২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২:১১
ব্রেকিং নিউজঃ
জুলাইয়ের আগে করোনার টিকা রপ্তানি অনিশ্চিত : সেরাম ইনস্টিটিউট পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ দফার ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ, সফর বাতিল মোদির এত মৃত্যু এত শূন্যতা আগামীকালের ষষ্ঠ দফার ৪৩-টি আসনে কোন দল এগিয়ে !! বাংলাদেশের ভোটার হয়ে কি ভাবে ভারতের বিধান সভায় নির্বাচন করছেন আলো রানী সরকার ? করোনায় মারা গেলেন কবি শঙ্খ ঘোষ বিজেপি মন্ত্রীসভার প্রধান মুখ হতে পারেন যাঁরা !! ঠিকাদারকে টাকা পরিশোধ না করায় থমকে গেছে উজিরপুরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মান কাজ ।। ধুলো বালীতে ফ্যাকাশে হয়ে আছে ম্যূরাল।। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মিদের ক্ষোভ।। ফিরহাদের ভিডিয়ো নিয়ে কমিশনে বিজেপি, তৃণমূল প্রার্থীকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির পশ্চিমবঙ্গে এক দিনে মোদির ৪ সভা

একুশের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে কোন দল কত আসন পেতে পারে !! (২)

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, মার্চ ২৩, ২০২১,
  • 99 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

আজ মেদিনীপুরের ইজ্জতের লড়াইয়ে নেমে অমিত শাহ’র প্রচার মঞ্চ থেকে যে সুর মেদিনীপুরের বর্ষীয়ান নেতা বেঁধে দিলেন তাতে শুধু শুভেন্দুই নয়–বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে গেল কয়েক লহমার মধ্যে। শিশিরবাবু নিজেকে ফুটপাতের লোক লড়াই সংগ্রামের লোক হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছেন মেদিনীপুরের মানুষকে যে ভাষায় গদ্দার মীরজাফর বেইমান বলা হচ্ছে তার জবাব মেদিনীপুরের মানুষই দেবে। মেদিনীপুর থেকে সাফ হয়ে যাবে তৃণমূল। প্রসঙ্গতঃ তিনি জানিয়েছেন তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে যারা যা খুশি বলে আক্রমণ করুক না কেন তার উত্তরে তিনি তাঁর চেয়ে বয়েসে ছোটদের সেইভাবে আক্রমণ করবেন না–জবাব যা দেওয়ার তা মানুষই দেবে। বিজেপি ২০০’র বেশি আসন দখল করে ক্ষমতায় আসবে। নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দুও প্রচুর ভোটের ব্যবধানে জিতে আসবে। মেদিনীপুরে আজ মমতা-অভিষেকের অনেকগুলি সভা ছিল–সভা ছিল অমিত শাহ’রও। সভার চেহারা এবং মানুষের শারীরিকভাষা থেকে রাজনৈতিক মহলের বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না যে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটাই বদলে যেতে চলেছে।
আমি আগেই বলেছি–আমার পর্যবেক্ষণে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে ২২ থেকে ৩২ এজগ্রুপের ভাবনাচিন্তার বিষয়টি–এটাই এবারে ফলাফলকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করতে চলেছে। মারাত্মক গুরুত্ব পেয়েছে পিকে’র অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দখলদারির মানসিকতাজনিত প্রভাব। দলের সাংগঠনিক কাঠামোটাকেই একেবারে নড়বড়ে করে দিয়েছে। ওপর থেকে নিচের তলা পর্যন্ত পিকে বিরোধী যে ক্ষোভ-বিদ্রোহ মাথাচাড়া দিচ্ছিল–মমতা সেদিকে নজর দিতে পারেন নি। দলে ব্যাপক ধস নামার পরেও তা ঠেকাবার মতো ক্ষমতা পিকের যে একেবারেই ছিল না তা নিয়ে এখন আর কোনো সন্দেহ-ই নেই। দল প্রতিদিন ভেঙে যাচ্ছে–পিকে এবং তার বসের প্রতিক্রিয়ায় ডোন্টকেয়ার ভাবও বেড়ে যাচ্ছে–এ এক অদ্ভূত আত্মঘাতী প্রবণতা যার পরিণতি ভাল হওয়ার কথা নয়। পরিস্থিতি এতটাই বিগড়ে গেছে যে মেরামতির সময় ও সুযোগটাও হাতে নেই। ফলে এবারের ফলাফল সকলকে হতচকিত করে দেবে কিছু নক্ষত্র পতনের মধ্য দিয়ে। হতমান হতে হবে বেশ কিছু রূপোলী তারকাদেরও–ফিল্মি সংলাপ পর্দায় যতটা কাজ দিতে পারে বাস্তবের মাটিতে যে ততটা দিতে সক্ষম নয় সেটাও এবারে বুঝতে হবে। বেহালা পশ্চিমকেন্দ্রে গত বার শিক্ষামন্ত্রী খুবই সামান্য ব্যবধানে মুখ রক্ষা করতে পেরেছিলেন–এবারে শ্রাবন্তী চ্যাটার্জ্জীর সামনে তাঁর রাজনৈতিক লড়াই কতটা সাফল্য এনে দেয় তা নিয়ে কিন্তু যথেষ্ট দুশ্চিন্তা থাকছেই। দুশ্চিন্তা থাকছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সুজিৎ বসু, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ব্রাত্য বসুদের নিয়েও। বেশ কিছু জেলার নক্ষত্র–যেমন, শিলিগুড়ির গৌতম দেব, আলিপুরদুয়ারের সৌরভ চক্রবর্তী, মাথাভাঙ্গার বিনয় বর্মণ, কোচবিহারের পার্থপ্রতিম রায়, দিনহাটার উদয়ন গুহ সহ আরও কয়েকজন তারকার ভবিষ্যৎ নিয়েও।
যাইহোক, এই মুহূর্তে আমার রাজনৈতিক বিশ্লেষণে ফলাফলের যে অঙ্কটা উঠে আসছে তা বলার আগে একটা জরুরি কথা বলে নিতে চাই। পুলিশ-প্রশাসন এবং দাপুটে ক্যাডারবাহিনী পকেটে থাকা সত্ত্বেও খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যকে পরাজিত হতে হয়েছিল। এই পরাজয়ের বহুবিধ কারণের মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য কারণ ছিল আমলাতান্ত্রিক নির্ভরতা। যেটা বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে কয়েক গুণ বেশি করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজ্যের মানুষ উচ্চপদস্থ আইপিএস-আইএএস আধিকারীকদের যতটা চেনেন–রাজ্যের সব মন্ত্রীকে সবাই চেনেন না। তাঁদের কোনো কাজকর্ম দায়-দায়িত্ব বলে কিছু আছে কিনা মানুষ তা জানে না। পুরোপুরি আমলা নির্ভর সরকারের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা কমতে কমতে একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকে যায়। এখন ঠিক সেই পরিস্থিতিই সবাই লক্ষ্য করছেন। ফলে বামফ্রন্টের পতনের জন্যে যেখানে প্রায় সাড়ে তিন দশক লেগেছিল–মা-মাটি-সরকারের জন্যে মাত্র এক দশকেই সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়ে গেল। আরও প্রচুর কারণ রয়েছে–এখানে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব নয়। আমি কারণগুলো ছুঁয়ে গেছি–চেষ্টা করলে যে কেউ সেসব নিয়ে ভাবতে পারবেন।
জেলাওয়ারি ফলাফল দেওয়ার আগে বলে নেওয়া ভাল–প্রায় মাসাধিক কাল যে ভোটপর্ব চলবে তার মধ্যে ভোটদাতাদের চিন্তাভাবনার মধ্যেও কমবেশি প্রভাব পড়তে পারে। ফলাফলের কিছু পরিবর্তনও অসম্ভব নয়। ভোটের শেষ দিন আমি আর একবার এই ফলাফল বিশ্লেষণ নিশ্চয় করবো। তবু এটুকু বলতে পারি আমার এই পূর্বাভাস খুব বেশি হলেও দু’আড়াই শতাংশের বেশি হবে না বলেই আমার বিশ্বাস। বাম সংযুক্ত মোর্চা প্রত্যাশিত আসন না পেলেও তৃণমূলের বেশ কিছু আসনে থাবা বসিয়ে বিজেপি’র যথেষ্ট সুবিধে করে দিতে চলেছে বলেই আমার বিশ্বাস।
যাইহোক, আমার আজকের পূর্বাভাস অনুযায়ী তৃণমূল কংগ্রেস তার সঙ্গী পাহাড়ের তিন বিধায়ক সহ মোট (১১৫+৩) ১১৮ জন বিধায়ক পেতে চলেছে। বিজেপি পেতে চলেছে ১৫১ জন বিধায়ক। বাম সংযুক্ত মোর্চা পেতে চলেছে (২১+৪) মোট ২৫ বিধায়ক। শেষপর্যন্ত দু-আড়াই শতাংশ এদিক ওদিক হলে ফলাফল ত্রিশঙ্কুও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এককভাবে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়েও তৃণমূলের পক্ষে সরকার গঠন কঠিন হতে পারে। তৃণমূল+কংগ্রেস+বাম (আ্ইএসএফ ছাড়া) মিলিত হয়ে যদি বিজেপিকে আটকাবার কথা ভাবে তাহলে একটা সরকার গঠিত হতে পারে বটে তবে তার স্থায়ীত্ব নিয়ে গভীর আশঙ্কা থাকবেই। অন্যদিকে বিজেপি যদি ১৫১ থেকে ১৫৫’র মতো আসন নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হয় তবু তাদেরও মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে। যদি ১৫৫’র মধ্যে অর্দ্ধেকের বেশি জয়ী বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেওয়া নতুন সদস্যরা হন তাহলে সঙ্ঘাশ্রয়ী কট্টর হিন্দুত্ববাদী কাউকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো সহজ হবে না। জোর করে চাপিয়ে দিতে গেলে দলে ভাঙন ধরতে পারে। প্রবল সম্ভাবনা থাকবেই। এখন জেলাওয়ারি ফলাফলের দিকে তাকানো যেতে পারে।
কোচবিহারের ৯-টি আসনের মধ্যে টিএমসি পেতে পারে ২-টি আসন, বিজেপি পেতে পারে ৭-টি আসন। দুটি আসনে বাম সংযুক্ত মোর্চা ভাল টক্কর দিলেও জিততে পারবে না। কিন্তু গোটা পাঁচেক আসনে তৃণমূলকে ডুবিয়ে দিতে পারবে। আলিপুরদুয়ারের ৫-টি আসনের মধ্যে টিএমসি পেতে পারে ১-টি আসন, ৪-টি আসন পেতে পারে বিজেপি। বাম সংযুক্ত মোর্চা–বিশেষ করে কংগ্রেস তৃণমূলের মাটি কাটবে অনেকটাই–কিন্তু জেতার মতো জায়গায় তারা এই মুহূর্তে নেই। জলপাইগুড়ি জেলার ৭-টির মধ্যে টিএমসি পেতে পারে ২-টি আসন, কংগ্রেস পেতে পারে ১-টি আসন এবং বিজেপি পেতে পারে ৪-টি আসন। যথারীতি এই জেলাতেও বাম সংযুক্ত মোর্চা ক্ষতি করবে টিএমসির-ই। দার্জিলিং জেলার ৫-টি আসনের মধ্যে টিএমসি একটিও পাচ্ছে না। দুটি আসন পাবে তাদের সমর্থিত দল। ১-টি আসন পাবে সিপিএম এবং বাকি ২-টি আসন পাবে বিজেপি। কালিম্পংয়ের একমাত্র আসনটিও টিএমসি সমর্থিত দলের পক্ষেই যাবে।
উত্তর দিনাজপুরের ৯-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ২-টি, বাম সংযুক্ত মোর্চা ২-টি এবং বিজেপি ৫-টি আসন পেতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরের ৬-টি আসনের মধ্যে টিএমসি পেতে পারে ২-টি এবং বিজেপি পেতে পারে ৪-টি আসন। বাম মোর্চার শ্রীকুমারবাবু লড়বেন ঠিকই কিন্তু তাঁর জোরদার লড়াইয়ের সুফলটুকু নিয়ে যাবে বিজেপি। এরকম ঘটনা সিংহভাগ আসনেই ঘটতে চলেছে। মালদার ১২-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ২-টি, বাম-কংগ্রেস মোর্চা ৪-টি এবং বিজেপি ৬-টি আসন পেতে পারে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে বিজেপি মোট ৩২-টি আসন পেতে চলেছে বলে আমার হিসেবে উঠে এসেছে। মুর্শিদাবাদের ২২-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ১০-টি, বাম-কংগ্রেস মোর্চা ৯-টি এবং বিজেপি ৩-টি আসন পেতে পারে। ভোট ভাগাভাগির অঙ্কেই বিজেপি তিনটি আসন পেতে পারে। নদিয়ার ১৭-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ৫-টি, সংযুক্ত মোর্চা ২-টি এবং বিজেপি ১০-টি আসন পেতে পারে।
উত্তর ২৪-পরগণার ৩৩-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ১৯-টি, সংযুক্ত মোর্চা ১-টি এবং বিজেপি ১৩-টি আসন পেতে পারে। এ ফলাফল নিঃসন্দেহে তৃণমূলের জন্যে একটা বড় ধাক্কা। এ ধাক্কা আসছে আ্ইএসএফ তথা সংযুক্ত মোর্চার সৌজন্যেই ! দক্ষিণ ২৪-পরগণার ৩১-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ২২-টি, সংযুক্ত মোর্চা ১-টি এবং বিজেপি ৮-টি আসন পেতে পারে। এই জেলায় এবারে বাম মোর্চার প্রত্যাশা গভীর থাকলেও আসন কিন্তু একটির বেশি অধরাই থেকে যাচ্ছে। তবে তৃণমূলের ক্ষতি হতে চলেছে উল্লেখযোগ্য ভাবেই। কলকাতার একচ্ছত্র আধিপত্যে এবার ফাটল ধরতে চলেছে তৃণমূলের। কলকাতার ১১-টি আসনের মধ্যে টিএমসি পেতে পারে ৮-টি আসন, বিজেপি পেতে পারে ৩টি আসন। লাল সঙ্কেত থাকছে সাধনপাণ্ডে, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং অরূপ বিশ্বাসের জন্যে। হাওড়ার ১৬-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ৬-টি, সংযুক্ত মোর্চা ১-টি এবং বিজেপি ৯-টি আসন পেতে পারে। হুগলীর ১৮-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ৫-টি, সংযুক্ত মোর্চা ২-টি এবং বিজেপি ১১-টি আসন পেতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬-টির মধ্যে টিএমসি ৪-টি, বিজেপি ১২-টি আসন পেতে পারে অবিশ্বাস্য মনে হলেও। পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫-টি আসনের মধ্যে টিএমসি ৫-টি, বিজেপি ৯-টি এবং সংযুক্ত মোর্চা ১-টি আসন পেতে পারে। ঝাড়গ্রামের ৪-টির মধ্যে টিএমসি ২-টি এবং বিজেপি ২-টি খআসন পেতে পারে। পুরুলিয়ার ৯-টির মধ্যে টিএমসি ২-টি, বিজেপি ৭-টি আসন পেতে পারে। বাঁকুড়ার ১২-টির মধ্যে টিএমসি ৪-টি, বিজেপি ৮-টি আসন পেতে পারে। পূর্ব বর্ধমানের ১৬-টির মধ্যে টিএমসি ৪-টি এবং বিজেপি ১২-টি আসনে জিততে পারে। পশ্চিম বর্ধমানের ৯-টির মধ্যে টিএমসি ৩-টি এবং বিজেপি ৬-টি আসন পেতে পারে। বীরভূমের ১১-টির মধ্যে টিএমসি ৫-টি এবং বিজেপি ৬-টি আসন পেতে পারে।
বলাবাহুল্য, জেলাওয়ারি আমার এই পূর্বাভাস দেখে অনেকেরই পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যাবে। কিন্তু রাজনীতিতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বলে কিছু হয় না। অসংখ্য অমার্জনীয় ভুলের মাশুল গুণতে হয় বহু খ্যাত রাষ্ট্রনায়কদেরও। তৃণমূল কংগ্রেসর জন্যে মমতার লড়াই নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক। কিন্তু দশচক্রে যেমন ভগবানও ভূত হয়ে যান ঠিক তেমনই দলেরই বেশ কিছু নির্বোধ নিম্নমেধার লোকজনের অসংখ্য অপকর্মের মাশুল গুণতে হচ্ছে মমতাকেও। একটা-আধটা নয়–হাজারো অস্বস্তিকর ঘটনাপ্রবাহে দলের ভাবমূর্তি দিনে দিনে নষ্ট হয়ে এসেছে। বহুবিধ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দলের ওপর। ফলে দলে ভাঙনের ধাক্কা সামলানো যায় নি। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো প্রশান্ত কিশোর দলের ভবিষ্যৎকে গভীরতর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিলেও নেত্রীর নজরে পড়ল না প্রকৃত অবস্থাটা। বঙ্গ বিজেপিতে সেরকম নেতা না থাকার কারণেই ক্ষতিটা অপূরণীয় হচ্ছে না আপাততঃ। সামলাবার সময় ও সুযোগ থাকবে–কিন্তু সামলানো যাবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয় !!

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »