২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ২:০৭
ব্রেকিং নিউজঃ
বনগাঁ বিধায়ক স্বপন মজুমদারের করা হুশিয়ারী পেট্রাপোল স্থল বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে। কুমিল্লায় মুর্তির পায়ে রেখে কোরান অবমাননাকারী গ্রেফতার তিন ! সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান, ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ এসোসিয়েশনের। সোমবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ: রাত ২:০৩ AVBP বাড়ি Breaking News বিভৎস নোয়াখালী, ‌ভো‌রের আলো ফুট‌তেই পুকু‌রে ভে‌সে উঠ‌লো আ‌রও এক ইসক‌নের সাধুর মৃত‌দেহ পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরআন পাওয়া এবং সেটিকে কেন্দ্র করে সহিংসতা সমগ্র বাংলাদেশে। কুমিল্লায় ফেসবুক লাইভে উত্তেজনা ছড়ানো ফয়েজ আটক ভারতে যেন এমন কিছু না হয়, যার জন্য বাংলাদেশের হিন্দুদের ভুগতে হয়! কুমিল্লা নিয়ে হুঁশিয়ারি হাসিনার চীনকে মোকাবিলায় লাদাখে ভারতের কামান কলকাতার মণ্ডপে বুর্জ খলিফা এবং তালেবান মাতার প্রতীকে মমতা

নির্বাচন সংখ্যালঘু‌দের জন্য আনন্দের না, আতঙ্কের: জাগো হিন্দু পরিষদ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ রবিবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮,
  • 89 সংবাদটি পঠিক হয়েছে
নির্বাচন সংখ্যালঘুদের জন্য আনন্দের না হয়ে, আতঙ্কে পরিণত হয়েছে বলে অভি‌যোগ করেছেন ‘জাগো হিন্দু পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন।শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ স‌ম্মেল‌নে সংগঠ‌নের সহ-সভাপ‌তি অভি‌জিৎ ব‌নিক বলেন, ‘১৯৭৫ পরবর্তী কোনও জাতীয় নির্বাচন সংখ্যালঘুদের জন্য সুফল বয়ে আনেনি। এনেছে নির্যাতন আর আর্তনাদ। অনেকেই ঘরবাড়ি হারিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।’

অভিজিৎ বনিক আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালের পর থেকে পরাজিত ও জয়ী সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও দলীয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের দ্বারা সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হয়ে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও রাষ্ট্রের ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা সংখ্যালঘু নির্যাতনের সময় নীরব ভূমিকা পালন করে। তাই একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অতীতের মতো মঠ-মন্দির, বাড়িঘর, পূর্বপুরুষের ভিটা বাড়িতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামলা করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি।’

জাগো হিন্দু পরিষদের এই নেতা আরও বলেন, ‘১৯৪৭ সালে পাকিস্তান-ভারত বিভক্তির সময় সংখ্যালঘু ছিল ২৯.৭ শতাংশ। ১৯৭০ সালে ২০ শতাংশ। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার শিকার হয়েছে, ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। কিন্তু তারা মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল স্বাধীন দেশের জন্য। আজকে সরকারি হিসাব মতে, সংখ্যালঘু ২০ শতাংশ থেকে ৯.৭ শতাংশে নেমে এল কেন?’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, সংখ্যালঘু থাকা মানে গণতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকা, মুক্তিযুদ্ধের অস্তিত্ব থাকা। দেশ যদি সংখ্যালঘু শূন্য হয়ে যায়, তাহলে অনিবার্যভাবেই হয়তো গণতন্ত্রের পথে এক নতুন সংকট সৃষ্টি হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে সংখ্যালঘুদের রক্ষায় নির্বাচন কমিশনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে ১০টি দাবি তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জাগো হিন্দু পরিষদের সভাপতি সঞ্জয় বনিক ও সাধারণ সম্পাদক নিতাই দেবনাথ প্রমুখ।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »