১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৭:০৪
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মনিরানী মোহন্ত খুঁজে পেয়েছেন তার শেষ আশ্রয়স্থল!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, অক্টোবর ১০, ২০১৭,
  • 374 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

১৪ বছরের কিশোরী মনি রানী মহন্ত। নিরাশ্রয় হয়ে ঘুরেছে আশ্রয়ের আশায়। স্বজনদের কাছেও মিলেনি আশ্রয়। স্বজনসহ প্রতিবেশীরাও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। বিষয়টি গণমাধ্যমের দৃষ্টিগোচর হয়।মেয়েটি এখন যাবে কোথায়শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর থেকেই সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের নজরে আসে বিষয়টি

অবশেষেমাইনোরেটি ওয়াচএর সহায়তায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় নিত্যানন্দ গোস্বামী নয়নের প্রতিষ্ঠিত মানব কল্যাণকামী অনাথালয়ে মঙ্গলবার(১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আশ্রয় মিললো কিশোরী মনিরা মোহন্তের।
মঙ্গলবার সকালে নওগাঁ থেকে মনিরানী মোহন্তকে মাইনোরিটি ওয়াচের সহসভাপতি টি. কে. পাণ্ডে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অবস্থিত মানব কল্যাণকামী অনাথালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নিত্যানন্দ গোস্বামী নয়নের কাছে তাকে বুঝিয়ে দেন

মনিরানী মোহন্ত জানায়, আমার রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের কাছে আশ্রয় না পেলেও এই আশ্রমে আশ্রয় পেয়ে আমি আনন্দিত। এই আশ্রমই এখন আমার পরিবার। আমি এখানে থেকে পড়াশোনা করে অনেক অনেক বড় হতে চাই

মাইনোরিটি ওয়াচের সহসভাপতি টি. কে. পাণ্ডে বলেন, নিরাশ্রয় অসহায় এই মেয়েটির জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে গিয়ে আমরা নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় মানব কল্যাণকামী অনাথালয়ের সন্ধান পাই। পরে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা নিত্যানন্দ গোস্বামী নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে মনিরাকে তাঁর কাছে বুঝিয়ে দিই। মনিরানীর বিবাহের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত মাইনোরিটি ওয়াচ মনিরার অভিভাবক হিসেবে দায়দায়িত্ব পালন করবে

উল্লেখ্য, ১৪ বছর বয়সের কিশোরী মনিরানী রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের হুলিখালী গ্রামের স্বপন কুমার মোহন্তের মেয়ে। বাবা স্বপন কুমার মোহন্ত বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে কীর্তণ গাইতেন। তার মা বুলবুলি রাণী মোহন্ত ছিলেন গৃহিণী। ২০০৮ সালে বুলবুলি রানী মোহন্ত পরকীয়া প্রেমের জের ধরে ধর্মান্তরিত হয়ে এলাকার এক মুসলমান ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। তখন মনিরার বয়স ছিল পাঁচ বছর

এরপর ক্ষোভে বাবা স্বপন কুমার মোহন্ত নিরুদ্দেশ হন। দিদিমা বিনার (৬৭) কাছে কিছুদিন ছিল মনিরা। পরে উত্তম রায় নামের নওগাঁ শহরের একজন ব্যবসায়ী মনিরাকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান

সেখানে বেড়ে ওঠে সে। উত্তম রায়ের বাড়িতেই সে কাজ করত। সম্প্রতি উত্তম রায়ের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তিনি মনিরাকে তার বাড়িতে রাখতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি গত ১২ সেপ্টেম্বর সকালে ১৪ হাজার টাকাসহ মনিরার নিজ বাড়ি হুলিখালীতে তাকে পাঠিয়ে দেন।

হুলিখালীতে গিয়ে মনিরা তার
বাবামায়ের খোঁজ শুরু করে। ওই দিন বিকেলে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে সে মায়ের কাছে যায়। উপজেলার দ্বীপপুর ইউনিয়নের লাউবাড়িয়া গ্রামে তার মা ঘরসংসার করছেন। সেখানে তার মা তাকে আশ্রয় দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরে মনিরা তার দিদিমার আশ্রয়ে থাকতে চাইলে তার দিদিমাও তাকে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ তিনি নিজেই অন্যের বাড়িতে আশ্রিতা। এরপরই বিষয়টি গণমাধ্যমে উঠে আসে প্রান্ত হালদার

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »