ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ কমিটি শাহাবাগ চত্ত্বরে এক মানববন্ধন ও পথ সভার আয়োজন করে উক্ত সভায় সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ জালাল আহম্মেদ বলেন
বাংলাদেশের শারদীয় দূর্গাউৎসবে সারাদেশে মৌলবাদী অপশক্তিগুলো ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। সারাদেশে হিন্দুদের মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর বাড়ীতে হামলা ধরটষন লুট হত্যা সহ দূর্বিত্তরা দেশে অসস্থিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে এতে বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্ত নষ্ট হচ্ছে আমরা মনে করি, এই অপশক্তিগুলো যে দেশবিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত অবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় এনে চক্রান্তের মুলোৎপাটন করা অত্যন্ত জরুরি। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে যে সম্মৃদ্ধি ও স্বাতন্ত্র নিয়ে যেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে তাকে অর্থবহ ও টেকসই করতেও এসব অপশক্তির বিষদাঁত উপড়ে ফেলা জরুরি। এদের প্রতিহত করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে ।
সম্পাদক: সুমন হালদার বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিগুলো ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। আমরা IBFA.BD এর পক্ষ থেকে সরকারকে এবিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধ ও দেশপ্রেম সঠিকভাবে জাতীয় জীবনে প্রতিফলন ঘটাতে হবে। এর মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থ সকল নাগরিকে পাশে সরকারের দারানো নৈতিক দ্বায়িত্ব।
সহ সভাপতি: অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম বলেন ”এই অপশক্তি গুলো কেবল মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনাকেই নস্যাৎ করতে উদ্যত নয়; তারা বাংলাদেশেকে জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত করতেও অতিমাত্রায় সক্রিয়। সাম্প্রতিক সময়ে ’পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা ও বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টাকারী’ ওই মহলের বিরুদ্ধে দেশের অসাম্প্রদায়িক-প্রগতিশীল মানুষদের মত আমরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ।
সহ সভাপতি: সুপ্রিয়া ভট্রাচার্য্য বলেন বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে মাঠে নামিয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র। এই অপশক্তিকে কঠোরভাবে দমনের লক্ষ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
সহ সভাপতি: বিশিষ্ট পরিচালক জাকির হোসেন রাজু ,বলেন এ দেশে হিন্বদু মুসলিম বন্ধুর বন্ন্ধনে আবদ্ধ চিরবন্ধুপ্রতীম বাংলাদেশের জনগণের মাঝে অকৃত্রিম এক সেতুবন্ধন রচনায় বাধা সৃষ্টি করছে এই মৌলবাদী শক্তি ওদের প্রতিহত করতেই হবে না হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ধংশ্বস্তুপে পরিনীত করতেচায় ওরা।
সহ সভাপতি: শ্যামল দাস টিটু বলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধ ও দেশপ্রেম সঠিকভাবে জাতীয় জীবনে প্রতিফলন ঘটাতে হবে। এর মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
সহ সম্পাদিক: সুশীল কুমার সরকার বলেন দেশ আজ নৈরাজ্য বিরাজ করছে সংখ্যালঘুরা বড্ড অসহায় এর পতিকার জরুরী
নায়ক: ডেনিসিডাক,আজয় সরকার,শ্যামল দাস টিটু,ফেরদৌস সালাম বাবলু মিনা বর্মন সহ আরো অনেক বক্তা বক্তব্য দেন এই ধরনরে অপতৎপরতা যেভাবে বেড়েই চলছে, তাতে আমরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করতে এবং দেশকে ধংশ্ব করার এক সুগভীর নীলনকশার জাল বিস্তারেই তাদের লক্ষ্য। ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব-কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথেই বাংলাদেশের ভিত্তি রচিত। সেই নীতি ও আদর্শকে অবলম্বন করেই বাংলাদেশ কর্তব্য এই স্থিতিশীলতাই চক্রান্তকারীদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঐ অপশক্তিকে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করতে হবে ।