২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ২:১১
ব্রেকিং নিউজঃ
একুশে বিজেপির প্রার্থী বাছাইয়ে সঙ্ঘের ছোঁয়া,ডঃ জিষ্ণু বসু হতে পারেন মূখ্যমন্ত্রী । মোটা সূঁচ আনুন, নেতাদের চামড়া অনেক মোটা হয়! ভ্যাকসিন দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কথা শুনে হেসে ফেললেন নার্স আব্বাস আর বামেদের সহবাসে বিজ্ঞানী না জিহাদি জন্ম নেয়, তসলিমার মন্তব্যে তুলকালাম মূর্খদের পিছনে সময় নষ্ট করা আহাম্মকী ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রার্থী তালিকা প্রকাশে দেরী কেন !! ভাইজানের ব্রিগেড !! বরিশালের বিখ্যাত সুগন্ধা নাসিকা-শক্তিপীঠ (তাঁরাবাড়ি) পরিদর্শনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে – ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার মুশতাকের মৃত্যু: স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপি’র পর সিপিএম প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে !!

প্রকৃতির নীরব কান্না পর্ব -১

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১,
  • 55 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

জীশু দেব:

উন্নয়নের নামে, পর্যটনের নামে ক্রমাগতভাবে বাংলাদেশ পাহাড়িদের ভূমি দখলের অভিযোগ শুধু বাড়ছেই। ঐতিহাসিকভাবে যেসব জুম ভূমির মালিক জুমিয়ারা, তাদের অধিকারকে অস্বীকার করা হচ্ছে।ওদের জুম, বাগানভূমি, বিচরণক্ষেত্র, পূর্বপুরুষের অবারিত রেখে যাওয়া বিস্তীর্ণ বন ও পাহাড় বেদখলে নিতে চাচ্ছে রাষ্ট্রের অর্থ পাচারকারী সিকদার গ্রুপ সহ অনেকে। কিন্তু এরা এত শক্তি পাই কোথায়?? পাহাড়ের কনো স্হাপনা কিংবা উন্নয়নের নামে যাই কিছু করা হোক না কেন ওদের অনুমতি দূরে থাক, কেউ জিজ্ঞেসও করেনা তারা কেমন আছে কিভাবে বেঁচে আছে, তাদের পানীয় জলের কষ্ট কিভাবে লাগব করছে, গহীন অরন্যে অসুস্হ হলে তাদের চিকিৎসা কে করে!! শক্তিহীন, ক্ষমতাহীন, অর্থহীন, এমনকি শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত এক পাহাড়ি সমাজ, যারা ধরিত্রী ও প্রকৃতি, বন ও পাহাড়ের বুকে বয়ে চলা নদী ও জলধারা সহ পরিবেশকে এতকাল হাজারো দুঃখ কষ্ট করে রক্ষা করে এসেছে সবার জন্য, তারা এখন আজ উপেক্ষিত, অবহেলিত এবং বিলুপ্তপ্রায় অসহায় এক জাতি।
আজ অপরিণামদর্শী আগ্রাসনে এসব মানুষের জীবন ছারখার হতে চলেছে।
ইতিহাস ঐতিহ্যকে এবং মানব বসতি ধ্বংস করে এ কেমন উন্নয়ন? কার জন্য এই উন্নয়ন?
দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা সুবিধা বঞ্চিত জুম্মদের উচ্ছেদের এই ধারাবাহিকতা এই রাষ্ট্রকে সত্যিকার অর্থেই অমানবিক করে তুলছে। প্রকৃতিকে করে তুলবে বিবর্ণ, পরিবেশ হবে ভারাক্রান্ত, নীরবে ক্রন্দন করিবে এই ধরনী…
তাই প্রকৃতির পাহাড়ীদের সাথে নিজের আত্মচিৎকারের তাদের সাথে সুর মেলাই
ভূমি হারানোর আশঙ্কায় চিম্বুক পাহাড়ে বাঁশির সুরে-সুরে ম্রোদের আর্তনাদ শাসক গোষ্ঠীসহ রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারকদের সত্যিকার অর্থে মানবিক করে তুলবে এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের দেশ ও জাতির.
পাহাড়ি আদিবাসী সহ সকল নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় বেঁচে থাকলে বেঁচে থাকবে প্রকৃতি, প্রকৃতি বেঁচে থাকলে বেঁচে যাবে পরিবেশ, পরিবেশ বেঁচে গেলে আমরা পেয়ে যাব সুন্দর এক পৃথিবী যেখানে বেঁচে থাকার স্বাদ জাগবে প্রতি মুহুর্তে প্রতিক্ষনে..
এই আনন্দধারায় সকল মানব জাতি হয়ে উঠুক মানবিক ও সহনশীল।।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »