১৪ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৮:৫৩

বাংলাদেশের হিন্দু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, মে ১২, ২০২১,
  • 73 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

কৃত্তিবাস ওঝা

প্রথম অধ‍্যায়
পর্ব―২
পাকিস্তান আমলে না না ধরনের বৈষম্য, অত‍্যাচার ও বীভৎস সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েও যখন হিন্দুদের বিতাড়িত করা যাচ্ছিল না, তখন পাকিস্তান সরকার হিন্দুদের স্থাবর সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য ‘শত্রু সম্পত্তি’ – নামক একটি আইন প্রণয়ন করে, যা ছিল হিন্দুদের জন্য পারমাণবিক বোমার থেকেও মারাত্মক। এই শত্রু সম্পত্তি আইনে বাবা তার সমস্ত কৃষি জমি হারিয়ে, মোটামুটি সচ্ছল গৃহস্থ থেকে- একেবারে নিঃস্ব হয়ে যায়। বাবার ভাগ্যের এমনই নির্মম পরিহাস, রাষ্ট্রীয় বৈষম্যে তাকে তার জমির মালিকানা হারিয়ে- নিজের জমিতেই বর্গা চাষ করতে হয়েছে।
কৃষিকাজ ছাড়াও পরিবারের অল্প-সামান্য বাড়তি আয়ের উৎস ছিল, আমাদের সম্মিলিত পারিবারিক পরিশ্রমে বাঁশ, বেত ও হোগলপাতা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সাজি, ডোলা, চাঁই, ঝুড়ি, হোগলা ইত্যাদি বানিয়ে বাজারে বিক্রয় করা। এছাড়া বসতবাড়ির সীমিত পরিসরে হাঁস, মোরগ, গরু-ছাগল পেলে কিছু টাকা আয় হতো।
পাকিস্তান পূর্ববঙ্গে হিন্দু নিধনযজ্ঞে সাফল্য পেয়ে- ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের উপর বিমান হামলা চালায়। ভারত যুদ্ধ ঘোষণা করে প্রতিআক্রমণ করলে, ১২ দিনের যুদ্ধে পাকিস্তান পরাজিত হয় এবং ঢাকার মাটিতে ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। যা ছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতিহাসের সর্ববৃহৎ আত্মসমর্পণ। ফলশ্রুতিতে পাকিস্তান দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়।
স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ‘শত্রু সম্পত্তি’ আইনটির নাম পরিবর্তণ করে, ‘অর্পিত সম্পত্তি’ রাখে এবং তার ফলে হিন্দুদের সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ অভিযান যথারীতি বলবৎ থাকে। পাকিস্তান আমলের মতো স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রেও, হিন্দুরা বিষয়-সম্পত্তি হারিয়ে চরম দরিদ্র ও সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশায় নিপাতিত হতে থাকে।
দাদা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায় নি। একেবারে ছোটবেলা থেকে তাকে বাবার কৃষি ও পারিবারিক কাজে সাহায্য করতে হয়েছে। এর পাশাপাশি সে খাল, নালা ও মাঠে জমে থাকা জলে মাছ ধরে, বাজারে বিক্রি করে- যৎসামান্য ব‍্যক্তিগত রোজগার করতো।
বিমাতা সংসারের অধিকাংশ কাজের বোঝা চাপিয়ে দেয় দিদির ঘাড়ে। রান্নাবাড়ার সমস্ত কাজ, দিদির একার হাতেই সম্পন্ন হতো। অন্নবণ্টনের ক্ষেত্রে দিদির কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ছিল না। অন্ন পরিবেশনের সময় বিমাতা সম্রাজ্ঞীর ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থেকে নির্দেশ দিত যে, কার পাতে কোন খাবার- কি পরিমাণে উঠিয়ে দিতে হবে। দিদি সুযোগ পেলে আমাকে এটা সেটা লুকিয়ে খাওয়াতো।
একদিন শুনলাম, দিদি আমার প্রসঙ্গে দাদাকে বলছে, ”…মদনা যে বিলে মাইর খায়, কোন দিন জানি হোয়াসটুক(জীবন) চইল্লা যায়। অরে ইসকুলে দেলে কেমন হয়।”
দাদা বলে, “মোরা ছোডলোক, ল‍্যাহাপড়া হিইখ‍্যা কি হইবে! ওয়াথে টাহা লাগে।”
দিদি বলে,”যে ডু শেহে। কালির আচড়ডুক(বর্ণমালা) হেখলেও তো কাম হইবে।”
দিদি প্রতিবেশী এক ছাত্রীর পরিত্যক্ত কোনাভাঙ্গা একটি স্লেট কুড়িয়ে আনে। দাদা মাটি পুড়িয়ে পেন্সিল বানিয়ে দেয়। দিদি অনেক বাড়ি ঘুরে, পৃষ্ঠা ছেড়া পুরানো একটি ‘আদর্শ লিপি’ বই সংগ্রহ করে আনে। আমার একমাত্র শতচ্ছিন্ন শার্টটি গায় দিয়ে, দাদার সঙ্গে স্কুলে ভর্তি হতে গেলাম।
পাশের গ্রামের বাসিন্দা খেয়ালী স্বভাবের নিবারণ স‍্যার, স্কুলের খাতায় নাম তোলার সময় আমার নাম জিজ্ঞেস করলেন। আমি বললাম, ‘মদন’।
তিনি বললেন, “এই নাম ইসকুলে চলে নাহি! হোন ছ‍্যড়া, তোর নাম দিলাম ‘অভিনব’। এইডা এহন হইতে তোর ভালো নাম। আর হোন, তোর পদবী দিলাম ‘রায়’।
দাদা বললো, “কাঘু, মোগো বাপ দাদা চৌদ্দ গুষ্টির পদবী ‘ঘরামি’।”
“ওরে গাধা! চিরকাল কি তোরা চাঁড়াল হইয়া থাকতে চাও নাকি! আগের কালে মাইনষের প্রেভাব-প্রতিপত্তি হইলেই হ‍্যারা ‘রায়’ পদবী লাগাইতো। ল‍্যাহাপড়া শিইখ‍্যা মোগো প্রেভাবশালী হইতে হইবে। আর ‘রায়’ পদবী ব‍্যবাক জাতের মধ্যেই আছে ― হেয়াতে নোমো জাত হউক, বাওন(ব্রাহ্মণ) হউক, আর হুদ্দুর(কায়স্থ) হউক।”
স্কুলের নিয়ম কানুন কেউ আমাকে শিখিয়ে দেয় নি। ক্লাস রূমে শিক্ষক ঢুকলে যে উঠে দাঁড়াতে হয়, আমি জানতাম না। রোলকল করলে যে সাড়া দিতে হয়, তা-ও জানতাম না। যে কারণে ক্লাস টিচারের হাতে বেধড়ক বেতের বাড়ি খেয়ে, আমার শিক্ষা জীবন শুরু হয়।
সেকেন্ড পিরিয়ড ছিল অঙ্কের। অঙ্ক সম্পর্কে আমার কোন ধারণাই ছিল না। প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারায়, পুনরায় শিক্ষকের বেতের বাড়ি পিঠে পড়তে লাগলো। পাশে বসা একটি ছেলে বলে উঠলো,”স‍্যার ও আইজগো ক‍্যাবল ভর্তি হইছে। গ‍্যাছে পিরডেও ম‍্যলা মাইর খাইছে।”
বেতের বাড়ি থামলো। কৃতজ্ঞতাবশত পাশের সেই ছেলেটির প্রতি আকৃষ্ট হলাম। দেখতে দেখতে তার সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। ছেলেটির নাম পরিমল চক্রবর্তী।
আমাদের ক্লাসে আমি ছিলাম সবচেয়ে ক্ষীণ স্বাস্থ্যের। বেশ কয়েকজন মুসলিম সহপাঠী ছিল, যারা আমার থেকে অধিক বয়সী ও লম্বা-চওড়া। তাদের মধ্যে কয়েকটি ছেলে ছিল প্রচণ্ড হিন্দু বিদ্বেষী। সনাতন ধর্ম ও দেব-দেবীদের অশ্লীল গালিগালাজ করতো। আমরা ক্লাসে অল্প কয়েকজন হিন্দু ছাত্র ছিলাম। ঐ হিন্দু বিদ্বেষী সহপাঠীরা কথায় কথায় আমাদের মারতো। আমাদের …(অভিশপ্ত) বলে ডাকতো। আমরা আগে গিয়ে সামনের বেঞ্চে বসলে, ওরা জোর করে আমাদের উঠিয়ে দিয়ে, নিজেরা বসতো।
আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন একজন মৌলানা। আমরা তাকে ‘হুজুর স‍্যার’ বলে ডাকতাম। তিনি ছিলেন একজন ব‍্যতিক্রমি মানুষ।
হুজুর স‍্যার, একদিন ক্লাসে বললেন,”হিন্দু পোলাপান রোজ পেছনের বেঞ্চে বয় ক‍্যা!”
তিনি সামনের বেঞ্চে বসা অধিক উচ্চতার মুসলিম ছাত্রদের বললেন, “তোরা পেত্তেক দিন অগো হোম্মের বেঞ্চে গোনে উডাইয়া দেও, হেইয়া না!”
প্রতিটি বেঞ্চে পাঁচ জন করে ছাত্র বসার নিয়ম ছিল। হুজুর স‍্যার নির্দেশ দিলেন, সামনের দিকের প্রতিটি বেঞ্চের দুই কোনায়, দু’জন করে হিন্দু ছাত্র বসতে দিতে হবে। অবশ‍্য কেবলমাত্র হুজুর স‍্যারের ক্লাসেই ঐ নির্দেশ মান‍্য করা হতো। অন‍্যান‍্য ক্লাসে আমরা পিছনের বেঞ্চে গিয়ে বসতে বাধ‍্য হতাম।
হুজুর স‍্যার ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একদিন আমাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বললেন,”অর আম্মার দ‍্যাশের লইগ্গা অবদান আছে। এই বেইমান জাতি হেইয়ার কোন মূল‍্যায়ন হরবে না। এই হারামি জাতি আ্যহনো পাকিস্তানের লইগ্গা কান্দে,খালি কান্দে…”
হুজুর স‍্যারের ঐ মন্তব্যের সাংঘাতিক প্রতিক্রিয়া হলো! ক্লাসের মধ্যে অধিক বয়স্ক মুসলমান সহপাঠীরা মা-কে নিয়ে জঘন্য সব কথা বলতে আরম্ভ করলো। ওদের দেখাদেখি উপরের ক্লাসের ছাত্ররা আমাকে দেখলেই মা-কে নিয়ে আজেবাজে কথা বলতো। আমি নীরবে সে সব ইতরামি হজম করতে করতে ভাবতাম ― এই সমাজ ছেড়ে আমি এমন অচেনা জায়গায় চলে যাব, যেখানে এই সমস্ত নোংরা কথা শুনতে হবে না।
মুসলমান সহপাঠীদের অত‍্যাচারে আমরা হিন্দু ছাত্র যারা- পিছনের বেঞ্চে বসতে বাধ্য হতাম; আমাদের নিজেদের মধ্যেও কথায় কথায় বচসা হতো, তুচ্ছ কারণে হাতাহাতি মারামারি হতো। তবে যে দুর্বল, সে সবলের হাতে মার খেয়ে চুপচাপ থাকতো; আর সমানে সমান হলে তো কথাই নেই, যাকে বলে রাম-রাবনের যুদ্ধ। আমার সমকক্ষ ছিল, একটি শীর্ণকায় ব্রাহ্মণ বালক – নাম কৃষ্ণধন ভট্টাচার্য, ডাকনাম ‘কেষ্টা’। আমরা দু’জন ছিলাম, ক্লাসের সবচেয়ে হীনবল ছাত্র। কেষ্টা আমাকে ‘চাঁড়ালের পো’- বলে গালি দিয়ে আক্রমণ করতো। আমি তাকে ‘ভেড়ার লোম’-বলে পাল্টা আক্রমণ করতাম। অব্রাহ্মণ- হিন্দুরা সাধারণত ব্রাহ্মণ-দের ‘ভেড়ার লোম’ বলে গালি দিত। আমার বন্ধু পরিমল চক্রবর্তী, ক্লাসের সবচেয়ে ভালো ছাত্র। সে কারো সাথে মারামারি করতো না। মুসলমান সহপাঠীরাও তাকে কম মারতো; শিক্ষকদের সদা সুদৃষ্টি নিবদ্ধ থাকতো তার উপর।
পরিমল ও আমার বন্ধুত্বের মাঝে আরেকটি ছেলে এসে যুক্ত হয়। তার নাম সরোজ সমদ্দার। ডাকনাম ‘সরল’। সে একেবারেই সহজ সরল প্রকৃতির। সরল স্থানীয় নয়। আমাদের এলাকায় তার এক পিসির বাড়ি। ঐ পিসি তাকে ছোটবেলা থেকে কোলে-পিঠে করে বড় করেছে। ঐ পিসির বিয়ের পর, সরল যেমন তার পিছু নিয়েছে, ওর পিসিও ওকে ছেড়ে থাকতে পারে নি।
কয়েকদিন পরিমল স্কুলে আসছে না দেখে, সরল ও আমি মিলে এক পরন্ত বিকেলে পরিমলের বাড়িতে গেলাম। পরিমল ম‍্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাদের ঘরের ভিতরে শোয়া ছিল। আমরা ‘পরিমল’―বলে হাঁক দিয়ে, ওর প্রতিউত্তরে গন্তব্য নির্ণয় করে, ওদের ঘরের ভিতরের বারান্দায় ঢুকে, পরিমলের বিছানার উপর গিয়ে বসলাম। আর যায় কোথায়! পরিমলের বাবা তেড়ে এসে, আমার দিকে আঙুল তুলে কুকুরের মতো শিকারি দাঁত বের করে বললো, “তোর সাহস তো কোম না! ঘরের মধ্যে আইয়া ঢোকছো! শিগ্গির বাইর হ তুই ঘর দিয়া…”
আমি চুপচাপ ঘর থেকে বের হয়ে উঠানে গিয়ে দাঁড়ালাম। পরিমলের মা রাগে গজ্গজ্ করে বলতে লাগলো,”যত্তসব অনাসৃষ্টি! আ্যাহন এই অব‍্যালায় হাড়ি পাতিল খাবার দাবার ব‍্যাবাক ফালান লাগবে…”
আমি কি ভুল করে ফেলেছি, তা বুঝতে পারছিলাম না। গুটি-গুটি পায়ে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালাম। কিছু সময় পর সরল বের হয়ে এসে বললো,”হরছো কি তুই!”
