২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৮:০০
ব্রেকিং নিউজঃ

বিনা পয়সার যে খাবারটি আজীবন আপনার শক্তি ধরে রাখে, নতুন চুলও গজাবে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৯,
  • 108 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

সমস্যা সমাধান ও রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা কত কিনা করি। চিকিৎসা করতে গিয়ে বেশ ক্ষতি ডেকে আনি নিজেদের জন্যই। কষ্ট লাঘবে তখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টা মাথায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড জ্বর, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগে অ্যান্টিবায়োটিকও চলে আকছার।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ওই সব ওষুধগুলির দামও অনেক সময় নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে হয়ে যায়। অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভেষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। অনেক সময় জেনেও, বিশ্বাস হয় না। তেমনই একটি ভেষজ উদ্ভিদ হল থানকুনি। থানকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে। কথায় বলে, পেট ভালো থাকলে মনও ফুরফুরে থাকে। চিকিত্‍সকরাই বলছেন, থানকুনি পাতার এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, মিয়মিত খেতে পারলে, পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর-স্বাস্থ্য তো সতেজ থাকেই, ছোট থেকে খাওয়াতে পারলে বুদ্ধিরও বিকাশ হয়। দেখে নেওয়া যাক, যৌবন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থানকুনি পাতার ভেষজ গুণগুলি।


১. পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।

২. শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।

৩. থানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪. থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

৫. মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।

৬. পুরনো ক্ষত কোনও ওষুধেই না সারলে, থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার জল লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।

৭. থানকুনি পাতা চুল পড়া আটকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

৮. বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।

৯. দাঁতের রোগ সারাতেও থানকুনির জুড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা করলে একটা বড় বাটিতে থানকুনি
পাতা সিদ্ধ করে, তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় চটজলদি।

নিয়মিত বাদাম খান, হৃদরোগজনিত জটিলতা কমান


পার্কে বসে, ভ্রমনের সময়, হাঁটতে হাঁটতে কিংবা গল্প করার ফাঁকে চীনাবাদাম খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। খোসাসহ ভাজা, খোসা ছাড়া ভাজা, লবণ দেয়া কিংবা কাঁচা নানা ভাবেই এটি খাওয়া যায়। মাটির নীচে হয় বলে এটাকে চীনাবাদাম বলা হয়্ । এছাড়া বিভিন্ন ভাষায় এর ভিন্ন ভিন্ন নাম আছে। চীনাবাদাম বিভিন্ন খাবার তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।

চীনাবাদামে নানা ধরনের পুষ্টি গুণ রয়েছে। এটি প্রোটিন, ম্যাঙ্গানিজ, নিয়াসিন, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ই, থায়ামিন, ফসফরাস, বায়োটিন এবং ম্যাগনেশিয়ামের ভাল উৎস। চীনাবাদাম প্রচুর পরিমাণে মোনোস্যাচুরেটেড এবং বিভিন্ন ধরনের ফ্যাট রয়েছে যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত এই বাদাম খেলে হৃদরোগজনিত জটিলতা কমে।

চীনাবাদামে প্রচুর পরিমাণে বেটা সিটোস্ট্রেরল উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চীনাবাদাম খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি শতকরা ২১ ভাগ কমে যায়।


চীনাবাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকায় গর্ভাবস্থায় এটি খেলে শিশুর জন্মজনিত ত্রুটি প্রতিরোধে করা যায়। এ কারণে গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৪০০ গ্রাম চীনাবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চীনাবাদামে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকায় এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। চীনাবাদামে উপস্থিত ট্রিপটোফেন হতাশা কমাতে সাহায্য করে।

চীনাবাদামের উপকারিতা পেতে খোসাসুদ্ধ বাদাম কেনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্যাকেটজাত বাদামে অনেক ধরনের রাসায়নিক দেয়া থাকে। এ কারণে কাঁচা বাদাম কিনে সারাবছর এয়ারটাইট প্লাস্টিক কন্টেইনারে সংরক্ষণের কথা বলেছেন তারা। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »