‘দ্য স্ট্যাটিসটিকস’ তাদের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে। নারীশিক্ষা ও নারী উদ্যোক্তাদের অগ্রগতি অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ‘দ্য গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’-এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের সভায় নারীর ক্ষমতায়নের জন্য ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ নামে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করে বাংলাদেশ। বিশ্বগণমাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের সাফল্যের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »