২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৭:৪১
ব্রেকিং নিউজঃ

কক্সবাজারে মহাজোটের কাজে বাঁধা সৃষ্টি করছে হিন্দু নেতারাই

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, মে ১১, ২০১৯,
  • 99 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

কক্সবাজার সংবাদ: বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে কক্সবাজার সহ ৫৭টি জেলায় সনাতনী সমাজ কে একত্রিত করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন,হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব এ্যাড:শ্রী গোবিন্দ প্রামানিক ও তাঁর সহযোগী সংগঠন যুব মহাজোট,ছাত্র মহাজোট ও মহিলা মহাজোট,ইতি মধ্যে বিভিন্ন কলেজ গুলোতে বৈদিক শিক্ষা কার্যক্রম ও লাভ জিহাদ কে প্রতিরোধ করার জন্য ছাত্র মহাজোট তৈরী হয়েগেছে।

যখন কর্মীরা কাজ করতে এলাকায় এলাকায় মন্দিরে মন্দিরে বসে সনাতনী সমাজ কে জাগ্রত করার চেষ্টা করছে,তখন রাজনৈতিক দলের নেতারা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে,সেই বিষয়টি আমাকে(গোবিন্দ প্রামানিক)কর্মীরা জানায়। তিনি আরো বলেন;আমার কর্মীদের যারা রাজনৈতিক ভাবে হয়রানি করছে,তাদের আইনি সহায়তার মাধ্যমে আদালতের হস্তক্ষেপ করতে, একটুও চিন্তা করব না।আমার মহাজোট কর্মীরা আমার ভাই,আমি নেতা হিসাবে তাদের ছায়া দিতে না পারলেও বড় ভাই হিসাবে ছায়া দিয়ে যাব।

কক্সবাজার একটি মডেল শহর এবং সেখানে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শহর শাখার গুটিকয়েক ব্যক্তি,রণ্জিত দাশ(সভাপতি),বাবুল শর্মা (সাধারণ সম্পাদক) ও দিপক দাশ,সহ বেশ কিছু ব্যক্তিদের নাম উঠে আশে।অতিশিগ্রই তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।তাঁর মধ্যে পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর, তার ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে কাজে বাঁধা সৃষ্টি করছে,আমি বঙ্গবন্ধুর মানস কন্যা দেশ নেত্রী শেখ হাসিনার ( প্রধান মন্ত্রী) বরাবর এবং ভারপ্রাপ্ত সাদারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করেছি।আমি কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টাও করছি,তার মধ্যে কক্সবাজার রামু উপজেলার মাননীয় সাংসদ ও মহেশখালী উপজেলা সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি,যাতে উজ্জ্বল কর যেন কর্মীদের উপর সন্ত্রাসীদের দিয়ে আক্রমনের সুযোগ না পায়,এই নিয়ে কক্সবাজার পৌর সভাপতি নজিব ভাইয়ের সাথে কয়েক দিনের মধ্যে কথা বলে,,উজ্জ্বল করের বিরুদ্ধে আইনি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের হাতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করছি। মহাজোট কাজ করতে চায়, বিনামূল্যে। এটা কোন সরকারী দল নয় যে তারা অনুদানের আশায় বসে থাকে,,তারা নিজের পরিশ্রমের অর্থ নিয়ে সনাতনী সমাজের জন্য কাজ করছে।এই নিয়ে কক্সবাজারে এই রকম পরিস্থিতি তৈরী করা হিন্দু নেতাদের কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি না।

আমরা কোন হিন্দু ভায়ের প্রতি কঠোরতা দেখাতে পারি না,,তারা যদি কাজে সমস্যা করে,তাদের প্রতি কঠোরতার ভাব জন্ম নেয়। এই নিয়ে কক্সবাজারের সনাতনী সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের উপদেষ্টার সাথে আমাদের সংবাদ কর্মী সরাসরি কথা বলে জানান দেয় যে,উপরিউক্ত ব্যক্তিরা ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে, এখন সবার মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি করছে,তারা আমাদের উপদেষ্টা পদে নামে রেখেছে মাত্র।তারা দূর্গা পূজা আসলেই অনুদানের অর্থ ভাগ করার জন্য মাতোয়ারা হয়ে পড়ে,তার মধ্যে কক্সবাজার পৌর পূজা উদযাপদ পরিষদের সভাপতি বেন্টু দাশ ও সাবেক সাধারণ সম্পাক জনি ধর সহ পূজা কমিটির কর্মীদের নিয়ে,অভুক্তদের অন্ন,গরিব মেয়েদের বিয়ে সহ নানা কাজ করছে।তাদের আমি ব্যক্তিগত ভাবে সহায়তা করছি।কিন্তু মুল পূজা কমিটির কোন নেতাই ভাল নয়,তারা ব্যক্তি বিশেষ চিন্তা করে,আমাদের কথার কোন পাত্তায়ই দেয় না এবং দেয় নি।

এর মধ্যে সর্ব জনের আলোচনায় বুঝা যায়,পলাশ কান্তির কিছু পালিত ব্যক্তি,অসিম চক্রবর্তী (পিন্টু)শিপন পাল,লালন,কাজল কান্তি সহ সাগর এরা কক্সবাজারে ১৯ দলীয় সংগঠনের আওয়াতা ভুক্ত ভূয়া মহাজোট নিয়ে না না ভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে,এবং তাদের উস্কানি মূলক বলে লেলিয়ে দিচ্ছে উজ্জ্বল কর এই পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। গত ০৬/০৫/২০১৯ইং তারিখ আমাদের সংবাদ কর্মী উজ্জ্বল করের মুখ থেকে সেই উক্তি সঠিক ভাবে উন্মোচিত করে। এই যদি হয় আমাদের সরকার দলীয় ক্ষমাতা দারি ব্যক্তিদের আচরণ,আজ তাদের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সুনাম নষ্ট হচ্ছে দিনের পর দিন। অতিশিগ্রই তাদের বিরুদ্ধে সাস্থানীয় ভাবে পদক্ষেপ করার জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি। কক্সবাজার মাননীয় জেলা প্রশাসক ও জেলার মডেল থানার এস.পি মহোদয়ের নিকট অনুরোধ থাকবে যে,এই ব্যক্তিগুলোর কারলে কক্সবাজারের সনাতনী সমাজ যেন হয়রানির শিকার না হয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »