১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১২:০৬
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মাদ্রাসাকে ‘নিষিদ্ধ’ প্রতিষ্ঠান বললেন ঢাবি অধ্যাপক সাদেকা হালিম!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ সোমবার, মে ৬, ২০১৯,
  • 194 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাদেকা হালিম বলেছেন, মাদ্রসা তো ‘নিষিদ্ধ’ প্রতিষ্ঠান, সেখানে চাইলেই বাইরের কেউ ঢুকতে পারেন না। ফলে সেখানে কী হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা কতটুকু নিরাপদ, সেটা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই।

মঙ্গলবার ডয়চে ভেলেকে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখন একটা ঘটনা ঘটে গেছে, সবাই এটা নিয়ে কথা বলছে। আসলে আমাদের মূল জায়গাটা হলো আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ই হোক আর স্কুলই হোক।

তিনি আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শৈথিল্যের সমালোচনা করে বলেন, আদালতের আদেশ আছে, কিন্তু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই তো এটা মানছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলে তো উদ্যোগ নিতে পারে। কিন্তু তারাও কিছু করছে না।

অধ্যাপক হালিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় হয়ে স্নাতক এবং প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর পাস করেন এবং ১৯৮৮ সালের অগাস্টে ওই বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান । পরবর্তীতে তিনি কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে পড়তে যান কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে দ্বিতীয় মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি নেন ।

এরপর সাদেকা হালিম কমনওয়েলথ স্টাফ ফেলোশিপ নিয়ে পোস্ট-ডক্টরেট করেছেন যুক্তরাজ্যের বাথ ইউনিভার্সিটি থেকে।

২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত তথ্য কমিশনে প্রথম নারী তথ্য কমিশনার পদে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করেন সাদেকা হালিম।

২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই অধ্যাপক তিন মেয়াদে শিক্ষক সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও তিনবার সিনেট সদস্য ছিলেন। অধ্যাপক সাদেকা হালিম জাতীয় শিক্ষানীতি কমিটি-২০০৯ এর ১৮ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদের কমিটিতে সদস্য ছিলেন। পেশাগত জীবনে সাদেকা হালিম অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছেন অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার বকু বিশ্ববিদ্যালয়ে ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ ও আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টের কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হায়ার এডুকেশন লিংক প্রোগ্রামের অধীনে কুইন্স-এর ভিজিটিং ফেলো ছিলেন কিছুদিন।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার লেখা প্রায় ৫০টি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। লিঙ্গ-সমতা, বন ও ভূমি, উন্নয়ন, আদিবাসী ইস্যু, মানবাধিকার এবং তথ্য অধিকার প্রভৃতি তার গবেষণার বিষয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »