৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ রাত ২:০৮
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

দেশে নীরব সাম্প্রদায়িকতা চলছে: বাদশা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ রবিবার, মে ১২, ২০১৯,
  • 173 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

 আদিবাসী ও সংখ্যালঘু বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, দেশে এখন নীরব সাম্প্রদায়িকতা চলছে। ককাস আয়োজিত এক নাগরিক সম্প্রীতি সভায় এ কথা বলেন তিনি। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা আরও বলেন, সমাজে যারা সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন প্রয়োজন। কিন্তু যারা অসাম্প্রদায়িকতার রাজনীতির কথা বলেন, তাঁদের সঙ্গে রাষ্ট্রের আচরণ নেতিবাচক। সভায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ফেসবুক, টুইটার বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম দুই ধরনের মানুষের হাতে। একটি দল পর্নো ছড়িয়ে দিচ্ছে। আরেক দল ছড়াচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা। এর ব্যবহার আমরা দেখেছি। তিনি বলেন, ফেসবুকে এই সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে কক্সবাজারের রামু ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংখ্যালঘুদের ওপর তাণ্ডব চালানো হয়েছে। এভাবে দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। রাশেদ খান মেনন বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আমাদের দেশ ধর্মনিরপেক্ষ। দেশে নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর যেভাবে নির্যাতন অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে, তাতে আমরা বড় ধরনের সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি বলে আশঙ্কা হচ্ছে। যেসব ঘটনা ঘটে চলেছে, এগুলো ধর্মনিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সভায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন, জুলুমের ঘটনা ঘটছে। তাঁরা নিপীড়িত হচ্ছেন। তাঁদের ভূমি জবরদখল করা হচ্ছে। তাঁদের মানবাধিকার রক্ষায় সরকার উদাসীন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যেখানে যে জেলায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটবে, ওই এলাকার সংসদ সদস্যরা যেন জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসনকে জবাবদিহির মধ্যে নিয়ে আসে। সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক ককাসের টেকনোক্র্যাট সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ও ইন্টার রিলিজিয়ান হারমোনী সোসাইটির মহাসচিব মনোরঞ্জন ঘোষাল প্রমুখ।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »