৬ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৭:১৬

লিভারের সুরক্ষায় নিয়মিত খেতে হবে এই ৮টি খাবার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, নভেম্বর ১, ২০১৭,
  • 138 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

আমাদের দেহে যা কিছু্ই প্রবেশ করে তা প্রসেস করে আমাদের লিভার। আর এ কারণেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটি।

যার নিয়মিত যত্ন না নিলে আপনি অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারেন।
প্রোটিন, কোলোস্টেরল এবং পিত্তরস উৎপাদন থেকে শুরু করে ভিটামিন, খনিজ ও কার্বোহাইড্রেটস সংরক্ষণ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ করে লিভার। এছাড়া অ্যালকোহল সহ আরো নানা ধরনের প্রাকৃতিক বিষাক্ত পদার্থ নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার কাজও করে লিভার। সুতরাং লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে আপনার সহায়ক হতে পারে বেশ কিছু খাদ্য। আসুনে জেনে নেওয়া যাক।

১. রসুন

রসুনে আছে সেলেনিয়াম যা লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি বলে গণ্য হয়। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং দেহকে বিষমুক্ত করে। এতে আরো আছে আরজিনিন যা একটি অ্যামাইনো এসিড এবং রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে রক্তচলাচলের জন্য আরো উপযোগী করে তোলে।

এবং লিভারে রক্তের চাপ কমায়।
২. অলিভ অয়েল

এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল দেহ থেকে খাদ্যবিষ শুষে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে ফলে লিভারের কাজেও সহায়ক ভুমিকা নেয়।

৩. ভেষজ এবং সবজি

সবুজ শাক-সবজি ধাতব, রাসায়নিক এবং কীটনাশককে নিষ্ক্রিয় করে দেয় যেসব আপনি খাবার এবং পরিবেশ থেকে গ্রহণ করেন। এজন্য স্পিনাক, বিটরুট, ব্রকলি এবং কলিফ্লাওয়ার খেতে পারেন আপনি।

৪. গ্রিন টি

গ্রিন টি-তে আছে ক্যাটেচিনস নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফ্ল্যাভোনয়েড অর্গানিক গোষ্ঠীভুক্ত। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস এই খাবারটি নানা ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৫. মৌসাম্বি লেবু বা মালটা

এতে আছে ভিটামিন সি। এবং গ্লুটাথিয়োন যা লিভার থেকেও বের হয়। একটি মালটায় ৭০ গ্রাম গ্লুটাথিয়োন থাকে যা লিভারকে শরীর বিষমুক্ত করতে সহায়ক এনজাইম নিঃসরণে সহায়তা করে।

৬. আখরোট

আখরোটে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং স্বাস্থ্যকর অপাস্তুরিত চর্বি যা লিভারে চর্বি জমতে বাধা দেয়। এই স্বাস্থ্যকর চর্বি লিভারের কোষগুলোর চারপাশে শক্তিশালী কোষ ঝিল্লি সৃষ্টিতে সহায়ক।

৭. আপেল

আপেলে আছে পেকটিন যা শরীরকে পরিষ্কার এবং বিষমুক্তকরনে জরুরি। এটি লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে দেয় না।

৮. হলুদ

হলুদে আছে কারকিউমিন নামের একটি সক্রিয় উপাদান যা একটি কার্যকরী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহরোধী উপাদান। এটি পিত্তনালীকে রক্ষা করে এবং পিত্তরসের গতি বাড়ায় এবং লিভারকে পরিষ্কার করে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »