১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ রাত ১১:৫১
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

অনুব্রতর আতঙ্কে প্রেতাত্মাও এসেছিল ভোট দিতে, কপালে চোখ কমিশনের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, মে ৭, ২০১৯,
  • 166 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

এরই নাম অনুব্রত মন্ডল। তাঁর নির্দেশে দলের কর্মী তো দূর, স্বয়ং ভুত এসে বুথে গিয়ে আজ্ঞা পালন করেছে অনুব্রত মন্ডলের। বিকাশ সাহা, মারা গিয়েছেন ভোটের দিন সাতেক আগে, ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা হয়নি। ভোট গ্রহণ শেষ হবার পর দেখা গেল, সেই বিকাশ বাবু এসে দিব্যি ভোট দিয়ে গেছেন। বীরভূমের রামপুরহাটের ১১৫ নম্বর বুথে ভোটার তালিকায় নাম ছিল ৮৮৪ জনের। তারমধ্যে নাম ছিল প্রয়াত বিকাশ সাহার। দেখা গেল ওই বুথে ভোট দিয়েছেন মোট ৮৮৪ জন। আর এই তথ্য কানে যেতেই কপালে চোখ উঠেছে কমিশনের। ১৭ সি ফর্ম, যেখানে লেখা থাকে কত ভোট পড়লো, সেই ফর্ম এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে মোবাইলে মোবাইলে। বিজেপি,সিপিএম বলছে ছাপ্পা ভোটের কি মর্মান্তিক চেহারা।

সকাল থেকেই বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করছিল, রামপুরহাটে ব্যাপক ছাপ্পা ভোট চলছে। বুধবার ১৭সি ফর্ম প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে নিজেদের বক্তব্য নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধীরা।এই ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছেন জেলার নির্বাচনী আধিকারিক মৌমিতা গোদালা। বিজেপি নেতারা বলছেন, অবিলম্বে কমিশনের উচিত হস্তক্ষেপ করা। দলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে গোটা বীরভূম জেলাতেই নতুন করে ভোট গ্রহণের দাবি তোলা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বীরভূমে ভোটের নামে দিনভর প্রহসন হয়েছে। অনুব্রত মন্ডল ক্যামেরার সামনে লাইভ দিনভর ছাপ্পা ভোটের অপারেশন চালিয়ে গেছেন। দুনিয়া সুদ্ধ লোক দেখেছে কিভাবে ভোট করাচ্ছেন তিনি। এরপর কমিশন যদি ব্যবস্থা না নেয় তবে মানুষের আস্থাই টলে যাবে।

এনিয়ে রসিকতাও হচ্ছে বিস্তর। অনেকে বলছেন, অনুব্রত বারবার বলছেন , দেখিস একশ শতাংশ ভোট যেন না হয়, তাহলে মুশকিল হবে। তার বাধ্য কর্মী বাহিনী, এই টুকু নির্দেশ রাখতে পারলো না? ফুট কেটে কেউ কেউ বলছেন , গুরুকে খুশি করার অতি উৎসাহে দু একটা ভুল হয়ে গেছে। কেউ বলছেন, অশিক্ষিত গুন্ডা মাস্তানদের ওপর ভরসা করতে হয় তো, ওরা আবার শতাংশের হিসেব টিসেব বোঝে কম। ছাপ্পা মারতে বলেছে, দেদার প্রানের সুখে মেরে দিয়েছে, কে যাবে অত গোনাগুনীর করার ঝামেলায়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »