১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬:১২
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

সম্পত্তির লোভে ‘গর্ভধারিনী মাকে’ দফায় দফায় পিটিয়েছে দুই ইঞ্জিনিয়ার ছেলে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, অক্টোবর ১০, ২০১৭,
  • 382 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের ভটপুর গ্রামের মো. নূরুল হকের স্ত্রী মাজেদা বেগম। ভাই-বোনকে বঞ্চিত করে অবৈধপন্থায় পৈতৃক সম্পত্তি নিজেদের নামে ইচ্ছে মাফিক লিখে নিতে সহায়তা না করায় নিজ গর্ভধারিনী মা মাজেদা বেগমকে দফায় দফায় মারধর করেছেন তাঁর দুই ইঞ্জিনিয়ার ছেলে

রবিবার বিকালে ছেলেদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে নেত্রকোনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন বৃদ্ধ মা মাজেদা বেগম (৬৫)।

লিখিত অভিযোগে মাজেদা বেগম আরো উল্লেখ করেন, বড় ছেলে শাহিন ঢাকায় থাকে। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসে। বাড়িতে বেড়াতে এসে ২৮ আগস্ট রাতে তাঁকে সম্পত্তি লিখে দিতে বলে। সে সময় তিনি তা না করায় তাকে বেদম মারধর করে সে। এর পর কোরবানি ঈদের আগের দিন ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় একই কারণে ছোট ছেলে তুহিন তাকে মারধর করে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, সন্তানদের মধ্যে প্রথম ছেলে আমিনুল হক শাহীন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) ইঞ্জিনিয়ার ও তৃতীয় ছেলে এনামুল হক তুহিন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। এই দুই ছেলেই দীর্ঘদিন ধরে মা মাজেদা বেগমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। শাহিন ও তুহিন, দ্বিতীয় ছেলে ও মেয়েকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে বাবার সম্পত্তি ও ফসলি জমি ইচ্ছে মাফিক অবৈধপন্থায় নিজেদের নামে লিখে নিতে চাচ্ছেন। এ অসৎ কাজে সহায়তা না করায় নিজ সন্তানের হাতে নির্যাতনের শিকার আমি। কেঁদে কেঁদে এসব কথা বলেন মাজেদা বেগম।

মাজেদা বেগম আরো বলেন, সন্তানদের লাথির আঘাতে মেরুদণ্ডের হাড়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সময় তারা কিল ঘুষি ও গলা চেপে ধরে। এরই মধ্যে চিকিৎসক জানিয়েছেন, আমার গলায় বাসা বেঁধেছে ক্যান্সার। ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই দ্বিতীয় ছেলে নাজমুল হক মনিরের সহযোগিতায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দুই ছেলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িসহ অন্য বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাজেদা বেগম বলেন, ‘সংসার জীবনে তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে। আক্ষেপ করে বলেন, সবাইকে তিনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। কিন্তু দুই ছেলেকে মানুষের মতো মানুষ করতে পারেননি।’ মাজেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে কিছুটা অসুস্থ। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে আমার দুই ছেলে। নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার আশা জানিয়ে তিনি ছেলেদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, ছেলেদের হাতে বেধড়ক মারধরের পর একেক জায়গায় একেক সময় অবস্থান করার পর ৮ সেপ্টেম্বর তিনি স্বামীর বাড়ি থেকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের কার্লি গ্রামের বাবার বাড়ি চলে এসেছেন। ছেলেদের অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পারিবারিকভাবে কোনো সমাধান না পেয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন তিনি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »