২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২:১৩
ব্রেকিং নিউজঃ
জুলাইয়ের আগে করোনার টিকা রপ্তানি অনিশ্চিত : সেরাম ইনস্টিটিউট পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ দফার ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ, সফর বাতিল মোদির এত মৃত্যু এত শূন্যতা আগামীকালের ষষ্ঠ দফার ৪৩-টি আসনে কোন দল এগিয়ে !! বাংলাদেশের ভোটার হয়ে কি ভাবে ভারতের বিধান সভায় নির্বাচন করছেন আলো রানী সরকার ? করোনায় মারা গেলেন কবি শঙ্খ ঘোষ বিজেপি মন্ত্রীসভার প্রধান মুখ হতে পারেন যাঁরা !! ঠিকাদারকে টাকা পরিশোধ না করায় থমকে গেছে উজিরপুরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মান কাজ ।। ধুলো বালীতে ফ্যাকাশে হয়ে আছে ম্যূরাল।। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মিদের ক্ষোভ।। ফিরহাদের ভিডিয়ো নিয়ে কমিশনে বিজেপি, তৃণমূল প্রার্থীকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির পশ্চিমবঙ্গে এক দিনে মোদির ৪ সভা

বিজেপির দাপুটে প্রার্থী ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে মিথ্যা কুৎসাই সম্বল তৃণমূলের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, এপ্রিল ২, ২০২১,
  • 354 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

বোলপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের ঝুড়ি নিয়ে মাঠে নেমেছে তৃণমূল। অনির্বাণ গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে তৃণমূল একের পর এক অভিযোগ তুললেও সেগুলোর সাথে বাস্তবতার যে কতোটা দূরত্ব, তা অনির্বাণ গাঙ্গুলী সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি বলেছেন। একটি সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি তিনি তুলে ধরেছেন যে কিভাবে মিথ্যাচারের মাধ্যমে ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলতে চাইছে তৃণমূল।
ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে তৃণমূল বারবার অভিযোগ তুলেছে, ব্যানার-পোস্টার- মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচার করছে যে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের সাথে অনির্বাণ গাঙ্গুলীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং উপাচার্য বিজেপির লোক। এই বিষয়ে অনির্বাণ গাঙ্গুলী বলেন, ” এই বিষয়ে আমার কোন অস্বস্তি নেই। কেননা মিথ্যা প্রচার যদি হয়, তাহলে সেই মিথ্যা প্রচারের বির্যদ্ধে সমস্ত সত্যিটাকে তুলে ধরতে হবে৷ এখানে অস্বস্তি হওয়ার কোন জায়গা নেই, কোন কারণই নেই, হওয়াও উচিত না। প্রথমে আমি বলি, আগেও একাধিকবার বলেছি যে, আমি স্বপন দত্তের সময়ে কোর্টের মেম্বার হই৷ ”
তিনি আরও বলেন, ” আমার এপয়েন্টমেন্ট ভারতের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা হয়। এবং স্বপন দত্ত মহাশয়কে পরবর্তীকালে তাঁর রিটায়ারমেন্ট এর পর বিশ্ববাংলা ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং বীরভূমের স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের নেত্রী করেছেন। সেজন্যে কে কার ঘনিষ্ঠ, এই ব্যাপারটায় ওরা না গেলেই পারে। কেননা যতোবার ওরা আমাকে বিশ্বভারতীর উপাচার্যের ঘনিষ্ঠ বলছে, ততোবারই ব্যাপারটাকে গোল গোল করে ফেলছে ব্যাপারটা। স্বপন দত্ত ওদের লোক। কেননা ওরাই ভাইস চ্যান্সেলর করেছে বিশ্ববাংলার। স্বপন দত্ত আবার বিজেপির সময়েও ভাইস চ্যান্সেলর ছিল, আমি আবার এপয়েন্টেড হয়েছি স্বপন দত্তের আমলে, তো কে কার ঘনিষ্ঠ? পুরো ব্যাপারটা গোলগোল হয়ে যাচ্ছে না? ”
এরপর অনির্বাণ গাঙ্গুলী বলেন, ” ওদের নিজেদের মধ্যে খুব ঘনিষ্ঠতা আছে। একথা আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি, উপাচার্য এবং বীরভূমের জেলা সভাপতি, যে খুব দাপিয়ে বেড়ায় শুনেছি, অনুব্রত মন্ডল, এখানকার মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, তাদের মধ্যে কিন্তু খুব ঘনিষ্ঠতা আছে। গভীর একটি সম্পর্ক আছে। তারা বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার পার্টিসিপেট করেছে বিভিন্ন প্রোগ্রামে। উপাচার্য অনুব্রত মন্ডলের বাড়ি গিয়েও খাওয়াদাওয়া করেছেন। এবং এটা বীরভূমের অনেকে বলেছেন, উপাচার্য অনুব্রত মন্ডলের অনেক লোককে চাকরি দিয়েছেন। এবং উপাচার্যের সাথে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর হটলাইন রয়েছে। উনি মুখ্যমন্ত্রীকে একাধিকবার রিসিভ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ব্যাডমিন্টনও খেলেছেন শুনেছি। ”
অন্যদিকে রাস্তার জন্য জমি নিয়ে বিশ্বভারতীর সাথে সংঘাত রয়েছে রাজ্য সরকারের। এছাড়াও একাধিকবার উপাচার্যকে বিজেপির মার্কামারা, পাগল ইত্যাদি বলেছে অনুব্রত মন্ডল। এই পুরো বিষয়টিকে একটা গট আপ কেস বলেছেন অনির্বাণ গাঙ্গুলী। এই গট আপ এজন্যেই যেন তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যেন একটি বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার উপাচার্যকে বলেছেন ডাইরেক্ট ফোন করতে। অনির্বাণ গাঙ্গুলী বলেছেন যে তাই যদি হয় তাহলে মুখ্যমন্ত্রী আবার নাটক করছেন কেন? ডাইরেক্ট উপাচার্যের সাথে কথা বলবেন। যদি কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে ডাইরেক্ট তার সাথে কথা বলে সেগুলোকে সমাধানের চেষ্টা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী, বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল, চন্দ্রনাথ সিনহা এবং বিশ্বভারতীর উপাচার্য, প্রত্যেকের সাথে প্রত্যেকের কমিনিউকেশন রয়েছে। এটা বিশেষত তৃণমূল কংগ্রেস করছে এই জন্যে, যেন ভোটের সময়ে সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এই ভোটের সময়ে রাজনীতি করার।
এদিকে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাজ্যের শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও আপনারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলী বলেন, এই বিষয়ে আমি আগেই অবগত করেছি। এটা অনেকেই জানে যে, পশ্চিমবঙ্গে ভাইস চ্যান্সেলর হতে গেলে টাকা দিতে হয়, ভাইস চ্যান্সেলরকে আজকে এপয়েন্ট করে কালকেই ডিসমিস করে দিলো। পশ্চিমবঙ্গে গর্ভনর কাউকে রেকমেন্ড করলো তাকে ডিসমিস করে দিলো। আমাদের সকল কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি পদ্ধতি অনুযায়ী পরিচালিত হয়। সেই পদ্ধতির আলোকে কমিটির বসা উচিত, তদন্ত করা উচিত, একটা পদ্ধতি রয়েছে। সেভাবেই আমি জানিয়েছি। আর উপাচার্যের উচিত তার নিজের তরফ থেকে সাফাই দেওয়া। উনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিন আপ করছেন, তাহলে বোলপুরের মানুষকে তিনি সেটা বোঝাতে ব্যর্থ। উনি সেটা বোঝাতে ব্যর্থ যে, উনি বোলপুরের মানুষের জন্যে বিশ্বভারতীকে একটি লাইনে আনার চেষ্টা করছেন। এবং যদি সেটা না হয়, তাহলে সরাসরি এটা বলতে হবে গট আপ কেস। তৃণমূল কংগ্রেসকে ফায়দা দেওয়ার জন্যে, এরা সবাই মিলে এই জিনিসটা করছে।
পৌষমেলা ও বসন্ত উৎসব বোলপুরের সংস্কৃতির অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বোলপুর ও তার আশেপাশের অন্যান্য গ্রামের অর্থনীতির চাকার অন্যতম শক্তি। এই মেলা ও উৎসব যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এই অঞ্চলের অধিবাসীদের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে। এই বিষয়ে অনির্বাণ গাঙ্গুলী খোলাখুলি বলেন, এটা একেবারেই হওয়া উচিত নয়। আমি আগেও বহুবার বলেছি, আবারও বলছি, পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসব থাকবেই, হবেই, আগামী দিনে আরও নতুন করে সুন্দরভাবে হবে। পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসব আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাকে আমাদের সংরক্ষণ

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »