১৬ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৬:২৫
ব্রেকিং নিউজঃ
শিবালয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের তাণ্ডব ইসলাম ধর্ম কবুল না করলে দেশ ছাড়ার হুমকি সিটি স্ক্যান করাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারত সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত এক বর্ণ বিদ্ধেষীর লেখার প্রতিবাদ! পহেলা বৈশাখেও ফের সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বহিরাগত তত্ত্ব’ ভিত্তিক বিজেপি বিরোধিতা ব্যুমেরাং হতে চলেছে !! শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করতে যা খাবেন লকডাউন বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে: আইজিপি করোনায় ব্যতিক্রমধর্মী পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছি আমরা: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার

একুশে বিজেপির প্রার্থী বাছাইয়ে সঙ্ঘের ছোঁয়া,ডঃ জিষ্ণু বসু হতে পারেন মূখ্যমন্ত্রী ।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ সোমবার, মার্চ ১, ২০২১,
  • 190 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

বঙ্গ দখলের স্বপ্ন নিয়ে অনেকদিন ধরেই মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির।
তৃণমূলের অনেককেই ইতিমধ্যে দলে নেওয়া হয়েছে। তবে অমিত শাহের নির্দেশে কার্যত বন্ধ হয়েছে দলদবলের ঝাঁপ। দলের বাঘা বাঘা নেতাদেরই এবছর লড়াইয়ের ময়দানে নামাবে বিজেপি। আর নবান্ন দখল করতে অমিত শাহ নিজেই বাছাই করবেন অমিত শাহ। সঙ্ঘের নীতি মেনেই আর সঙ্ঘের ফর্মুলা অনুসরণ করে এবছরে বিজেপির তালিকা প্রকাশ পাবে। সেইমতে ডঃ জিষ্ণু বসু হতে পারেন মূখ্যমন্ত্রী এমনটার ইঙ্গিত বহন করছে সংঙ্ঘ,দ্বীতিয় সারিতে আছেন ডঃ অনির্বান গাঙ্গলী।

তবে মুখে বললেও প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া যে অনেক জটিল তা বলাই বাহুল্য। এছাড়াও আদি এবং নব্য বিজেপির মধ্যে ভারসম্যও বজায় রাখতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য আবেগ এবং অঙ্ক দুটোকেই মাথায় রাখতে হবে। এছাড়াও সঙ্ঘ পরিবারের অন্য সংগঠন গুলোর কথাও মাথায় রাখতে হবে। সঙ্ঘ পরিবার আর বিজেপির মধ্যে তালমেল বজায় রাখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশকে।

এই শিবপ্রকাশের হাত ধরেই ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। সেবার ওনার দৌলতেই গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছিল অখিলেশ আর রাহুল গান্ধীর দ্বৈরথ। এছাড়াও বঙ্গে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পিছনেও ওনার অনেক বড় অবদান ছিল। উনিশে বাংলার গুরু দায়িত্বে ছিলেন শিবপ্রকাশ। আর সেবার বিজেপি বাংলা থেকে অভূতপূর্ব জয় হাসিল করে নেয়। বাংলায় ১৮ টি লোকসভা চলে যায় বিজেপির দখলে।

এছাড়াও রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায়। বাংলার এই চাণক্যের উপরেও অনেক ভরসা বিজেপির। ১৯-এ মুকুল রায়ের চাণক্য নীতি, দিলীপ ঘোষের প্রচার ঝড়ের পাশাপাশি শিবপ্রকাশের সংগঠন মজবুত করার দক্ষতা গেরুয়া শিবিরকে বড় জয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। এবারও এদের উপরেই ভরসা করে আছেন অমিত শাহ। আর বাড়তি পাওনা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী তো আছেনই।

একুশের নির্বাচন বিজেপির কোনও সম্ভাব্য প্রার্থীকে প্রশ্ন করলেই উত্তর পাওয়া যাচ্ছে যে, আমি কিছু জানিনা। দল যেটা ভালো মনে করবে সেটাই হবে।” বিজেপির প্রার্থী হওয়ার জন্য শিবপ্রকাশের কাছে নেতাদের বায়োডেটা জমা পড়ছে। এছাড়াও দিলীপ, মুকুল, কৈলাস বিজয়বর্গীয়দের হাতেও প্রার্থীদের বায়োডেটা জমা পড়ছে। তবে তা ঘুরে ফিরে যাচ্ছে সেই শিবপ্রকাশের হাতেই। এছাড়াও শিবপ্রকাশের হাত ঘুরে যাচ্ছে অমিত শাহের হাতে ।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »