২৭শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ রাত ১:৩১

কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চান আন্দোলনকারীরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, এপ্রিল ১০, ২০১৮,
  • 596 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

কোটা সংস্কার নিয়ে জাতীয় সংসদে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে কৃষিমন্ত্রী লিখিতভাবে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আবার আন্দোলনে নামবেন বলে জানান কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত এই সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ রাশেদ খান।

মোহাম্মদ রাশেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত এই সংগঠনের ২০ জন সদস্য গতকাল সোমবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন। পরে এই কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে মোহাম্মদ রাশেদ খান ছিলেন।

তবে ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের কর্মসূচি স্থগিত করার ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের তিন জায়গায় শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। তাঁরা আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আজকে যাঁরা আন্দোলন করেছেন, তাঁরাও বিকেল পাঁচটার মধ্যে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন। আন্দোলনকারী মোহাম্মদ জোবায়ের উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, বিকেল পাঁচটার মধ্যে মতিয়া চৌধুরীকে লিখিতভাবে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।

গতকাল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় নিন্দা ও সমালোচনা করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সংসদে বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা সুযোগ পাবে না, রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে? তাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংকুচিত হবে?’ তিনি বলেন, ‘রাজধানীকেন্দ্রিক একটি এলিট শ্রেণি তৈরির চক্রান্ত চলছে। তারই মহড়া গতকাল (রোববার) আমরা দেখলাম।’

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পরিষ্কার বলতে চাই। মুক্তিযুদ্ধ চলছে, চলবে। রাজাকারের বাচ্চাদের আমরা দেখে নেব। তবে ছাত্রদের প্রতি আমাদের কোনো রাগ নেই। মতলববাজ, জামায়াত-শিবির, তাদের এজেন্টদের বিরুদ্ধে সামান্য শৈথিল্য দেখানো হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব এদের ক্ষমা নেই, ক্ষমা করা যাবে না। হয় তারা থাকবে, নতুবা আমরা থাকব।’

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী রাতের আঁধারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসায় হামলার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ‘এটা শিক্ষার্থীদের জন্য একটা কলঙ্কজনক ইতিহাস। মুখোশ কেন পরতে হবে? মুখোশ কারা পরে? যারা ভণ্ড, প্রতারক—তারাই মুখোশ পরে। ইতর হওয়ার একটা সীমা আছে।’

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...
© All rights Reserved © 2020
Developed By Engineerbd.net
Engineerbd-Jowfhowo
Translate »