একসঙ্গে দু’জন হাঁটতে শুরু করে বললাম,”মুই কি হরলাম!”
“চক্কোতি মশায়(পরিমলের বাবা) চ‍্যাচছে খালিখালি! অরা যে বাওন(ব্রাহ্মণ), তোর খেয়াল আল্লে না!”
“বাওন অইছে তো কি অইছে!”
“ওরে ব‍্যাডা, তুই নোমো। নোমোরা বাওন-হুদ্দুরের ঘরে ওঠতে পারে না!”
“তুই দেহি উডলি!”
“ওরে গরু, মুই তো হুদ্দুর। মোরা বাওন বাড়ির ঘরে-পাকের ঘরে ঢোকতে পারি।”
বাড়ি ফিরলাম। দাদা বাঁশের চ‍্যাড়া ছাচছিল। আমার দিকে না তাকিয়ে, কাজের প্রতি তীক্ষ্ণ নজর রেখে, বলতে লাগলো, “হাইঙ্গো দিন খালি টই টই! ল‍্যাহাপড়ায় ডডনং! কাম কাইজের নাম নাই, ওনারে ব‍্যাবাক্কে বওয়াইয়া বওয়াইয়া খাওয়াইবে!”
দাদার কথা গায় মাখলাম না। সে ও ধরনের কথা হরহামেশাই বলে। বললাম,”দাদো, মোরা বাওনগো ঘরের মইধ‍্যে ঢোকলে কি হয়?”
দাদা হাতের দাও মাটিতে রেখে, শূন্যে তর্জনী তুলে বললো, “ঐ হালার পো হালার ধারে যাইয়া জিগা।”
“দাদো, মোরা বাওন অইতে পারি না?”
“কামের কালে কোলোম ভ‍্যাগড়া প‍্যাচাল ভালো লাগে না কইলাম। জাতের গুষ্ঠি…(অশ্লীল গালি)। টনিডি খইড়াইয়া রাখছি, ঝাড়ে গোনে ঐডি যাইয়া লইয়া আয়। অমইল্লারে কইলাম, হে তো নবাব, মোগো নাহান চাহোর থাকতে হে কাম হরবে ক‍্যা!”
বাঁশ ঝাড় থেকে দাদার কেটে রাখা কঞ্চিগুলো এনে উঠানের পাশে জরো করে রেখে, দিদিকে গিয়ে বললাম, “হে দি, মোরা নামের আগায় যদি ‘চক্কোতি’ লাগাই, হেলেই তো মোরা বাওন হইয়া যাইতে পারি, হেইয়া না?”
“এই হাঁজের কালে এই রহম আনাডা কথা কইস না দেহি ভাইডি।”
আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম―যদি আমার কখনো দিন ফেরে, তাহলে এমন ব‍্যবস্থা করবো – নমঃশূদ্র পরিচয়ের জন্য আমাকে কেউ অপমান করার সুযোগ পাবে না। তোমাদের ঘরে গরু-ছাগল ঢোকে, হাঁস-মোরগ ঢোকে, কুকুর-বিড়াল ঢোকে, ইদুর-তেলাপোকা ঢোকে; তাতে তোমাদের ঘর অপবিত্র হয় না! তোমাদের ধর্ম নষ্ট হয় না! মানুষ ঢুকলে তোমাদের ঘর অপবিত্র হয়! তোমাদের ধর্ম নষ্ট হয়!
যে ধর্ম – যে সমাজ, জন্ম পরিচয়ের জন্য আমাদের প্রতি পদে পদে লাঞ্ছিত করে, অপমানিত করে; হয় এই সমাজ-ধর্ম বদলাবো, নতুবা এই অমানবিক ধর্ম ও সমাজ ছেড়ে চিরতরে দূরে চলে যাব।
(চলবে)

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »