৩১শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ রাত ১০:২৬

বনগাঁ বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরকে তৃনমূলের হত্যার প্রচেস্টা ব্যার্থ ।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, মে ৪, ২০১৯,
  • 247 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

আজ শনিবারই ছিল শেষ প্রচার। আর এ দিন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের উপর হামলার অভিযোগ উঠল। জানা গিয়েছে,গাড়ীতে পুলিশের স্টিকার লাগয়ে তৃনমূল ক্যাডার বাহানী হামলা চালায় তরুণ এই বিজেপি প্রার্থীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে গাইঘাটা হাসপাতালে। গাইঘাটার হাঁসপুরে এ দিন প্রচারে বেরিয়েছিলেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ, একটি পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি এসে ধাক্কা মারে তাঁর গাড়িতে। সেই সময়ে গাড়িতেই বসে ছিলেন প্রয়াত বড় মা বীণাপাণিদেবীর নাতি। মাথা ফেটে যায় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ি চেপে এসে তৃণমূলের লোকজনই এই ঘটনা ঘটিয়েছে । তৃণমূল এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, শান্তনুকে খুনের চক্রান্ত করা হয়েছে। গোটাটাই পরিকল্পিত ছিল। সম্পূর্ন ঘটনাই মমতা বালার সাজানো এমনি সাজানো নাটক করে বড়মাকে হত্যা করেছে দুই মমতা মিলে আজ শান্তনুকে হত্যার চেস্টা করেছে ঠাকুর সহায় পারেনি ।এরপর উত্তেজিত জনতা হাঁসপুর-গাইঘাটা রোড অবরোধ করে। শাসক দলের এক নেতা অবশ্য বিজেপি-র এই অভিযোগকে আজগুবি বলে কটাক্ষ করেন।

এই কেন্দ্রে তৃণমূল-বিজেপি’র লড়াই শুধু নয়, ঠাকুরবাড়ির দুই সদস্যেরও লড়াই। তৃণমূলের প্রার্থী, গতবারের সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। যিনি আবার শান্তনুর জেঠিমা। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই কেন্দ্রে মতুয়া ভোট অন্যতম ফ্যাক্টর। এবং সেই ভোটের দখল নিতে মরিয়া দুই শিবির। বড়মা বীণাপাণিদেবীর মৃত্যুর পরই বিজেপি নেতৃত্ব একপ্রকার ঠিক করে ফেলে, শান্তনুকে প্রার্থী করা হবে। সেই রাজ্য নেতৃত্ব নাম পাঠায় কেন্দ্রে। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা তাতে সিলমোহরও দিয়ে দেন।

কিন্তু কয়েকদিন আগেই শান্তনুকে নিয়ে অন্য জল্পনা দানা বাঁধে। ঠাকুরনগর থেকে কিছুটা দূরে বিজেপি-র প্রচারে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এসেছিলেন। কিন্তু মঞ্চে ছিলেন না শান্তনু। এর মাঝেই তৃণমূল রটিয়ে দেয়, বিজেপি-র সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না তাঁর। বাধ্য হয়ে পাশে চিকিৎসকদের বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতে হয় শান্তনুকে। সেখানে তিনি বলেন, অসুস্থতার জন্য যোগীর সভায় যাননি তিনি। এর মধ্যে কোনও অন্য কারণ নেই।তৃনমূল বুঝেগেছে এবার এ সিট হারাবে এই ভয়েই এই হত্যার প্রচেস্টা করা হয় । ভোটের একদিন আগে ফের এই ঘটনায় বনগাঁর নির্বাচনে উত্তাপ বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »