৬ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৮:০১
ব্রেকিং নিউজঃ
বিমানবন্দরে সাফজয়ী কৃষ্ণা রানীর আড়াই লাখ টাকা চুরি ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ঢাকায় কপাল পুড়বে ১৪০ এমপির প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সঙ্গী হলেন যারা কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদীতে হিন্দুদের বাড়ি-ঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। রাঙ্গামাটিতে সুভাষ দাস ও মনি দাস দম্পতিকে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক নির্যাতন ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

শহীদের রক্তমাখা লাশের ওপর দণ্ডায়মান লাল-সবুজের পতাকার গ্রাফিতি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮,
  • 251 সংবাদটি পঠিক হয়েছে
৩০ লাখ শহীদের ‘রক্তমাখা লাশের ওপর দণ্ডায়মান’ বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা–মহান মুক্তিযুদ্ধের বিষয়কে ধারণ করে এমন একটি গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এতে ফুটে ওঠেছে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের অবদান এবং বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যের চিত্র। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের চলচ্চিত্র সংসদের দেয়ালে এ গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়।গ্রাফিতিতে দেখা যাচ্ছে, ৩০ লাখ শহীদের রক্তমাখা লাশের ওপর দাঁড়িয়ে আছে আমাদের জাতীয় পতাকা। পতাকার লাল অংশ মনে করিয়ে দিচ্ছে আমাদের শহীদের বুকের তাজা রক্তের কথা। পতাকার বাকি অংশ জুড়ে রয়েছে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, যা সবুজ রঙে ভরে আছে। এই দুটি রঙই আমাদের চেতনার রঙ। পাশে মুক্ত বাংলার আকাশে স্বাধীনভাবে শান্তির পায়রা উড়ছে। হলুদ রঙের ভোরের সূর্যটাও বলে দিচ্ছে বাংলার স্বাধীনতার কথা। গ্রাফিতিতে ফুটে উঠেছে শহীদের অবদানের কথা। এই গ্রাফিতিটি অঙ্কন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম মাহি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারুকলা অনুষদের মাজহারুল ইসলাম মাহি বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যেসব মহান ব্যক্তিরা শহীদ হয়েছেন । সেসব ত্রিশ লাখ শহীদের লাশের পাহাড়ের ওপরে আমাদের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলিত হয়েছে। স্বাধীনতার সূর্যটাও শহীদদের লাশের ওপর দিয়ে উদিত হয়েছে। এই গ্রাফিতিতে সেসব মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। যা থেকে আমরা অতীতকে স্মরণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিজয়ের মাস এলেই আমরা শহীদদের স্মরণে এধরনের গ্রাফিতি অঙ্কন করি। গত বছরও এধরনের একটি গ্রাফিতি আঁকা হয়েছিল। সেটাতেও শহীদের আত্মত্যাগের অবদান তুলে ধরা হয়েছিল।’

গ্রাফিতির বিষয়ে চলচ্চিত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক পিটার জেভিয়ার রোজারিও  বলেন, ‘স্মৃতির বিজয়টাকে স্মরণ করতে গত বছর থেকে আমরা এধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। স্বাধীনতার সকল শহীদদের রক্তে আমাদের এই বিজয়। তাদের আত্মত্যাগে আমাদের আজকের স্বাধীনতা। শুধু বিজয়ের মাসে নয়, এই গ্রাফিতি দেখে সারা বছর মানুষ যাতে তাদের স্মরণ করে।’

এই সংগঠনের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের যে অর্জিত স্বাধীনতা তাদের স্মরণে আমরা এধরনের কর্মসূচি নিয়েছি।’

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »