৯ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৭:৫২

প্রথমবার প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে মোদির ফোন, দীর্ঘ আলোচনা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১,
  • 37 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দীর্ঘ ফোনালাপের পরে বিষয়টি নিয়ে নিজেই টুইট করেছেন মোদি। জানিয়েছেন, পরিবেশ থেকে মিয়ানমার, বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার রাতে নরেন্দ্র মোদি টুইটে জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খবর ডয়েচে ভেলের

ভারতের সঙ্গে, বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর হয়েছিল। চীনের বিরোধিতা করতে গিয়ে ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অনেক দূর বিস্তৃত করেছিলেন। ডেমোক্র্যাট বাইডেন চীনের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাবেন বলে বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা। এ ক্ষেত্রে ভারতকে ট্রাম্প যে গুরুত্ব দিয়েছেন, বাইডেন তা দেবেন না বলেও অনেকে মনে করছেন।

সোমবার মোদী-বাইডেন কথায় অবশ্য সে ইঙ্গিত মেলেনি। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে এ দিন তাদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের শক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। সেখানে চীনের শক্তি কমাতে ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জোট তৈরি করেছিল আমেরিকা।

এই ফোনালাপে সে বিষয়েও দুই রাষ্ট্রনেতার আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে মিয়ানমারের সাম্প্রতিক প্রসঙ্গও উঠেছে তাদের দীর্ঘ আলোচনায়।

নরেন্দ্র মোদি টুইটে লিখেছেন, ‘রুলবেসড ইন্টারন্যাশনাল অর্ডার’ রক্ষার জন্য দুইটি দেশই সরব হবে। এখানেই মিয়ানমারের প্রসঙ্গ প্রচ্ছন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে মনে করেছেন অনেকে। তবে আমেরিকা জানিয়েছে, মিয়ানমার নিয়ে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা হয়েছে।

পরিবেশ এবং জলবায়ু নিয়ে কার্যত উদাসীন ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকেও যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। বাইডেন এসেই আবার জলবায়ু চুক্তিতে ফিরে গেছেন। এ দিনের আলোচনায়ও জলবায়ু এবং পরিবেশ নিয়ে দুই নেতার কথা হয়েছে। বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় দুই দেশ একত্রে কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

তবে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বাইডেন মোদিকে কোনো প্রশ্ন করেছেন কি-না, দুই দেশের দেওয়া বিবৃতি থেকে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনো তথ্য মেলেনি। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাইডেন ঘনিষ্ঠ কমলা হ্যারিসের ভাইঝি মিনা হ্যারিসকে নিয়ে বিজেপি যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এ প্রশ্ন উঠেছে। মিনা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। যার জেরে প্রকাশ্যে তার ছবি পুড়িয়েছে গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »