১৬ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৪:৫২
ব্রেকিং নিউজঃ
শিবালয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের তাণ্ডব ইসলাম ধর্ম কবুল না করলে দেশ ছাড়ার হুমকি সিটি স্ক্যান করাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারত সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত এক বর্ণ বিদ্ধেষীর লেখার প্রতিবাদ! পহেলা বৈশাখেও ফের সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বহিরাগত তত্ত্ব’ ভিত্তিক বিজেপি বিরোধিতা ব্যুমেরাং হতে চলেছে !! শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করতে যা খাবেন লকডাউন বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে: আইজিপি করোনায় ব্যতিক্রমধর্মী পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছি আমরা: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার

বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে: স্বপন মজুমদার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১,
  • 85 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়‌, ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন:‌ পিকে–র এই টুইট কে চ্যালেন্জ ছুরে বনগাঁ নির্বাচনী জেলা বিজেপি সম্পাদক স্বপন মজুমদার বলেন বাংলা মাসীকে চায় না ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন পিকে:
আরো বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতা থাকলে দক্ষিন বনগাঁ থেকে ভোটে আমার সাথে লড়ে দেখাক জামানত হারাবে চ্যালেঞ্জ ।

প্রশান্ত কিশোর এদিন টুইটে এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে তৃণমূল বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা রাজ্যে যে উন্নয়নের কাজ করেছে তার প্রতি সাধারণ মানুষ তথা ভোটাররা আস্থা প্রদর্শন করবেন।
ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে গতকাল। আজ, শনিবার থেকে বাংলা জুড়ে জারি হয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি। বেজে গিয়েছে ভোটের ডঙ্কা। আর এদিনই টুইটে ফের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। শনিবার টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‌ভারতবর্ষের গণতন্ত্রের আসল লড়াই হবে পশ্চিমবঙ্গে। ‘‌বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’‌। পুনশ্চ, আমার করা শেষ টুইট অনুযায়ী ২ মে আমার কথা মিলিয়ে নেবেন।’‌ (২ মে ভোটগণনা) স্বপন আরো বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন আর মেয়ে নেই কন্যা জয়া জননী শেষ প্রান্তে মাসীতে পরিনত হয়েছ সূপর্নাখায় রূপ নিয়েছে বাংলার মানুষ উনার অতলামীতে অতিষ্ট পিসি ভাইপো মিলে সোনারবাংলা কে ধংশ্বস্তুপে পরিনত করেছে মানুষ এখন অনেক সচেতন ২১শের গেরুয়া ঝড়ে উনি হারিয়ে যাবেন
বিজেপির জয় নিশ্চিত দেখে মমতা কাপছে ভুলবাল বকছে ।
২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে মুকুলের হাতধরে বিপুল ভোটের ফলে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অবস্থান শক্তিশালী হয়। ওই নির্বাচনই মূলত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে জয় পেতে ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রচারণায়ও নেমেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। গত লোকসভায় অধিকাংশ মতুয়াদের ভোটই বিজেপিতে চলে যাওয়ায় ভারতীয় জাতীয়তাবাদ, হিন্দুত্ববাদ ও বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশের মতো বিষয় নিয়েই প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মোদির দল। পশ্চিমবঙ্গের হুগলি, দার্জিলিং, পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলোতে, যেখানে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল সেখানে বিধানসভা নির্বাচনেও বিপুল ভোট পেতে পারে বিজেপি। এছাড়াও মালদার মতো কয়েকটি জেলাতেও বিজেপির সাফল্যের সম্ভাবনা আছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, কলকাতা, বর্ধমানের মতো অঞ্চলগুলোতে তৃণমূলের জনপ্রিয়তা ভাল থাকলেও একের পর এক নেতাকর্মীদের দলত্যাগ ও বিজেপিতে যোগদান তৃণমূলের অবস্থান কিছুটা নড়বড়ে করে তুলেছে। তাছাড়া বিজেপি সরকার কেন্দ্রের ক্ষমতায় থাকায় প্রচারণার ক্ষেত্রে তারা বেশ কিছু সুবিধাও পাচ্ছেন। তারপর কাটমানি,গরুপাচার,কয়লা কেলেঙ্গারি,নারদা,সারদা,মুসলিম তোষন বিপাকে ফেলেদিয়েছে দলটাকে

অন্যদিকে, কংগ্রেস ও দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় থাকা বামফ্রন্টেরও সমর্থক- ভোটার আছে। পশ্চিমবঙ্গে যারা ভারতীয় জাতীয়তাবাদ কিংবা বিজেপির হিন্দুত্ববাদ বিরোধী তাদের কেউই বিজেপিতে ভোট দেবে না। এখানে তাদের বিকল্প হলো তৃণমূল কিংবা কংগ্রেস-বামফ্রন্ট জোট। ফলে কিছুটা অংশের ভোট দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে তবে সমিক্ষা বলছে বিজেপি ১৫০থেকে ১৬০ টি আসনে জিতবে বামফ্রন্ট দ্বীতিয় অবস্তানে থাকবে ।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »