৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ সকাল ১১:১৫
ব্রেকিং নিউজঃ
ভারতে ‘লাভ জিহাদ’ রুখতে বিল পাশ মানিকগঞ্জে একটি হিন্দু পরিবারের উপর হামলা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের(ভি,এইচ,পি)তিন দফা হিন্দু সুরক্ষা আইন ও পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদকে নিষিদ্ধ করার দাবি বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ জয়ন্তী হালদারকে জোর করে তুলে নিয়েছিল রাশেদ উদ্ধার করে পুলিশ । হামলা চালিয়ে ইরানের শীর্ষ বিজ্ঞানীকে হত্যা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ সিরাজ খান পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বছরে ৪শ’ কোটি টাকার চাঁদাবাজি দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ৫৮৫০ মিটার দুবলার চরে রাস পূর্ণিমায় নিরাপত্তা দিবে কোস্ট গার্ড

লতাপাতায় আচ্ছাদিত এমন ভবন দে‌শে প্রথম, দেখ‌লেই আট‌কে যা‌বে চোখ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২০,
  • 84 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের নকশায় নির্মিত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রংপুর-দিনাজপুর রুলার সার্ভিস (আরডিআরএস) ভবনটির দিকে তাকালে যে কারোরই চোখ আটকে যাবে সেখানে। সবগুলো ভবন আপাদমস্তক লতাপাতায় আচ্ছাদিত। এটি রংপুর নগরীর একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন।

রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষকে দারিদ্রতার হাত থেকে উন্নত জীবন-যাপনের জন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রংপুর-দিনাজপুর রুলার সার্ভিস (আরডিআরএস) ১৯৭২ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।

আরডিআরএস এর পরামর্শক মোহাম্মদ আসলাম পাভেজ জানান, রংপুর নগরীর ধাপ এলাকায় স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের নকশায় দুই দশমিক ২৫ একর জমির উপর পঞ্চম তলা বিশিষ্ট আরডিআরএস এর প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ভবনটি দৃষ্টিনন্দন করার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে লতা জাতীয় উদ্ভিদ ত্রিপার নিয়ে এসে ভবনটির চারদিকে রোপণ করেন। চারা রোপণের এক বছর পর ভবনটির চারদিকে সবুজে ঢাকা পড়ে।

পরামর্শক মোহাম্মদ আসলাম পাভেজ জানান, এটি করা হয়েছে গ্রীন হাউজের জন্য। কারণ হিসেবে তিনি জানান, লতাপাতার কারণে ভবনটি সবসময় ঠান্ডা থাকে। গরমের সময় এসি খরচ কম হয়। দেখতে সুন্দর লাগে। ছয় মাস পর পর ভবনের লতাপাতাগুলো ছোট করে দিতে হয়। খরচ পড়ে প্রায় দুই লাখ টাকা।

এই পরামর্শক আরো জানান, রংপুর আরডিআরএস-এ বিভিন্ন দেশের গাছপালা রয়েছে। এখানে ৫০ রকমের বিভিন্ন ফলের গাছ রয়েছে যার বেশির ভাগই বাইরের দেশ থেকে আনা।

গ্রীন হাউজ ভবন হিসেবে পরিচিত আরডিআরএস ভবনটি দেখেতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা এখানে আসেন। লালমনিহাট থেকে আসা শরিফা আসলাম জানান, রংপুর আরডিআরএস ভবনটি বেশ দৃষ্টিনন্দন। ভবনটির পাশ দিয়ে কেউ গেলে না তাকিয়ে পারবে না। ভবনের চারপাশ দিয়ে সবুজ লতাগুলো যেভাবে আঁকড়ে ধরেছে তা চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মতো।

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত
তিনি আরো জানান, এরকম ভবন আর আমার চোখে পড়ে নাই। এখানে এসেছি এই লতাগুলোর চারা নেয়ার জন্য। তবে পাবো কিনা জানি না।

তবে আরডিআরএস এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি, চারা বিক্রি করি না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »