২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সকাল ১০:২৭
ব্রেকিং নিউজঃ
বিমানবন্দরে সাফজয়ী কৃষ্ণা রানীর আড়াই লাখ টাকা চুরি ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ঢাকায় কপাল পুড়বে ১৪০ এমপির প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সঙ্গী হলেন যারা কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদীতে হিন্দুদের বাড়ি-ঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। রাঙ্গামাটিতে সুভাষ দাস ও মনি দাস দম্পতিকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক নির্যাতন ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

বাংলার প্রথম দুর্গাপূজা কোথায় হয়েছিল?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৮,
  • 191 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

 

বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। সারা বছর বিশ্বের সমস্ত বাঙালি অপেক্ষা করে থাকে দুর্গাপূজার জন্যে। বছরের এই ৪টা দিন সবকিছু ভুলে গিয়ে মনে প্রাণে আনন্দ নেওয়ার দিন।

পুরাণমতে, রাজা সুরথ বাংলার প্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেন। বলা হয় বাংলার গড়জঙ্গলে নাকি এই পুজোর আয়োজন করেন তিনি। মেধস মুনির কাছ থেকে দীক্ষা নিয়েই সুরথ রাজা পুজো করেন। আজও এখানে হয়ে আসছে পুজা। মা এখানে অষ্টভূজা সিংহবাহিনী। পুজোর শেষে এখানে ‘বন্দে মাতরম্’ বলা হয়ে থাকে। দেবী চৌধুরানিও নাকি এখানে পুজা দিয়েছেন।

বসন্তে তিনি এই পূজার আয়োজন করায় দেবীর এ পূজাকে বাসন্তী পূজাও বলা হয়। কিন্তু রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে শ্রী রামচন্দ্র দুর্গাপূজার আয়োজন করেছিলেন। তাই শরৎকালের এই পূজাকে হিন্দুমতে অকালবোধনও বলা হয়।

ধর্মমতে, এই দিনে দেব-দেবীকুল দুর্গাপূজার জন্য নিজেদের জাগ্রত করেন। মহালয়ার দিন ভোরে মন্দিরে মন্দিরে শঙ্খের ধ্বনি ও চন্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে আবাহন জানানো হয়।

পুরাণে আছে, দুর্গোৎসবের তিন পর্ব। যথা: মহালয়া, বোধন আর সন্ধিপূজা। মহালয়ায় পিতৃপক্ষ সাঙ্গ করে দেবীপক্ষের দিকে যাত্রা শুরু হয়।

ধর্মে মতে, পিতৃপক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। মৃত আত্মীয়-পরিজন ও পূর্বপুরুষদের আত্মার মঙ্গল কামনা করেন অনেকে। পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশে জল-তিল-অন্ন উৎসর্গ করে তর্পণ করা হয়। এরপর শুরু হয় দেবীপক্ষের। এই দেবীপক্ষকে বলা হয় সবচেয়ে শুভদিন। এ সময় সব ধরনের শুভ কাজ সম্পন্ন করা যায়।

পুরাণে আছে অশুভ অসুর শক্তির কাছে দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হয়েছিলেন। চারদিকে অশুভের প্রতাপ। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হলেন দেবতারা। অসুর শক্তির বিনাশের জন্য দেবতাদের তেজরশ্মি থেকে আবির্ভূত হন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »