১২ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ সকাল ১১:৫৬
ব্রেকিং নিউজঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর নিজে শিখুন এবং অন্যকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন। আবার ভুমিদস্যুর হাতে আহত সংখ্যালঘু হিন্দু… বাংলাদেশেও অর্থপাচারের অভিযোগ পার্থের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নয়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১১ দুর্ঘটনাস্থলে সিগন্যাল, লাইনম্যান ছিল না আদমশুমারি: জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি, পুরুষের চেয়ে নারী বেশী, কমেছে হিন্দু জনগোষ্ঠী সিলেটের হবিগন্জে হিন্দুদের উপর হামলা একজন নির্যাতিতের আকুতি। রাজশাহী বাঘার কৃতিসন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত যুগ্ম-সচিব হওয়ায় সর্ব মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মুসলমানের বিয়ের দাওয়াতপত্রে রাম-সীতার ছবি, বিপাকে কন্যার বাবা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, মে ১৭, ২০১৯,
  • 186 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গাঁটছড়া বাঁধবেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের এক মুসলিম দর্জির মেয়ে। ঘটা করে বিয়ের কার্ড ছাপিয়েছেন। আর সেই কার্ডে ছবি দিয়েছেন হিন্দু দেবতা রাম এবং সীতার। আর এতেই তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছেন স্থানীয় এক ইমাম। এতটাই চটেছেন যে, কার্ড দেখা মাত্রই মেয়ের বাবাকে মুখের ওপর বলে দিয়েছেন, ‘এই বিয়েতে আসব না!’
মুসলিম বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য একজন ইমামকে থাকতেই হয়। কিন্তু এই ইমাম মুখের ওপর না বলে দেওয়ায় বেজায় চাপে পড়েছেন কন্যা এবং পাত্রের বাবা। মেয়ের বাবা ইবাদত আলিকে ওই ইমাম বলেছেন, ‘বিয়ের কার্ডে কোনো ভগবানের ছবি থাকা মানে সেটা ধর্মসম্মত নয়’। শাহজাহানপুরের আল্লাগঞ্জ এলাকাটি একটি হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চল। আর সেখানে একটি মাত্র মুসলিম পরিবার এই ইবাদত আলির। ৩০ এপ্রিল ২০ বছরের মেয়ে রুকশারের বিয়ে দিচ্ছেন।
বিয়ের তোড়জোড় করতে চরম ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন ইবাদত। গ্রামবাসীদের বলেছিলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য ২৫০টি কার্ড ছাপিয়ে দিতে। ঝঞ্ঝাটের শুরু হয় যখন তিনি ক্যালেন্ডারের মতো কার্ডগুলি গ্রামবাসীদের বিলি করতে শুরু করেন। আর সেই ক্যালেন্ডারেরই নীচে রাম আর সীতার ছিব।
ইবাদতের কথায়, ‘কার্ড দেখে ঠিক করার আগেই ছাপা হয়ে গিয়েছিল। আমি বুঝতেই পেরেছিলাম এই ছবি আমাকে সমস্যায় ফেলবে। আর ঠিক তাই হল’। সেই ইমাম ইবাদতকে কার্ডটি বদলে ক্ষমা চেয়ে অন্য একটি কার্ড তৈরি করতে বলেছিলেন। কিন্তু ইবাদত মানতে রাজি হননি। পরিষ্কার বলে দিয়েছিলেন, ‘আমার কাছে অতো টাকা নেই। এই বিয়ের পিছনেই আমার জীবনের সব সঞ্চয়ই শেষ হয়ে গেছে’। আর এক ইমামের কাছেও গিয়েছিলেন ইবাদত, তিনিও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তাকে।
তবে ইবাদতের সঙ্গে রয়েছে তার পড়শিরা। গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান অলোক মিশ্র বলছেন, ‘ইবাদত আলিকে আমরা বহুদিন ধরে চিনি। ও খুব ভালো মানুষ। যেখান থেকেই হোক তার মেয়ের বিয়ের জন্য ইমাম খুঁজে নিয়ে আসব।
সূত্রঃ এই সময়

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »