২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ রাত ১২:১৯
ব্রেকিং নিউজঃ
বিমানবন্দরে সাফজয়ী কৃষ্ণা রানীর আড়াই লাখ টাকা চুরি ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ঢাকায় কপাল পুড়বে ১৪০ এমপির প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সঙ্গী হলেন যারা কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদীতে হিন্দুদের বাড়ি-ঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। রাঙ্গামাটিতে সুভাষ দাস ও মনি দাস দম্পতিকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক নির্যাতন ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

ভূমধ্যসাগরে দুই দিনে ২১৫ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, জুন ২২, ২০১৮,
  • 370 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দুই দিনে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে লিবিয়া ছেড়ে ইউরোপে ঢুকতে গিয়ে ২১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, মঙ্গলবার ১০০ যাত্রী একটি কাঠের নৌকায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়। নৌকাটি ডুবে গেলে ৯৫ জন নিহত হন। পরে লিবিয়ান ন্যাশনাল গার্ড দেশটির রাজধানী ত্রিপলির কাছ থেকে নৌকাটি উদ্ধার করে। একইদিনে উপকূলের আরেক স্থানে একটি নৌকা ডুবে ৭০ জন নিহত হন। ওই নৌকাটিতে ১৩০ জন যাত্রী ছিলেন।

প্রথম ঘটনাটির উদ্ধার হওয়া ৫ জনকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ৬০ জনকে আবার লিবিয়ায় ফেরত নেয়া হয়েছে। তবে তাদের কোনো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে কি না তা জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।

একদিন পর কোস্ট গার্ডকে ত্রিপলি থেকে ৪০ মাইল পূর্বে গারাবুলিতে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখান থেকে ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলছেন, এইসব মৃত্যুই প্রমাণ করে যে যুদ্ধ ও দারিদ্রের কারণে মানুষ এখনও তাদের সবটুকু সঞ্চয়, সম্মানের বিনিময়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেচ্ছে নিচ্ছে, শেষ পর্যন্ত যার জন্য তাদের নিজের জীবনটাও দিতে হচ্ছে।

এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনাগুলো বিরল নয়। লিবিয়া ছাড়তে গিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতেও ৯০ জন নিহত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিল জাতিসংঘ। আর লিবিয়ান নৌবাহিনী জানিয়েছিল এপ্রিলে মারা যায় আরও ১১ জন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী লিবিয়াতে ৭ থেকে ১০ লাখের মতো অভিবাসী রয়েছে। আর দেশটির মোট জনসংখ্যা ৬২ লাখের মতো।

আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তেলের মজুদ রয়েছে এই লিবিয়াতে। আর সে কারণে এ দেশটিকে অনেকে সৌভাগ্যের দুয়ার বলে মনে করেন।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সহিংসতা এবং দারিদ্যের আঘাতে জর্জরিত হয়ে আছে লিবিয়া। ২০১১ সালে দেশটির সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। সেটির পর এখন দেশটিতে দ্বিতীয় দফার গৃহযুদ্ধ চলছে। দেশটিতে বিদ্যমান ক্রীতদাস ব্যবসা নিয়ে সিএনএনের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এসবের পরও লিবিয়ায় অভিবাসনে ভাটা পড়েনি। সংঘর্ষ এড়িয়ে ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক, উপমহাদেশের এমন সবার কাছে ভৌগলিক কারণে লিবিয়ার আলাদা জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে লিবিয়া থেকে ইতালিতে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ ঢোকে

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »