২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ১:৪৫
ব্রেকিং নিউজঃ
বনগাঁ বিধায়ক স্বপন মজুমদারের করা হুশিয়ারী পেট্রাপোল স্থল বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে। কুমিল্লায় মুর্তির পায়ে রেখে কোরান অবমাননাকারী গ্রেফতার তিন ! সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান, ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ এসোসিয়েশনের। সোমবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ: রাত ২:০৩ AVBP বাড়ি Breaking News বিভৎস নোয়াখালী, ‌ভো‌রের আলো ফুট‌তেই পুকু‌রে ভে‌সে উঠ‌লো আ‌রও এক ইসক‌নের সাধুর মৃত‌দেহ পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরআন পাওয়া এবং সেটিকে কেন্দ্র করে সহিংসতা সমগ্র বাংলাদেশে। কুমিল্লায় ফেসবুক লাইভে উত্তেজনা ছড়ানো ফয়েজ আটক ভারতে যেন এমন কিছু না হয়, যার জন্য বাংলাদেশের হিন্দুদের ভুগতে হয়! কুমিল্লা নিয়ে হুঁশিয়ারি হাসিনার চীনকে মোকাবিলায় লাদাখে ভারতের কামান কলকাতার মণ্ডপে বুর্জ খলিফা এবং তালেবান মাতার প্রতীকে মমতা

বিজেপি মন্ত্রীসভার প্রধান মুখ হতে পারেন যাঁরা !!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১,
  • 176 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

একটি সাক্ষাৎকারে কথা প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপি’র সভাপতি দিলীপ ঘোষ একটি প্রশ্নের উত্তরে মাছি ওড়ানোর ভঙ্গিতে বলেছিলেন, দরজা বড় করে খুলে দিলে মাছি মশাও ঢুকে যায় ! বিভিন্ন দল ছেড়ে যারা বিজেপিতে ঢুকেছেন তাদের সকলে না হলেও সিংহভাগই যে বিজেপি’র চোখে মশা মাছি ছাড়া আর কিছুই নয় সেটা বোঝা যাবে রাজ্য বিধানসভার ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপি যদি ক্ষমতায় বসার সুযোগ পায় তবেই। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ক্যাবিনেটে জায়গা পেলেও সিংহভাগই দ্বিতীয় স্তরের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেলেও পেতে পারেন। যারা ক্যাবিনেটে জায়গা পেতে পারেন তাদের জন্যে মুখ্যমন্ত্রীত্ব তো বটেই–অর্থ-শিক্ষা-স্বরাষ্ট্র-স্বাস্থ্য-পঞ্চায়েত-ভূমি ও ভূমিরাজস্ব-তথ্য-সংষ্কৃতি’র মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক দেওয়া হবে বলে মনে হয় না। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সঙ্ঘ এবং কট্টর হিন্দুত্ববাদী লবি দিলীপ ঘোষকেই চাইবেন। দিলীপ ঘোষের দীর্ঘ সংসদীয় রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা না থাকলেও তাঁর পিছনে যদি সঙ্ঘ থাকে তাহলে তিনিই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। যেমন কোনো দিক থেকেই কেনোরকম অভিজ্ঞতা না থাকলেও বিপ্লব দেবকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। সংসদীয় রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যেমন বেছে নেওয়া হয়েছিল যোগী আদিত্যনাথকে–উত্তরপ্রদেশে কি সংসদীয় এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিক্ষিত নেতা কেউ ছিলেন না? অনেকেই ছিলেন–কিন্তু গেরুয়া বসন নির্ভরতাই শেষপর্যন্ত বড় হয়ে উঠলো–রাজ্যের লাভ তাতে কতটা কি হল বা হবে সেটাও খুব দ্রুতই সামনে উঠে এসেছে। এই একই চিন্তাধারায় উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকেও বেছে নেওয়া হয়েছিল। উচ্চশিক্ষিত কট্টর হিন্দুত্ববাদী নয়–এমন সাংসদ বা বিধায়কদের সরকার বা মন্ত্রীসভায় নেওয়ার ঝুঁকি সঙ্ঘ নেয় না। কেন নেয় না তার বিস্তারিত ব্যাখ্যায় যাচ্ছি না। সুতরাং মুখ্যমন্ত্রীত্বের নির্বাচনে দিলীপ ঘোষ অনেকটাই এগিয়ে থাকছেন।
যদি একান্তভাবেই কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অমিত শাহ এবং নরেন্দ্র মোদীর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মান্যতা পায় তাহলে দিলীপের জায়গায় ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের কথা ভাবা হতে পারে। তারপরে হয়তো স্বপন দাশগুপ্তের নাম আলোচনায় উঠে আসতে পারে। কিন্তু রাহুল সিনহা’র নাম কদাপি নয়। যদি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী হন তাহলে শিক্ষামন্ত্রী হতে পারেন ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। হলে–সঙ্ঘের সিলেবাস এ রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় ঢুকতে খুব বেশি দেরি হবে না–দেরি হবে না গোটা শিক্ষাব্যবস্থার খোলনলচে বদলে যেতে। অর্থ মন্ত্রক পেতে পারেন অশোক লাহিড়ি এবং তথ্য-সংস্কৃতি মন্ত্রক পেতে পারেন স্বপন দাশগুপ্ত, পুলিশ মন্ত্রক যদি আলাদা রাখা হয় তাহলে সুব্রত সাহা পেতে পারেন। যদিও আর্মির শৃঙ্খলতাপরায়ন কোনো শক্ত মানুষকে পুলিশমন্ত্রী হিসেবে বিজেপি চাইতে পারে না। তবু আলোচনায় তাঁর নাম উঠে আসতে পারে। না হলেও তিনি ক্যাবিনেটে অন্তর্ভু্ক্ত হবেন–যদি জিততে পারেন। জিতে আসা কঠিন অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়, স্বপন দাশগুপ্ত, সুব্রত সাহার পক্ষে। যদি জেতেনও জিতবেন ফটো ফিনিশ ব্যবধানে ! জিতলে কাবিনেটে সর্বাগ্রে এদের কথাই ভাবা হবে। কারণ, এদের সকলের পিছনেই সঙ্ঘের অনুমোদন ও সীলমোহর থাকবে। ক্যাবিনেটে থাকবেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। উত্তরবঙ্গ থেকে নিশীথ প্রামানিক ছাড়াও দু’একজন আদিবাসী বিধায়ক এবং মতুয়া সম্প্রদায় থেকেও দু’একজন মন্ত্রীসভায় সামিল হবেন।
মুকুল রায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর কি হবে? শুভেন্দু রায় মমতাকে হারিয়ে জিততে পারলে উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন–সঙ্গে দু’একটা মন্ত্রকও পেতে পারেন। মুকুল রায়ও উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন–সঙ্গে মন্ত্রীত্ব সহ। ৪২ সদস্যের মন্ত্রীসভায় আরও অনেকেই জায়গা পাবেন–কিন্তু অনেকটাই ওজন হারিয়ে। ২-রা মে ফলাফল প্রকাশের পর মন্ত্রীসভা গঠন নিয়ে খুব বেশি সময় নেবে না বিজেপি–কারণ, এখানে কোনো শরিকি ঝামেলা থাকবে না। বিপদ এলে আসতে পারে অন্যদিক থেকে। যদি সামান্য ব্যবধানে বিজেপি ক্ষমতায় আসে (১০-১৫) তাহলে এক ঝাঁক জয়ী বিধায়ক তৃণমূলে চলে যেতে পারেন যদি তাঁরা মনে করেন তাঁরা উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা পেলেন না ! এটা সঙ্গে সঙ্গে না ঘটল্ওে দু’চার মাসের মধ্যেও হতে পারে। আবার–এমনও হতে পারে–বিজেপি আরও কিছু বিধায়ক ভাঙিয়ে নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে নিল। সে ক্ষমতা তাদের আছে। বড় ব্যবধানে বিজেপি জয়ী হয়ে সরকার গঠনের জায়গায় আসতে চলেছে বলে আমার মনে হয় না। ১৫১ থেকে ১৬১ আসনের বেশি তারা পাচ্ছে বলে আমার পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ছে না। ২০০ পার তো অনেক দূরের কথা !!

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »