২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১১:৩৩
ব্রেকিং নিউজঃ
জুলাইয়ের আগে করোনার টিকা রপ্তানি অনিশ্চিত : সেরাম ইনস্টিটিউট পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ দফার ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ, সফর বাতিল মোদির এত মৃত্যু এত শূন্যতা আগামীকালের ষষ্ঠ দফার ৪৩-টি আসনে কোন দল এগিয়ে !! বাংলাদেশের ভোটার হয়ে কি ভাবে ভারতের বিধান সভায় নির্বাচন করছেন আলো রানী সরকার ? করোনায় মারা গেলেন কবি শঙ্খ ঘোষ বিজেপি মন্ত্রীসভার প্রধান মুখ হতে পারেন যাঁরা !! ঠিকাদারকে টাকা পরিশোধ না করায় থমকে গেছে উজিরপুরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মান কাজ ।। ধুলো বালীতে ফ্যাকাশে হয়ে আছে ম্যূরাল।। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মিদের ক্ষোভ।। ফিরহাদের ভিডিয়ো নিয়ে কমিশনে বিজেপি, তৃণমূল প্রার্থীকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির পশ্চিমবঙ্গে এক দিনে মোদির ৪ সভা

মিনি পাকিস্তানের প্রবক্তা ফিরহাদ হাকিমের বাইকের পিছনে সওয়ার কেন মমতা ব্যানার্জী ?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১,
  • 58 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

স্বপন মজুমদার:

মিনি পাকিস্তানের প্রবক্তা ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে এত বিতর্ক – এত কানাঘুষা, তবুও মমতা ব্যানার্জী বাইক ভ্রমণে ফিরহাদ হাকিম-এর পিছনে সওয়ার কেন?

বিগত লোকসভা নির্বাচনের জনসভায় মমতা ব্যানার্জী বলেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।”
এখন তিনি বলছেন, “টেলিফোনে হ্যালো না বলে, জয় বাংলা বলুন।”

‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের অধিবাসীদের একাংশ পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংগ্রাম শুরু করেছিল। মমতা ব্যানার্জী কী পশ্চিমবঙ্গকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করার সংগ্রাম শুরু করেছেন?

কৃষক আন্দোলনের নামে পাকিস্তানপন্থীদের বিচ্ছিন্নতাবাদী অপকর্মের অন্যতম প্রধান সমর্থক মমতা ব্যানার্জী। কৃষক আন্দোলনের মুখপাত্র খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা, মমতা ব্যানার্জীকে আহ্বান জানিয়েছে – তিনি যেন পশ্চিমবঙ্গকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত করে, নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন।

আরব সম্প্রসারণবাদীরা সনাতনীদের কাছ থেকে একে একে ২৩টি রাষ্ট্র ছিনিয়ে নিয়েছে। অবশিষ্ট আছে শুধু ভারত। ভারতে সনাতনীদের জনসংখ্যা হার আশঙ্কাজনক ভাবে কমছে। ইতোমধ্যে ভারতের ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সনাতনীরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে – কাশ্মীরভ্যালি, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড সহ বহু জায়গায় সনাতনীরা একেবারে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কুসংস্কারাচ্ছন্ন-অন্ধবিশ্বাসী-বাস্তবতাবিমুখ সনাতনীরা এই নির্মম সত্য মেনে নিতে পারছে না। সত্য কথা শুনলে তাদের আঁতে ঘা লাগে। এরা কল্পনা সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে এই ভেবে যে, পৌরাণিক মহাকাব্যের অতিরঞ্জিত অবতাররা হ‍্যান করেছে, ত‍্যান করেছে। আচ্ছা, আরব সম্প্রসারণবাদীরা হাজার বছর ধরে যখন সনাতনীদের গবাদিপশুর মতো গোলাম বানিয়ে রেখেছিল, তখন এই বীরপুঙ্গব অবতাররা কোথায় পালিয়ে ছিল? ব্রিটিশ এসে যদি সনাতনীদের উদ্ধার না করতো, তাহলে কোথায় যেত এই অবতারদের কেরামতি!

আফগানিস্তান-ইন্দোনেশিয়া-থাইল্যান্ড-উজবেকিস্তান প্রভৃতি দেশে একসময় শতভাগ সনাতনী ছিল। অবতাররা যুগে যুগে আবির্ভূত হয়ে ঐ সমস্ত দেশে ধর্ম প্রতিষ্ঠার নামে অস্পৃশ‍্যদের বিনাশ করেছে। বিজাতীয় আক্রমণের সময় অবতারদের মহাজ্ঞান সেখানে কোনো কাজে লাগেনি। বিদেশীরা ঐ সব রাষ্ট্র, হেলায়-অবহেলায় দখল করে নিয়েছে। ব্রিটিশরা ওইসব দেশে যায়নি, ফলে সনাতনীরা সেখান থেকে চিরতরে হারিয়ে গেছে, অবতারদের বাহাদুরির গল্প সেখানে আজ ঠাট্টা তামাশার বিষয়।

সনাতনীদের হাজার হাজার ধর্মশাস্ত্র রয়েছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঐ সমস্ত ধর্মশাস্ত্র কিংবা ধর্মশাস্ত্র-লব্ধ জ্ঞান, কোন কাজে লাগে না। আমাদের ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবন চলছে ইউরোপীয়দের আবিষ্কৃত বিভিন্ন উপকরণ ও বিধি-বিধান কর্তৃক। আমাদের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র, ব‍্যবসা-বানিজ্য-কর্মসংস্থান, চিকিৎসা ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, রাষ্ট্র পরিচালনা পদ্ধতি ― ইত্যাদি সমস্ত কিছুই ইউরোপীয়দের অবদান।

পাঁচ বছর আগে মানুষ উলঙ্গ থাকতো, সেই উলঙ্গ মানুষদের অনুসরণ করে এই যুগে কোন ধর্মান্ধ সনাতনী যদি সমাজে ল‍্যাংটা থাকে, সেটা কীরকম দেখায়! আমি চরম বাস্তবতার পরম সত্য-সমূহ এতদিন ধরে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি; হ‍্যাঁ আমি ভালো করেই জানি যে, আমার কথা অনেকেরই ভালো লাগছেনা। কিন্তু আগামী ৩০/৪০ বছর পরে যখন ভারতে সনাতনীরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে, তখন হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করতে পারবেন, যে আমার কথা কতটা সত্য ছিল। বোকারা ঠকে শেখে, বুদ্ধিমানরা দেখে শেখে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »