১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৭:১৪
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

জীবনে কখনও বিদ্যুৎ ব্যবহার করেননি এই নারী!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, মে ৮, ২০১৯,
  • 309 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

প্রখর গ্রীষ্ম। গরমে দরদর করে ঘামছেন। ঘরে পাখা চালিয়েও রেহাই নেই। একটু অর্থের সংস্থান থাকলেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র, নিদেনপক্ষে কুলার তো চাই-ই চাই। কিন্তু একেবারে বিদ্যুৎহীন হয়ে থাকতে হয় যদি, তাও মহারাষ্ট্রের গরমে! এ যে একেবারে অসম্ভব। এই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন মহারাষ্ট্রের এক অধ্যাপিকা।

ভারতের মহারাষ্ট্রের অধ্যাপিকা হেমা সানে। বয়স ৭৯। কোনওরকম বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই একটা মাটির ঘরে বাস করছেন এই অধ্যাপিকা। পুণের বুধওয়ার পেথে এলাকার বাসিন্দা তিনি।

প্রকৃতিকে ভালবেসে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। হেমা সানে সাবিত্রীবাঈ ফুলে পুণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেন। তিনি পুণের গারওয়ারে কলেজে পড়াতেন। একটি ছোট কুঁড়ে ঘরে প্রচুর গাছপালা ঘেরা পরিবেশে থাকেন তিনি। সঙ্গে থাকে তাঁর পোষ্য কুকুর, বিড়াল, বেজি ও অসংখ্য পাখি।

হেমা বলেন, ‘প্রকৃতিরই সম্পত্তি সবকিছু, আমার নয়। আমি ওদের দেখাশোনা করার জন্য এখানেই আছি। মানুষ আমাকে বোকা বলে। আমি মানসিক ভারসাম্যহীন হতেই পারি কিন্তু বিদ্যুৎহীনভাবে থাকা আমার কাছে কোনও ব্যাপার নয় কারণ এরকম জীবনযাপনই আমার পছন্দ।’

হেমা পরিবেশ সংক্রান্ত এবং গাছপালা নিয়েও অসংখ্য বই লিখেছেন এই ঘর থেকেই। হেমার কথায়, তিনি বিদ্যুতের প্রয়োজন অনুভব করেননি। বরং কেউ তাঁকে এই প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে এক জন কী ভাবে বাঁচেন?

তাঁর কাছে অনেকেই এই বাড়ি ফার্ম হাউসের জন্য কিনতে চেয়েছেন। কিন্তু সকালবেলা যাদের ডাকে ঘুম ভাঙে, সারাদিন যাদের সাহচর্যে থাকেন তিনি, তাদের ক্ষতি করতে পারবেন না। গাছ বা পাখিদের যত্ন নিজের হাতেই নিতে চান তিনি।

আর যারা তাঁকে পাগল বলে, তাঁদের কী বলেন হেমা? প্রকৃতির এই মানুষ বলেন, ‘আমি কাউকে কোন বার্তা বা জ্ঞান দিই না, বরং আমি বুদ্ধের বিখ্যাত কথাটাই উচ্চারণ করি।’

হেমা ব্যক্তিগতভাবে গৌতম বুদ্ধের একটি বাণীতে বিশ্বাস করেন, সেটি হল নিজের জীবনের পথ নিজেকেই বেছে নিতে হবে। তাই প্রকৃতিকে ভালবেসেই এমন সিদ্ধান্তে অনড় বৃদ্ধা।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা,

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »